অন্ধাকারে বুকটা হা-হা করে উঠে।
ধু-ধু মরুভূমিতে আঁচল ঝুলিয়ে ঘুরে বেড়ায়
মধ্য-বয়সী এলোকেশী এক বিদেহী প্রাণ।
বুক ছেনে ছেনে চৈত্রের উন্মাতাল হাওয়া
পুড়ে দিয়ে যায় রক্তচোষা দেহটাকে।
“আগুন” “আগুন” বলে সদ্য ভূমিষ্ঠ শিশুটির মতো।
সেও চিৎকার করে জানিয়ে দিতে চায়
“পৃথিবীতে আগুন লেগেছে,
সমূদ্র পুড়ে, চাঁদ পুড়ে,
আওশের ক্ষেত শরশর করে জ্বলে উঠে ঐ দেখো”।
কতো রাত আমি, সেই চিৎকার শুনেছি
অন্ধকার সেই রাতে যখন যুবকের নুনভরা বুক
ক্লান্ত-শ্রান্ত এলিয়ে পড়েছে তার প্রেয়সীর বুকে।
নিশাচর পাখিটির সাথে, মাঠ থেকে মাঠে; অরণ্যে;
দেখেছি এক হাজার এক রত্রির যতো ক্ষোভ,
যতো বিষাদ, যতো হাহাকার,
তাকে তাড়া করে নিয়ে যায় দুর থেকে বহু দুরে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



