অনেক কিছু না জানার অপরাধে বেশ দ্বিধায় ভুগি।এমন কিছু বিষয় আছে যেটা প্রত্যক্ষ দৃষ্টিতে ভালো কিন্তু পরোক্ষভাবে মারাত্মক ক্ষতিকর আবার প্রত্যক্ষ দৃষ্টিতে খারাপ কিন্তু পরোক্ষভাবে উপকারী। যেমন ধরা যাক আমলকি,তিতার পরে মিঠা সাথে খাবার রুচিও বৃদ্ধি করে।এবার আসি আসল প্রসঙ্গে।
মহাখালী জনস্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের বিজ্ঞপ্তি নিয়ে।
সেখানে স্পষ্ট বলা হয়েছে "অফিস চলাকালীন পুরুষ টাখনুর উপরে এবং মহিলা হিজাব সহ টাখনুর নীচে পোষাক পড়বে।"
কোড করা হয়েছে মুসলিম ধর্মাবলম্বীদের।
এখন কথা হলোঃ
১/ পোশাকের ব্যাপারে তিনি সিদ্ধান্ত দিতে পারেন কিনা।
২/সেখানে কর্মরত মুসলিমদের ভেতর কারো আপত্তি আছে কিনা।
৩/আপত্তি থাকলে সেটা অফিস কিভাবে গ্রহন করেছে।
৪/ঐটা নিয়ে আমরা চেচামেচি কেনো করছি।

নিজস্ব মতামত
যারা মুসলিম তাদের জন্যই করা হয়েছে।আমি জানিনা উনি এই নির্দেশ জারি করতে পারেন কিনা।এক্ষেত্রে কারো আপত্তি থাকলে সে আপত্তি জানাতে পারে।কিন্তু আমাদের তো আপত্তি থাকার কথা না।আপনার অফিস যখন করবে তখন আপনি আপত্তি জানালে ঠিক ছিলো।অথবা এমন হতো যে ওখানকার কর্মচারীরা আপত্তি করছে কিন্তু অফিস শুনতেছে না সেক্ষেত্রে সবাই কথা বলার সুযোগ পেতো। কারো আপত্তিই আসলোনা সেক্ষেত্রে অন্তত এভাবে টিটকারি মূলক পোস্ট করার যৌক্তিকতা দেখিনা।
ভুমিকায় বলেছি প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ নিয়ে।
এটা বলা এজন্য যে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকাণ্ড নিয়ে ইতোমধ্যে অনেক বিস্ফোরণ হয়েছে।আমাদের দেশে প্রভাব-প্রতিপত্তি অর্জনের জন্য ধর্মকে ব্যবহার করা একটি সহজ এবং নৈমিত্তিক বিষয়।তো এই ইন্সটিটিউটের নির্দেশনাটি বাহ্যিক দিক থেকে ভালো দেখালেও ভেতরে যে অন্য কিছু নেই সেটা অস্বীকার করছিনা। যেমন দেখা গেলো যিনি নির্দেশনা জারি করলেন তিনি ইতোমধ্যে বহু নারী সহকর্মীকে যৌন হয়রানি করেছেন এটা হতে পারে এবং এরকমই হচ্ছে। তাই বলে একটা নির্দেশনা নিয়ে এভাবে হৈ চৈ করাটা কতটুকু যুক্তিসম্মত?

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


