
চারদিকে এত ঋণাত্মক খবর, পেট্রল বোমা আর রাজনৈতিক অস্থিরতার মাঝেও অতি সম্প্রতি 'সি.এন.এন মানি' র অর্থনৈতিক পাতায় প্রকাশিত 'ওয়ার্ল্ডস লারজেস্ট ইকোনমিস' শীর্ষক খবরটি খুবই আশাব্যঞ্জক। খবরটি হচ্ছে: ইন্টারন্যাশনাল মনিটরি ফান্ড (আই.এম.এফ) এর হিসাব উনুযায়ী ২০১৯ সালে সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতির দেশের তালিকায় ৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি (জিডিপি) নিয়ে বাংলাদেশ থাকবে দ্বিতীয় অবস্থানে, আর ৯ দশমিক ২ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নিয়ে প্রথম স্থানে থাকবে ইরাক (সি.এন.এন. খবর লিংক)।
একটা দেশের সার্বিক উন্নতি নির্ভর করে সে দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির উপর। আর অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি নির্ভর করে কোনো দেশের সরকারের নেয়ে অর্থনৈতিক তথা সামগ্রিক নীতি নির্ধারণের উপর। আই.এম.এফ এর রিপোর্ট অনুযায়ী ২০০২ থেকে ২০১১ পর্যন্ত বাংলাদেশের জিডিপি পৃথিবীর প্রথম দশটি দেশের মধ্যে ছিল না। আওয়ামিলীগ সরকার ক্ষমতায় এসে ২০১২ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে তুলে নিয়ে আসে পৃথিবীর সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতির প্রথম দশটি দেশের তালিকায়। ৬ দশমিক ১ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নিয়ে ২০১২ সালে বাংলাদেশ দশম দেশ হিসেবে অবস্থান নেয়।
আওয়ামিলীগ তার শাসন আমলে এই জিডিপির হার শুধু ধরেই রাখেনি, তাকে করেছে উর্ধগতিশীল। ২০১৪ সালে বাংলাদেশর জিডিপি উঠে আসে এই তালিকার চতুর্থ স্থানে। সুসংবাদ হচ্ছে, আই.এম.এফ এর হিসাব অনুযায়ী এই জিডিপির উর্ধগতি বজায় থাকবে। এবং ২০১৯ সালে বাংলাদেশ হবে দ্বিতীয় শক্তিশালী এবং দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতির দেশ, আর ভারত থাকবে তৃতীয় অবস্থানে।
বাংলাদেশের যে সব জ্ঞানপাপীগণ ভাবেন যে আওয়ামিলীগ সরকার দেশকে রসাতলে (অথবা ভারতের পদতলে) নিয়ে যাচ্ছে তাদের জন্য এ খবর নিসন্দেহে এক দুঃসংবাদ! নতুন করে তাদেরকে প্রস্তুতি নিতে হবে আগামী টকশো গুলোর জন্য।
খোন্দকার মেহেদী আকরাম
শেফিল্ড
২৯ জানুয়ারী ২০১৫
সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে জানুয়ারি, ২০১৫ রাত ১২:৫৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।





