শুভ চিহ্ন
বিগত সরকারের তাবড় তাবড় মন্ত্রী-এমপি, সচিব-মহাসচিব , সরকারী-বেসরকারী আমলা,সামরিক-বেসামরিক বাহিনীর উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা আর বড়বড় দলীয় নেতাকর্মীরা এক নির্বাচনে এমন একজন নেতার ভোট প্রচারণায় এসেছিলেন যিনি কিনা কোনদিনও নির্বাচিত হতে পারেননি। অথচ তিনি দলটির জন্মসাল থেকে কেন্দ্রীয় কমিটির ডাকসাইটে নেতা।
তার এলাকার লোকজন তাকে জানে একজন মূর্খ স্বার্থপর আর দুর্ব্যাবহারকারী হিসেবে; কেউ তাকে কোনদিন খুশি হয়ে ভোট দেয়নি, দীর্ঘ সময় ধরে সে লজ্জাকর ভাবে হেরে এসেছে।
এবারে কেন্দ্র থেকে সবাই কোমর বেঁধে নেমেছে, যেকোনভাবে হোক নেতাকে জিতিয়ে আনতে হবে, সে কারনে তারা নিয়ে এসেছে অসংখ্য প্রতিশ্রুতির ফুলঝুড়ি যাতে জনগন তুষ্ট হয়ে তাকে ভোট দেয়।
চল্লিশটি দামি গাড়ি অনেকের মতে শতাধিক গাড়িতে তারা জনসভা করতে এসেছিলো
কিন্তু তারা গিয়ে দেখলো, দশ হাজার লোকের জনসভায় মাত্র দশজন লোক বসে আছে,
বিশাল মঞ্চ খাঁখাঁ করছে, এলাকার গণ্যমান্যরাও কেউ আসেননি। সুবিশাল স্টেজের কোনায়
শুধু মাইকম্যানকে পাওয়া গেলো। চল্লিশটি কিংবা শতাধিক ভিআইপি গাড়ির লোকজন অপমানিত হয়ে মিটিং না করে ফিরে যাবার পথে দেখলো হাজার হাজার গ্রাম্য মহিলারা রাস্তার দু’পারে শাড়ি উঁচিয়ে তাদের দিকে যৌনাঙ্গ বের করে রেখেছে।
গাড়িগুলো লজ্জায় চোখের নিমেষে মহিলাদের পার হয়ে গেলো।
নির্বাচনে দলটি সংখ্যাগরিষ্ঠ হয়ে জিতেছিলো, এমনকি সেই নেতাও যাকে কোনদিন মানুষ ভোট দিতে চায়নি।
তারা ক্ষমতায় গিয়ে সমস্ত প্রতিশ্রুতি ভুলে গেলেও রাস্তার পাশে হাজার হাজার মহিলার উলঙ্গ নোংরা ভেজাইনাগুলো বিজয়ের শুভচিহ্ন হিসাবে মনে রেখেছিলো!

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


