
একজন লেখকের কাছে তার লেখা একটি বই অনেক আদরের সন্তানের মতো।প্রতিটি শব্দ, প্রতিটি লাইন, প্রতিটি পৃষ্ঠা আপন মমতায় একটু একটু করে অবয়ব দেয়।
দীর্ঘ নয় বছর পর আমার চতুর্থ উপন্যাস "অরোরা টাউন " পৃথিবীর মুখ দেখলো। বই মেলার মাঝে কিছু জটিলতার কারনে প্রকাশ হওয়া অনিশ্চয়তায় পড়ে গিয়েছিল। অনেক গল্পের জন্ম দিয়ে সে এলো ।
এই কয়দিন যারা ফিরে গেছেন নানা অভিজ্ঞতা নিয়ে।তবুও হাল ছাড়েননি। শেষ পর্যন্ত অপেক্ষা করেছেন। তাদের কাছে আমার কৃতজ্ঞতা আর ভালবাসা অফুরন্ত।কেউ কেউ প্রতিদিন খুঁজেছে । কেউ কেউ তিন বার খুঁজে না পেয়ে স্টলের ছবি তুলে এনে ব্লগ লিখেছেন । একজন লেখকের সাথে একজন পাঠকের ভালবাসাও কম থাকে না ।
অনেক ব্যস্ততা আর ঝামেলায় আমার বর্তমান সময়টা যাচ্ছে। মনটা একটু বিষন্ন ছিল।চিটাগাং এবং রাজশাহী থেকে আগত অনেকেই তিন চার বার কিনতে গিয়ে ফিরে এসেছে। মন খারাপ করে চিটাগাং চলে গেছে ।কিন্তু পাঠকের হতাশার কথা ফেসবুকে ছবি সহ নিজেদের অনুভূতি জানাতে ভুলেনি । স্টলে না আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করেছে অনেকে । এই সময়টায় প্রথম বইটা কিনে এনে সারপ্রাইজ দিল আমার এক পাঠক সুনায়না ইসলাম। শুধু তা নয় নিজেও কাভারের নতুন রূপ দিয়ে তার ভালবাসার কথা জানিয়েছে। এই যে লেখকের প্রতি আর বইয়ের প্রতি মানুষের যে আবেগ আর ভালবাসা এই শিল্প না থাকলে হয়ত দেখা যেতো না । আর আমি লেখক না হলে এই ভালবাসাও পেতাম না । তাই লেখক হতে চাই । লেখাকে রাখতে চাই সব কিছুর উপরে । নিজের একান্ত কিছুর সাথে ।

অনেকেই বলে বই বিক্রি হয়না । মানুষ বই পড়ে না ।এগুলো কিছু ভুল তথ্য । সবাই পাঠক হবে না ।আর এটাই স্বাভাবিক । তবে বই কে কেন্দ্র করে বই মেলার প্রসার হচ্ছে । অনেক প্রকাশক আর লেখক তৈরি হচ্ছে । নতুন নতুন পাঠক ও তৈরি হচ্ছে। লেখক , প্রকাশক ,পাঠক কে ঘিরে বাংলাদেশে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হচ্ছে । আসুন সবাই বই পরার সংস্কৃতি কে অব্যাহত রাখি ।
বই কিনুন ,বই পড়ুন , বই সংগ্রহ রাখুন ।

অরোরা টাউন উপন্যাসটি পাওয়া যাচ্ছে শিখা প্রকাশনীর স্টলে । স্টল নাম্বার হল ৬১২ -৬১৫ ।
দাম ১৬০ টাকা
সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ দুপুর ১২:৫৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


