
আমি যখন অনেক ছোট ছিলাম তখন প্রতি বেলা খাওয়ার সময় কার্টুন চলতেই হত । নইলে খাওয়া দাওয়া স্টপ ! কার্টুন মানে হলিউডের কার্টুন, যেমন টম এন্ড জেরি । এসব কার্টুনকে অবশ্য হলিউডের দৃষ্টিতে কার্টুন বলে না, বলা হয় এনিমেটেড মুভি । মুভি হোক আর কার্টুন হোক, আমি ছিলাম এই জিনিসের পাঁড় ভক্ত ।
বয়স বাড়ার সাথে সাথে আমার পছন্দের জায়গাতে এনিমেটেড মুভির বদলে সাধারণ মুভি উঠে এসেছে । তবে মুভি মানে ঢাকা বা মুম্বাইয়ের মুভি নয়, অবশ্যই তা হলিউডের মুভি । হলিউডের মুভিগুলো সাধারণত আমেরিকার লস এঞ্জেলস শহরে তৈরি করা হয় । হলিউড মুভিতে লস এঞ্জেলস শহর দেখতে দেখতে আমি এই ‘লস এঞ্জেলস’ শহরের প্রেমে পড়ে গেলাম !
নাইস গাইস বা লা লা ল্যান্ড ছবিতে যখন লস এঞ্জেলস শহরের রাস্তার দৃশ্য দেখি তখন মনে হয় যেন আমি নিজেও লস এঞ্জেলসের বাসিন্দা ।
এখানে তো মাত্র দুটো ছবির নাম লিখেছি, এরকম যত ছবিতে লস এঞ্জেলস শহর দেখানো হয় তার সবগুলোই আমার প্রিয় ।

সবাই এই ব্লগে লন্ডন, প্যারিস, ইস্তাম্বুল ইত্যাদি শহরে বেড়ানোর অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন । কেন বাপু ? কেউ কি লস এঞ্জেলসে যাওনি ? কেউ লস এঞ্জেলস নিয়ে লেখো না প্লিজ । লস এঞ্জেলস গিয়ে নিজের তোলা কয়েকটি ছবি আপলোড করো । তাহলে বুঝব তুমি সত্যিকারের ভ্রমণপিয়াসু লোক ।
এখন আর লস এঞ্জেলস শহরকে সিনেমার পর্দাতে দেখে আমি সন্তুষ্ট হতে পারি না । আমার ইচ্ছে করে সশরীরে লস এঞ্জেলস শহরের পথে ঘুরে বেড়াতে ।
কেউ যদি আমাকে বিয়ের পর লস এঞ্জেলস শহরে সেটেল্ড করার প্রতিশ্রুতি দিতে পারে আমি তার বিয়ের প্রস্তাবে হান্ড্রেড পার্সেন্ট রাজি হয়ে যাবো । শুধুমাত্র লস এঞ্জেলস নেবার যোগ্যতা থাকলেই আমি রাজি, উনার জাতি, বর্ণ, জন্মস্থানের পরিচয়, পেশা- সব কিছু অত্যন্ত ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখা হবে ।
ফটো ক্রেডিটঃ গুগল (কি আর করব, নিজের হাতে তো লস এঞ্জেলস তুলতে পারিনি, তাই গুগল থেকে চুরি করে মেরে দিলাম !)


অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

