somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

সাংবাদিক পেটালো পুলিশ

২৮ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:৪৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

সাংবাদিক পেটাতে পুলিশের হাত বোধহয় নিশপিশ করে।কারণ এর আগে পুলিশ করিৎকর্মের ইতিহাস তাই বলে।আজ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্যাম্পাসে কর্মরত সাংবাদিকরা মূল গেট দিয়ে ঢুকতে চাইলে ততিনজনকে পিটিয়ে আহত করে পুলিশ।আহত সাংবাদিকরা হলেন- যায় যায় দিনের এম মামুন হোসেন, ভোরের কাগজের গোলাম মোস্তফা ও যুগান্তরের সাদেকুল ইসলাম পন্নি।

যায় যায় দিনের সাংবাদিক মামুন হোসেন আমাকে বলেন,কোতয়ালী থানার ঐ পুলিশ কর্মকর্তা(সাংবাদিক পেটানো) বলেছিলেন,তুমি সাংবাদিক তা আমার কি হইছে।তুমি আমার বালডা ছেড়বা।এই কথা বলে আমার কলার ধরে ধাক্কা দিল।আমি সহ বাকিরা মাটিতে পড়ে গেলাম।

এই খবর পেয়ে ক্যাম্পাসে গেলাম। সাংবাদিকদের দেখতে পেলাম কোতয়ালী থানার ওসি হান্নানের সঙ্গে বৈঠক করছেন।এ সময় সাংবাদিক সোহরাব বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর আসাদুজ্জামানকে বললেন,আপনি নিশ্চয় সাংবাদিকদের পেটানোর নির্দেশ দিয়েছেন।এই কথা শুনে তেলে বেগুনে জ্বলে উঠলেন তিনি।বললেন,সোহরব বেশী বুঝতে যেওনা।বুঝলে সামনে বিপদ আছে।হুমকি দিলেন প্রক্টর!

এক পর্যায়ে ওসি হান্নান সাংবাদিক পেটানোর ঘটনার সত্যতা স্বীকার করলেন।বললেন,আমি ক্ষমা চাইছি।আপনারা ক্ষমা করেন।তখন সাংবাদিকরা বললেন অফিসিয়ালী ক্ষমতা চাইতে হবে।

এই কথা শোনার পর প্রক্টর আবারো ক্ষেপে গিলেন।বললেন,আমাকে অসম্মান করা হচ্ছে।
এরপরের ঘটনা আরো চমৎকার।নিচে ফটোসাংবাদিকরা নির্যাতিত সাংবাদিকদের ছবি তুলবেন।সাংবাদিকরা পুক্টরকে বলল নিচে যাবে।কেন?প্রশ্ন করলেন প্রক্টর।সাংবাদিকরা বলল ছবি তুলবে আমাদের।

তখন প্রক্টর সাংবাদিকদের বাধা দিল।তারপরও সাংবাদিকরা নিচে ব্যানার সহ ছবি তুলল।এসময় অাবার প্রক্টর সাংবাদিকদের সামনে আসলেন।ফটোসাংবাদিকদের বললেন,এ ছবি পত্রিকায় দেবন না।হুমকি দিলেন। পরে নির্যাতিত সাংবাদিকরা আমাকে বলল,সাংবাদিকদের পেটানোর ঘটনার মহানায়ক হলেন এই প্রক্টর আসাদুজ্জামান।
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

দ্বিধাদ্বন্দ্ব কাটিয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে নবীজির শেখানো এক অনন্য আমল

লিখেছেন নতুন নকিব, ১১ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৯:০৩

দ্বিধাদ্বন্দ্ব কাটিয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে নবীজির শেখানো এক অনন্য আমল

ছবি অন্তর্জাল থেকে নেওয়া।

মানুষের জীবন মূলত অসংখ্য ছোট-বড় সিদ্ধান্তের সমষ্টি। প্রতিটি বাঁকে, প্রতিটি মোড়ে আমাদের কোনো না কোনো... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্যা ফায়ার অফ মাই সউল

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১১ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৫:১৪

আমি যে ধরণের গান পছন্দ করি, সেগুলোর মাঝে ক্বারি আমির উদ্দিনের 'কুহু সুরে মনের আগুন' গানটি আমার খুব প্রিয়। এই গানটিকে সম্প্রতি ইংরেজিতে অনুবাদ করে গান বানিয়েছি, এনিমেশন... ...বাকিটুকু পড়ুন

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬

লিখেছেন আঘাত প্রাপ্ত একজন, ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ৮:২৬

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬

[সম্ভাবনার ক্রমানুসারে নয়ঃ]

আর্জেন্টিনা: আর্জেন্টিনার সবচেয়ে বড় প্রতিপক্ষ তার ডিফেন্স আর ইনজুরি । ৩৮ বছরের তরুণ(!) সেন্টারব্যাক ওতামেন্দি আর কমপক্ষে এক হালি হাফ-ফিট ফুটবলার নিয়ে ১৯ জুলাই পর্যন্ত... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমার ডক্টর যেন বাঁচে ১৫০ বছর.....

লিখেছেন শায়মা, ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৪



ডক্টরস, হসপিটাল এবং ওষুধ এসব নিয়ে আমার তিক্ত অভিজ্ঞতার শেষ নেই। এ কারনে আমি একদম এদের কাউকেই পছন্দ করি না। তবে কিছু তো করার নেই। জীবনের নানা সময়ে ইচ্ছের... ...বাকিটুকু পড়ুন

কবিতাঃ শরৎ বন্দনা

লিখেছেন ইসিয়াক, ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ১১:৫৯


শরৎ এলেই আকাশ জুড়ে সাদা মেঘের ভেলা
দিনমণি আর মেঘমালার লুকোচুরি খেলা।

রুম ঝুমঝুম নূপুর পায়ে ছুটছে নদীর ঢেউ
ভাটিয়ালি গাইছে গান অচিন সুরে কেউ।

বিলে ঝিলে শাপলা পদ্ম... ...বাকিটুকু পড়ুন

×