রাজধানী ও আশপাশ এলাকায় শতাধিক মাদক স্পট ও মাদকের পাইকারী ডিপো গড়ে উঠেছে। এ সব মাদক আসছে সীমান্তের ওপার থেকে। ওই সব মাদকের ভয়াল থাবার শিকার হচ্ছে দেশের যুব সমাজ। এছাড়া রাজধানীর কিছু আবাসিক হোটেল মালিক, মডেল কন্যা, অভিনেত্রীরা মাদক ও নারী ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ পাওয়া গেছে। মাদকের সবর্গ্রাসী থাবা থেকে সমাজকে বাঁচাতে এখনো কোনও কাযর্কর উদ্যোগ নেই। আইনশৃংখলাবাহিনী ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের ধারাবাহিক অভিযানে কিছুটা সাফল্য এলেও মাদক সম্রাজের মূল গডফাদার ভারতীয় নাগরিক রতন বাবু রয়ে গেছে ধরা ছোঁয়ার বাইরে। বিভিন্ন তথ্য থেকে জানা যায়, মূলত তার হাত দিয়েই বাংলাদেশে মাদকদ্রব্যের জোগান আসে। বাংলাদেশে তার প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করেন গোপীবাগের মাদক সম্রাট নাসির।
মাদক ডিপো আমিনবাজার
দেশের আলোচিত মাদক ডিপো আমিন বাজার। আমিন বাজার এলাকায় ১০টি মাদক স্পট রয়েছে। আর এই স্পটগুলো পরিচালনা করে কফিল উদ্দিনের ভাগ্নে আজম। এ চক্র বেনাপোল থেকে গাড়িতে করে মাদক নিয়ে আসে।বিভিন্ন সময় এখানে পুলিশ-মাদক বিক্রেতা র্যাব, পুলিশসহ আইনশৃংখলা বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে সংঘর্ষ গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। আমিনবাজার মাদক ডিপোর নিয়ন্ত্রক আমিনবাজার ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও সাভার বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কফিল উদ্দিন। যৌথবাহিনী ও র্যাবের ধারাবাহিক অভিযানের ফলে কফিল উদ্দিন কিছু দিন পালিয়ে ছিল। সে এখন আবার সরাসরি নেমেছে মাদক ব্যবসায়।
কেরানীগঞ্জ
সাবেক জোট সরকারের আমলের প্রতি মন্ত্রী আমানউল্লাহ আমানের নেতৃত্ত্বে কেরানীগঞ্জ এলাকায় গড়ে উঠেছিল সন্ত্রাসীদের আস্তানা। আর ওই সন্ত্রাসীরা সেখানে গড়ে তুলেছিল মাদক সম্রাজ্য। যৌথবাহিনীর অভিযান ও বর্তমান তত্ত্ববধায়ক সরকারের হস্তক্ষেপে কেরানীগঞ্জ এলাকা সন্ত্রাস ও মাদকমুক্ত হয়। আমানের সশস্ত্র ক্যাডার জিয়াউদ্দিন পিন্টু, রেজাউল করিম পল, মাসুদ, কেরানীগঞ্জকে অস্ত্র ও মাদকের স্বর্গরাজ্যে পরিণত করেছিল। মাদক সম্রাট সিরাজ, সেলিম, গৌরাঙ্গকে সরাসরি তারা পরিচালনা করত। এ ছাড়া তাদের সঙ্গে ছিল নৌকার মাঝি থেকে কোটিপতি বনে যাওয়া হেরেমখানার মালিক নাজিম চেয়ারম্যান। তিনি শেল্টার দিতেন রাসেল, রিপন, সবুজ ও জসিমকে। যৌথবাহিনীর হাতে আমানসহ তার অস্ত্রধারী ক্যাডাররা ধরা পরার পর তাদের তৈরী দ্বিতীয় শ্রেণীর ক্যাডাররা অস্ত্র , মাদক, ঝুট ব্যবসা ভার নেয়। কেরানীগঞ্জের মাদক ব্যবসায়ীদের সঙ্গে রাজধানীর অপরাধ জগতের গডফাদারদের বিশেষ সম্পর্ক রয়েছে। তেমনি সম্পর্ক রয়েছে প্রমোদবালাদের সঙ্গেও। এরা রাজধানীর ভিআইপিদের গাড়ি ব্যবহার করে কেরানীগঞ্জের ঘাট এলাকা থেকে মাদক সংগ্রহ করে ধানমণ্ডি, উত্তরা, গুলশানের অভিজাত ফ্ল্যাটে পৌছেঁ দেয়। এরা মোবাইল নেটওয়ার্কের মাধ্যমে মাদক বেচাকেনা বলে স্থানীয় একটি সূত্র জানায়।
মিটফোর্ড
মিটফোর্ডে বিভিন্ন ওষুধদের দোকানের সামনে দরদাম ঠিক করে হেরোইন বিক্রি হয়। এর আগে ক্রেতা বিক্রেতারা মোবাইলফোনে যোগাযোগ করে স্থান নিধারর্ণ করে। এরা ভিন্ন কায়দায় ফামের্সী থেকে এন্টাসিড বা সিভিট জাতীয় ওষধ ক্রয় করে ওই প্যাকেটে হেরোইনের পুরিয়া ভরে দেয়া হয়। এই হোরোইন পুরিয়া আকারে যারা বিক্রি করছে তারা হলো মানিকগঞ্জের শিবালয়ের হেরোইন বিক্রেতা হারুন-অর-রশিদ, মাগুরার খলিলুর রহমান খলিল, সূত্রাপুর থেকে সেলিম মিয়া ও আফতাব উদ্দিন হাতাকাটা সাহাবউদ্দিন, নাসির উল্লাহ। মিটফোর্ড কেন্দ্রিক হেরোইন বিক্রির গডফাদার হিসেবে যারা কাজ করেন তারা হলো, পুরানো ঢাকার গোয়লনগর লেনের মোস্তাকিম, বাংশালের নাসিরউল্লাহ, আলুবাজারের সিরাজম মালিটোলার সালাউদ্দিন। পর্দার আড়ালে থেকে এদর সবরকমের সহযোগীতা করে বংশালের হোসেন মোল্লা। বর্তমানে তিনি আমেরিকায় আবস্থান করলেও তিনি সেখানে থেকেই হেরোইন পাচার নেটওয়ার্ক নিয়ন্ত্রণ করছেন। ভারত থেকে চট্টগ্রাম, দিনাজপুর, রাজশাহী, যশোর সীমান্ত পথ ধরে বিভিন্ন বাহনের মাধ্যেমে এই মরণ নেশা হেরোইন বাংলাদেশে ঢুকে। চট্টগ্রামের মাদক চোরাচালানের গডফাদার রফিকুল ইসলাম রফিক। তার বেশ কয়েকজন সহযোগী রয়েছে। এই সিন্ডিকেট খলিল ও সেলিমের কাছে ফেন্সিডিল, গাজা, ইয়াবাসহ হেরোইন সরবরাহ করে। চট্টগ্রাম সীমান্তপথে প্রথমে মাদক আসে কদমতলী বাসস্টান্ডে। সেখানে থেকে বিশেষ কায়দায় এ মাদক নারায়নগঞ্জের সোনারগাঁও হয়ে মেঘনাঘাটে পৌঁছায়। পরে এই মাদক ঢাকা কেরানীগঞ্জ ও আমিনবাজার স্পটে সরবারাহ করা হয়।
ডেমরার সিটিপল্লী
যৌথবাহিনী ও র্যাবের বিশেষ অভিযানে ডেমরার সিটিপল্লীতে গত দুই বছর মাদক ব্যবসা বন্ধ ছিল। এখন প্রতিমাসে ওই সিটি পল্লীতে দুই কোটি টাকার মাদক বিক্রি হয় বলে একটি সূত্র জানায়। বর্তমানে সিটিপল্লীর ওই স্পটটি নিয়ন্ত্রণ করে রাজধানীর অন্যতম সন্ত্রাসী সবুর ওরফে গ্যাং স্টার। দেশের প্রথম পাইকারী হেরোইন ব্যবসায়ী হক্কা মহাজন দেড়যুগ ধরে সিটি পল্লীর বৃহৎ স্পটটি নিয়ন্ত্রণ করত। হক্কা মহাজনের গ্রেফতার এবং তার মৃত্যুর পর স্পটটির নিয়ন্ত্রণে চলে আসে শীর্ষ সন্ত্রাসী মোকসারের হাতে। এরপর জোট সরকারের শেষের দিকে মোকসা গ্রেফতার হলে স্পটটির নিয়ন্ত্রণ নেয় হক্কা মহাজনের মেয়ে হোসনে আরা ও শ্যালিকা শাহনাজ।
পরবর্তী সময়ে সিটিপল্লীতে হেরোইন ব্যবসা পুরোপুরি বন্ধ করার জন্য র্যাব-১০ এর ক্যাম্প বসানো হয়। র্যাবের অব্যাহত অভিযানে ওই স্পটটি দুই বছর বন্ধ ছিল। গত বছরের অক্টোবর মাসের মাঝামাঝি সময়ে এক শ্রেণীর পুলিশ ও মাদকদ্রব্য অধিদফতরের দুনীর্তি পরায়ণ কর্মকর্তার যোগসাজসে সিটিপল্লীর মাদক ব্যবসা আবার ও শুরু হয় বলে স্থানীয়রা দি এডিটরেরকে জানান।
খোঁজখবর নিয়ে জানা যায়, সিটিপল্লীতে বর্তমানে পাইকারী হেরোইন ব্যবসায়ী করছে ২০ জন। এদের আবার বিক্রয়কর্মী রয়েছে ৮০ থেকে ৯০ জন। এরা সবাই একন হক্কা মহাজনের অনুসারী। হক্কা মহাজনের অনুসারীরা ওই স্পটটি তাদের নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য দেড় ডজনের ও বেশী হত্যাকান্ড ঘটায়। এর মধ্যে ধলপুরের লিটন হত্যা, গোলাপবাগের রেজাউল ও সোর্স বখশু হত্যা অন্যতম। বর্তমানে স্পটটির নিয়ন্ত্রক সবুরের বিরুদ্ধে রয়েছে হত্যা, মাদক, চাঁদাবাজীসহ ২৪টি মামলা। হক্কা মহাজনের মেয়ে এবং শ্যালিকাকে নিয়ে সবুর গঠন করে হেরোইন ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট। এর মূল নিয়ন্ত্রণে রয়েছে সবুর, জিলানী, বিল্লাল, কালাম, ও আমির। এ সন্ত্রাসী গ্রুপটি নিয়ন্ত্রণ করে জিলানী। সিটিপল্লীতে পাইকারীভাবে হেরোইন বিক্রি ছাড়াও একটি গাঁজার স্পট এবং একটি ফেন্সিডিল স্পট রয়েছে। এরমধ্যে গাঁজার স্পটটি নিয়ন্ত্রণ করে সবুর, ফেন্সিডিল স্পটটি নিয়ন্ত্রণ করে বিল্লাল। রাজধানীর আশপাশ এলাকার বড়বড় গাজাঁর স্পটে বাচ্চু সিন্ডিকেট গাঁজা সরবরাহ করে থাকে।
গোপীবাগ
সিটিপল্লীর হক্কা মহাজনের সিন্ডিকেটের দুই সদস্য আউশা ও ম্যাগী আলাদাভাবে হেরোইন ব্যবসা চালু করে গোপীবাগের গোবেনপুর জিয়া মাঠ এলাকায়। এই দুইবোনের সিন্ডিকেট সুমন হেরোইন ডিলার হিসেবে এলাকায় পরিচিত। গোপীবাগ এলাকার অধিকাংশ সন্ত্রাসীর সঙ্গে আউশা ও ম্যাগীর গভীর সম্পর্ক থাকার কারণে এলাকাবাসী প্রতিবাদ করার সাহস পায় না। এ ছাড়া স্থানীয় প্রশাসনকে মোটা অংকের মাসোহারা দিয়ে বহালতবিয়তে স্পটে অবাধে পাইকরি ও খুচরা হেরোইন বিক্রি করে আসছে।
সূত্রাপুর,ডেমরা ,সবুজবাগ
সূত্রাপুর, ডেমরা ও সবুজবাগ থানা এলাকায় রয়েছে অর্ধশত খূচরা মাদকস্পট। স্পট নিয়ন্ত্রণকারীরা তাদের নিজস্ব বিক্রয়কর্মী দিয়ে মাদক দ্রব্য ফেরী করে, কেউবা মোবাইলে বিক্রি করছে ফেন্সিডিল, গাঁজা, হেরোইন বাংলামদ। জানা গেছে, জরুরী অবস্থার কারণে গোপীবাগের টিটিপাড়ার বৃহৎ মাদক স্পটটি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় আশপাশের এলাকাগুলোতে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে গেছে স্পটগুলো। এদের মধ্যে টিটি পাড়ার মাসুম উল্লেখযোগ্য। র্যাব-১০ এর সোর্স পরিচয়দানকারী মাসুম দীর্ঘদিন টিটিপাড়া মাদক সিন্ডিকেটের নিয়ন্ত্রক ছিল। বর্তমানে মাসুম কমলাপুর বাস ডিপো সংলগ্ন হোটেল টাওয়ারে বসে নিয়ন্ত্রণ করছে তার ভ্রাম্যমান ফেন্সিডিল স্পট।
যাত্রাবাড়ী বউবাজারের পাইকারী ফেন্সিডিল স্পটটি নিয়ন্ত্রণ করে যুবলীগ নেতা সাইফুল। এ ছাড়া একই এলাকায় হেরোইন স্পট নিয়ন্ত্রণে রয়েছে সাইফুলের সহোদর সুজন। সুজন হেরোইনসহ গ্রেফতার হয়ে বর্তমানে জেলে রয়েছে। ছোট ভাই জেলে থাকার কারণে সাইফুল ফেন্সিডিল ও গাঁজার স্পটটি নিয়ন্ত্রণ করছে।
মান্ডার দানেশ সাইফুলের মাদক স্পটের পাটর্নার হলেও তার পক্ষে সাইফুলের সঙ্গে মাদক ব্যবসা নিয়ন্ত্রণে রয়েছে লিটন। জোড়া হত্যাসহ ডজনখানেক মামলার আসামী থাকলেও যাত্রাবাড়ী থানার সঙ্গে বরাবরই রয়েছে সাইফুলের অর্থ লেনদেনের সম্পর্ক।
সাইফুল সিন্ডিকেটের অপর এক সদস্য এইচ বাবুর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে আরেকটি পাইকারী স্পট। যাত্রাবাড়ীর বাগিচার ত্রাস এইচ বাবু নিয়ন্ত্রণ করছে পার্শ্ববর্তী এলাকার ধলপুরের মাদক স্পটটি। এইচ বাবুর স্পটটির নিয়ন্ত্রক হলেও থানা পুলিশের সঙ্গে মাসিক লেনদেন করছে সাইফুল নিজেই। একই থানা এলাকার মীরহাজীরবাগে পাইকারী ও খুচরা স্পটটি নিয়ন্ত্রণ করছে দেলোয়ার। মূলত এই তিনটি পাইকারী স্পট থেকে আশপাশের ছোটছোট স্পটগুলোতে ফেন্সিডিল সরবরাহ হচ্ছে। ভ্রাম্যমান বা মোবাইল স্পটগুলোর মধ্যে রয়েছে সায়েদাবাদ জনপথ মোড়ের সালামের স্পট, গোলাপবাগের সহোদর আনিস ও নাহিদের স্পট, ধলপুর নারিকেল বাগান মসজিদের পাশে নয়নের স্পট, সায়েদাবাদের নুতন রাস্তার ভাঙ্গাড়ীর দোকানে অক্তারের স্পট, একই এলাকায় নানা মোহাম্মদ আলীর স্পট, সায়েদাবাদ পুলিশ ফাড়িঁর সঙ্গে অরুন বাবুর পাইকারী স্পট, সায়েদাবাদ এলাকায় নুরুল ইসলামের স্পট, মনিকনগর এলাকায় মনির ও মেতরপট্টিতে মামা জয়নালের স্পট, নামাপাড়ায় পাপ্পু, ধুপখোলায় মহিম ও মোর্শেদ, সায়েদাবাদ ব্রিজের সামনে ফাক্কা, একই এলাকায় সফি, গোপীবাগ মাজারওয়ালা বাড়ির সঙ্গে ছিদ্দিক, গোলাপবাগ পাম্পের পেছনের গলিতে টুকুন, গোপীবাগ আকবর অালী গামের্ন্টেসের পেছনে মিল্লাত, মানিকনগর এলাকায় গাঁজা সম্রাট আসলাম, টিটি পাড়া বাসস্ট্যান্ড সাজু ওরফে গাঁজা সাজু নামের স্পটগুলো কোনাপাড়া এলাকার গরুচোর হুমায়ুন নিয়ন্ত্রণ করছে। নিজস্ব বিক্রয়কর্মীদের মাধ্যমে ওই স্পট থেকে ফেন্সিডিল বিক্রি হচ্ছে।
মীরহাজীরবাগে রয়েছে আমির হোসেনের বাংলামদ স্পট। তার মৃত্যুর পর বর্তমানে তার স্ত্রী বাংলা মদের স্পটের নিয়ন্ত্রক। একই এলাকায় নাসিরের বউয়ের ফেন্সিডিল, কামরুলের স্ত্রী তাসলিমের ফেন্সিডিল, পানের দোকানদার আলীর স্ত্রী নাজমার ফেন্সিডিলের স্পট, কামরুলের স্ত্রী তাসলিমার ফেন্সিডিল, পানের দোকানদার আলীর স্ত্রী নাজমার ফেন্সিডিল, টার্মিনাল পুলিশ ফাড়িঁর পেছনে সিলেট কাউন্টার সংলগ্ন আলী হোসেনের গাঁজা ও বাংলামদ স্পট।
অভিজাত এলাকার জমজমাট মাদক ব্যবসা
রাজধানীর গুলশান, বনানী. ধানমন্ডি অভিজাত এলাকার ফ্ল্যাট ব্যবহার করে চলছে মাদক ও নারী ব্যবসা। এভাবে যারা ব্যবসা করছে তারা হলো গুলশান নিকেতনের মাসুদ, উত্তরার বাবু, নূপুর, সোনরগাঁওয়ের বাবুল, শাহনেওয়াজ, লিটন প্রমুখ। তিন মডেল কন্যাকে তারা টোপ হিসেবে এ কাজে ব্যবহার করে থাকে।
এ ছাড়া রাজধানীর হোটেল ব্যবসার সঙ্গে নারী ও মাদক ব্যবসা ওতোপ্রতভাবে জড়িত। বিভিন্ন সময়ে মাদক বিক্রির অভিযোগে যারা অভিযুক্ত হয়েছে তারা হলো, হোটেল বন্ধনের মালিক নাসির, আল বাবরের মালিক জয়নাল, নিউ রাজধানীর জাকির, সুইডেন কিবরিয়া, পল্টন প্যালেসের রিপন, আটলান্টিকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো: হাশেম, মগবাজারের রফিকুল ইসলাম খোকন, তোপখানা রোডের মেট্ররাজের মালিক রাজু। সায়েদাবাদের জামাই চান্দু, হোটেল গোল্ডেনের আব্দুর রশিদ, হোটেল লোটাসের মালিক নজরুল ইসলাম, হোটেল ইন্টারন্যাশনালের মালিক মিজান বিরুদ্ধেও মাদক বিক্রির অভিযোগ রয়েছে।
এ ব্যাপারে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা দি এডিটরকে জানান, পযার্প্ত জনবলের অভাবে তারা নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করতে পারছেন না। তাদের নির্ধারিত জনবল ১২৭৭ জন, অথচ বর্তমানে রয়েছে ৯৮২ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী। এরপরও তারা তাদের নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে যাচ্ছেন।
source : bangladeshtone.com
মাদক কে না বলি আর বিক্রেতাদের ধরে দেশ ছারা করি আসুন। পত্রিকার কিছু অংশ।
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
Tweet
২টি মন্তব্য ০টি উত্তর
আলোচিত ব্লগ
১০০০-তম পোস্টঃ কন্যা আপন সাজন সাজে রে
আমাকে ও রাহমিনকে এনিমেট করলে কেমন দেখাবে? এই আইডিয়া থেকেই গানটা রিমিক্স করে এনিমেটেড ভিডিও সং বানিয়ে ইউটিউবে ছেড়েছি। ছোটবেলায় মেঝ খালার বিয়েতে এই গানটা শুনেছিলাম। সবাইকে গানটি দেখা ও... ...বাকিটুকু পড়ুন
নাজিয়া সামান্তা, হিজাব এবং আমাদের সমাজের প্রাতিষ্ঠানিক ভণ্ডামি।

একজন তরুণী প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে ড্রাম বাজিয়ে দর্শক মাতাল। নেটিজেনরা বাহবা দিল। কিন্তু সমস্যাটা অন্য জায়গায়—মেয়েটি বোরকা-হিজাব পরা, সে ২০২৫ সালে হজ করেছে, পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে এবং নিজের... ...বাকিটুকু পড়ুন
শৃঙ্খল মুক্তি আমার
শৃঙ্খল মুক্তি আমার

ভেঙেছি সমাজের যত চেনা দায়,
চিন্তার প্রাচীর আজও ধুলোয় মেশায়।
ঈমানের নোঙর ছিঁড়েছি হেলায়,
ডুবেছি একাকী ; এক অচিন ভেলায়।
ভালোবাসা, মানবিকতার যত শত মায়াজাল,
ছিঁড়ে ফেলেছি আমি সব কটা পাল।
সহমর্মিতার পথ... ...বাকিটুকু পড়ুন
=একান্ত নিজস্ব জিনিসগুলো পর হয়ে যাচ্ছে=

যে চোখ দিয়ে দেখেছি ধরার আলো, সে চোখও দিচ্ছে ফাঁকি,
যে চোখের আলোয় দেখেছি পুকুর নদী, শুকনো উঠোন;
বৃষ্টি ভেজা দিন, দেখেছি ময়না শালিক, ঘুঘু ডাকা দুপুর
সে চোখ পর হয়ে যাচ্ছে অল্প... ...বাকিটুকু পড়ুন
রবিন খুদারা কেন বাংলাদেশে বিনিয়োগ করেন না ?

Robin Khuda ঢাকার ছেলে। স্কুল পড়েছেন এই দেশেই। তারপর অস্ট্রেলিয়া গেছেন, AirTrunk বানিয়েছেন, Blackstone তাকে ১৬ বিলিয়ন ডলারে কিনে নিয়েছে, আর এখন তিনি ভারতে ৩০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করছেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।