somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

রুপকথার বিয়ে :)

০৭ ই মে, ২০১১ দুপুর ২:২৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

রাজপুত্রের সাথে সাধারণ ঘরের একটি মেয়ের বিয়ে প্রমাণ করে ভালোবাসা অমূল্য। সম্প্রতি ইতিহাসের একটি উল্লেখযোগ্য বিয়ে অনুষ্ঠিত হয় প্রিন্স উইলিয়ান ও ক্যাথরিন মিডলটন-এর। সেই বিয়ে নিয়ে সবারই কৌতূহল। আমাদের এবারের আয়োজনে উঠে এসেছে প্রজন্মের রূপকথার বিয়ের দুই পাত্রপাত্রীর কথা। লিখেছেন প্রাঞ্জল সেলিম


প্রিন্স উইলিয়াম

প্রিন্স উইলিয়াম, ডিউক অফ কেমব্রিজ কেজি এফআরএস (উইলিয়াম আর্থার ফিলিপ লুই; হলেন চার্লস, প্রিন্স অব ওয়েলস এবং ডায়ানা, প্রিন্সেস অফ ওয়েলসের জ্যেষ্ঠ পুত্র এবং রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ ও প্রিন্স ফিলিপ, ডিউক অফ এডিনবরার তৃতীয় জ্যেষ্ঠ পৌত্র। তিনি কমনওয়েলথ রাজ্য নামে পরিচিত ষোলোটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্রের (যুক্তরাজ্য, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, জামাইকা, বারবাডোস, বাহামা, গ্রেনাডা, পাপুয়া নিউ গিনি, সলোমন দ্বীপপুঞ্জ, টুভালু, সেন্ট লুসিয়া, সেন্ট ভিনসেন্ট অ্যান্ড দ্য গ্রেনাডাইন, বেলিজ, অ্যান্টিগুয়া, বার্বুডা, সেন্ট কিটস ও নেভিস) সিংহাসনের উত্তরাধিকারীর সারিতে তার স্থান তার পিতার ঠিক পরেই। সুপ্রিম গভর্নর অফ দ্য চার্চ অফ ইংল্যান্ড পদের দাবিদার হিসেবেও তার স্থান তার পিতার ঠিক পরেই।

শৈশবকাল :১৯৮২ সালের ২১ জুন লন্ডনের সেন্ট মেরি’জ হসপিটালে প্রিন্স উইলিয়ামের জন্ম হয়। ১৯৮২ সালের ৪ অগস্ট, তাঁর প্রপিতামহী কুইন এলিজাবেথ দ্য কুইন মাদারের ৮২তম জন্মদিনে, বাকিংহাম প্যালেসের মিউজিক রুমে তদানীন্তন আর্চবিশপ অফ ক্যান্টারবেরি রবার্ট রুনসি কর্তৃক তাঁর ব্যাপটিজম সম্পন্ন হয়। উইলিয়ামের ধর্মপিতামাতারা হলেন প্রাক্তন রাজা গ্রিসের দ্বিতীয় কনস্ট্যানটাইন (পৈত্রিক সূত্রে জ্ঞাতিভ্রাতা), প্রিন্সেস আলেকজান্ড্রা, দ্য অনারেবল লেডি অগলিভি (পৈত্রিক সূত্রে জ্ঞাতিভগিনী); ডাচেস অব ওয়েস্টমিনস্টার; লেডি সুজান হাসি; লর্ড রমসে (পৈত্রিক সূত্রে জ্ঞাতিভ্রাতা); এবং স্যার লরেন্স ভ্যান ডার পোস্ট।

রয়্যাল ডিউটি :প্রিন্স তার শৈশবকাল থেকেই তার পরিবারের কাছে আসতেন দেখা করতে। ১৯৮৩ সালে তিনি প্রথম অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডে পারিবারিকভাবে রয়েল ট্যুরে অংশ নেন। তার অল্প বয়সের অভিজ্ঞতা, তিনি ল্যান্ড ম্যানেজমেন্ট-এ কাজ করেছিলেন।

পড়াশোনা ও ক্যারিয়ার :তিনি যুক্তরাজ্যের মোট চারটি স্কুলে লেখাপড়া করেছেন। স্কুলের গন্ডি পেরিয়ে ইউনিভার্সিটি অব সেন্ট অ্যান্ড্রিউজ থেকে একটি ডিগ্রি গ্রহণ করেছেন। এর মাঝের একটি বছর তিনি চিলি, বেলিজ ও আফ্রিকার দেশগুলোতে অতিবাহিত করেন। তিনি তার কনিষ্ঠ ভ্রাতা প্রিন্স হ্যারি অব ওয়েলসের সঙ্গে হাউসহোল্ড ক্যাভালরির ব্লুজ অ্যান্ড রয়্যালস রেজিমেন্টে কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ একজন লেফট্যানেন্ট রূপে কমিশনড হন। দুই বছর বাদে তিনি রয়্যাল এয়ারফোর্স কলেজ ক্যানওয়েলে পাইলট হিসেবে প্রশিক্ষণান্তে তার উইংস অর্জন করেন। ২০০৯ সালে প্রিন্স উইলিয়াম সার্চ অ্যান্ড রেসকিউ ফোর্সের পূর্ণসময়ের পাইলট হন। এর প্রায় ১ বছর পরে, ২০১০ সালের শুরুতে তিনি জেনারেল ও স্পেশাল-টু-টাইপ হেলিকপ্টার ট্রেনিং শেষ করেন। বর্তমানে তিনি আরএএফ ভ্যালিতে সি কিং সার্চ অ্যান্ড রেসকিউ হেলিকপ্টারের ২২ নং স্কোয়াড্রনের সহ-পাইলট। চলতি বছর, অর্থাত্, ২০১১ সালের ২৯ এপ্রিল ওয়েস্টমিনস্টার অ্যাবিতে প্রিন্স উইলিয়াম তার দীর্ঘসময়ের বান্ধবী ক্যাথরিন (কেট) মিডলটনকে বিবাহ করেন। বিবাহের কয়েক ঘণ্টা পূর্বে প্রিন্স উইলিয়ামকে ডিউক অফ কেমব্রিজ, আর্ল অব স্ট্যাদার্ন ও ব্যারন ক্যারিকফার্গাস ঘোষণা করা হয়।

মিলিটারি ক্যারিয়ার :প্রিন্স সিদ্ধান্ত নেন মিলিটারিতে যোগদান করবেন। সেই চিন্তা থেকে তিনি ২০০৫ সালের অক্টোবরে রেগুলার কমিশনস বোর্ড-এ যোগদেন। ধীরে ধীরে তিনি পরিনত হন একজন আর্মি অফিসারে। ২০০৬ সালের জানুয়ারি মাসে রয়েল মিলিটারি একাডেমিতে আসেন। এবং সফলতার সাথে তিনি কোর্স কমপ্লিট করেন। সেখান থেকে তিনি এয়ারফোর্স-এ নাম লেখান এবং পরবর্তীতে তিনি একজন সফল পাইলট হিসেবে পরিচিতি অর্জন করেন।

তার ব্যক্তিগত আগ্রহের জায়গাগুলো :তার পিতা-মাতার অনুকরণে ছোটকাল থেকেই প্রিন্স উইলিয়ামের বিভিন্ন বিষয়ের প্রতি আগ্রহ প্রকাশ পায়। তিনি ছোট বয়স থেকেই এইডস-এর বিরুদ্ধে ক্যাম্পেইঙগুলোতে যোগদান করেন। এ ছাড়াও তিনি আফ্রিকাতে তার ভাইয়ের সাথে চ্যারিটিতে যোগ দিতেও আগ্রহী ছিলেন। ২০০৯ সালের ২৩ জানুয়ারি প্রকাশ পায়, প্রিন্স উইলিয়ামের প্রথমবারের মতো লেখা একটি বই, ‘হোম ফ্রম ওয়ার’। বইটিকে একটি অটোবায়োগ্রাফি বলা যায়। বইটিতে একজন সোলজারের কথা বলা হয়েছে, তিনি তালেবান অ্যামবুশের শিকার হয়েছিলেন। বইটিতে সেই ঘটনারই বর্ণনা দেওয়া হয়েছে।

স্পোর্টস :উইলিয়াম পোলো খেলাটি খুব পছন্দ করেন, সেই সাথে ফুটবলের অনেক বড় ফ্যান। অ্যাস্টন ভিলা এফসি সাপোর্ট করেন। ২০০৬ সালে তাকে ইংল্যান্ড ফুটবল অ্যাসোসিয়েশান-এর প্রেসিডেন্ট করা হয়। এর ঠিক পরের বছর তাকে ওয়েলস রাগবি ইউনিয়ন-এর ভাইস প্রেসিডেন্ট করা হয়েছিল। এরপর ২০০৭-এর মে মাসে প্রিন্স উইলিয়াম ইংলিশ সুইমিং অ্যাসোসিয়েশানের মেম্বার হন। তিনি ও তার ছোট ভাইয়ের মোটর সাইকেলের প্রতি বেশ ভালো আকর্ষণ রয়েছে। প্রায়শই তাদের এস কোর্স সিরিজের ডুকাটি ১১৯৮-নিয়ে ঘোরাফেরা করতে দেখা যায়।

ক্যাথরিনের সাথে পরিচয় পর্ব :প্রিন্স হওয়া সত্ত্বেও তিনি অন্যসব ছাত্রদের মতোই তার ইউনিভার্সিটি জীবন পার করেছেন। তিনি এই বিষয়ে নিজের সম্পর্কে মন্তব্য করেন, ‘আমি কোনো পার্টি এনিমেল নই, যদিও মাঝে মাঝে ড্রিংক করি’। ইউনিভার্সিটি থাকার সময়ই তার সাথে পরিচয় ঘটে ক্যাথরিন মিডলটাউনের। ২০০৩ সালের ঘটনা। কেট তার এক অনুষ্ঠানে দাওয়াত করেছিলেন প্রিন্সকে, সেখান থেকে শুরু, তাদের সম্পর্কটি সময়ের সাথে আরো গভীর হতে থাকে। এবং সকলের সামনে তাদের এ সম্পর্কটি একটি বুকমার্ক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়। সেই সাথে সাথে মিডিয়ার দৃষ্টিও তাদের দিকে চলে আসে। মাঝে একবার ডেইলি মিরর-এর নামে কমপ্লেন করা হয়েছিল, কেট-এর তরফ থেকে। কিন্তু তাদের মেলামেশা পরবর্তীতে সকলেরই নজরে আসে। উইলিয়ামের পারিবারিক অনুষ্ঠান, ডায়ানার নামে আয়োজিত কনসার্টেও দেখা যেত দুজনকে একত্রে।

অতঃপর বিয়ে :২০১০ সালের ১৬ নভেম্বর উইলিয়াম তার বিয়ের খবর প্রকাশ্যে ঘোষণা দেন। পাত্রী হিসেবে পছন্দ করেছেন তার প্রেমিকা ক্যাথরিন মিডলটনকে। শেষ হয় তাদের বাগদান অনুষ্ঠান। এরপর ২০১১ সালের ১৯ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হয় তাদের বিয়ের অনুষ্ঠান। এ অনুষ্ঠানের ঠিক এক ঘণ্টা আগে তাকে ডিউক অব ক্যামব্রিজ, আর্ল অব স্টাদার্ন ও বেরন ক্যারিকফার্গাস উপাধিতে ভূষিত করা হয়।

ক্যাথরিন



পুরো নাম, ক্যাথেরিন এলিজাবেথ মিডলটন, তবে বেশি পরিচিত ‘কেট’ নামে। বর্তমানে ডিউক অব কেমব্রিজ, অর্থাত্, প্রিন্স উইলিয়ামের স্ত্রী হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন। ১৯৮২ সালের ৯ জানুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন এই রানি। ক্যাথরিন বাকলবেরি শহরে জন্ম নেন এবং সেখানেই তার বেড়ে ওঠা। এটি ইংল্যান্ডের বার্কশায়ার গ্রাম, নিউবেড়ি গ্রামের কাছেই। তবে তার পড়াশোনা হয়েছে স্কটল্যান্ডে। সেখানকার অ্যান্ড্রুস ইউনিভার্সিটিতে পড়েছিলেন তিনি। এবং সেখানেই পরিচয় হয় তার স্বপ্নের রাহকুমার প্রিন্স উইলিয়ামের সাথে। পরিচয়ের বছরটি ছিলো ২০০১ সাল। সেই পরিচয় পর্ব থেকে তাদের প্রণয়ের শুরু। শেষ হয় ২০০৭ সালে তাদের বিচ্ছেদের মাধ্যমে। তবে তারা তাদের মধ্যকার বন্ধুত্ব বজায় রেখেছিলেন ঠিকই। এবং পরবর্তীতে তাদের সম্পর্ক আবার নতুন গতিতে শুরু হয়। এবং সেই সম্পর্ক পূর্ণতা পায় তাদের বিয়ের মাধ্যমে। ক্যাথেরিন তাদের এই বিয়ের মাধ্যমে অসংখ্য হাই-প্রোফাইলের রয়েল ইভেন্টে যাওয়ার সুযোগ পান। তিনি সব মহলে সমাদৃত হন তার ফ্যাশান বিষয়ক জ্ঞানের মাধ্যমে। এবং তার ডিজাইন করা পোশাক ‘বেস্ট ড্রেস’-এর তালিকায় আসে। এ ছাড়া কেট ও উইলিয়ামের মধ্যকার সম্পর্কের কথা জনসম্মুখ্যে প্রকাশ পেলে মিডিয়ার নজরও কেড়ে নেন তিনি। তবে, তখনও তারা বিয়ের কথা সেভাবে চিন্তা করেননি। তাদের এনগেজমেন্টের খবর ঘোষণা দেওয়া হয় ২০১০ সালের ১৬ নভেম্বর।

শুরুর জীবন ও ক্যাথরিনের পরিবার :১৯৮২ সাল, ৯ জানুয়ারি রয়েল বার্কশায়ার হসপিটালে জন্ম নেন এই সুন্দরী প্রিন্সেস। ঠিক ওই বছরই জন্ম হয় প্রিন্স উইলিয়ামের। ক্যারোল এলিজাবেথ মিডলটন, তার মা। তিনি পেশায় একজন ফ্লাইট অ্যাটেন্ডেন্ট ছিলেন। তার তিন ছেলেমেয়ের মধ্যে কেট সবার বড়। বর্তমানে তারা সেই প্রাইভেট কোম্পানির মালিক। ক্যাথরিনের বাবা, মাইকেল ফ্রান্সিস মিডলটন সেই প্রাইভেট কোম্পানিতেই কাজ করতেন। তিনিও একজন ফ্লাইট অ্যাটেন্ডেন্ট ছিলেন ব্রিটিশ এয়ারওয়েজের। তার নামেও কোম্পানিটির মালিকানা রয়েছে। ক্যাথরিনের বাবা-মার বিয়ে হয় ১৯৮০ সালের ২১ জুন। ক্যাথরিনের একটি বোন আছে, ফিলিপ্পা ক্যাথরিন, অনেকে তাকে ‘পিপ্পা’ নামে জানে। ক্যাথরিনের জন্মের প্রায় এক বছর পরে জন্ম হয় ফিলিপ্পা ক্যাথরিনের। ক্যাথরিনের নানি, অলিভিয়া ছিলেন লুপটন ফ্যামিলির সদস্য। যারা ৫ বছর ধরে কমারশিয়ালি মিনসিপাল কাজের সাথে জড়িত। তাদের আরেকজন আত্মীয়, থমাস ডেভিস, চার্চ অব ইংল্যান্ড নামে একটি বই লিখেছেন। সব মিলিয়ে তাদের পরিবার খুব উচ্চবিত্ত না হলেও একবারে নগণ্য নয়। বরং অনেকাংশে তারা বেশ শিক্ষিতই বলা চলে। ক্যাথরিনের পরিবার ব্রিটিশ এয়ারওয়েজের হয়ে প্রায় ২ বছর টানা কাজ করে যান। সেসময় ক্যাথরিন লন্ডনের একটি স্কুলে পড়ত। তারা যখন দেশে ফিরে আসে, ক্যাথরিন ততদিনে ইউনিভার্সিটিতে পড়া শুরু করেছে। একটি কো-এডুকেশনাল বোর্ডিং স্কুলে তিনি পড়েছিলেন। তিনি ‘হিসট্রি অব আর্টস’ নিয়ে পড়াশোনা করেছেন।

ক্যাথরিনের ক্যারিয়ারের কথা : ২০০৬ সালের নভেম্বর মাস, ক্যাথরিন প্রথম ব্যবসা জগতে প্রবেশ করেন। তিনি কাপড়ের বায়ার হিসেবে ব্যবসা শুরু করেন। এই চেইনটিকে বলা হয়, ‘ক্লথিং চেইন জিগ সও’। দেখতে দেখতে এই পেশায় প্রায় দুই বছরের মতো কাটান তিনি। এরপর তিনি প্লান করেন প্রফেশনাল ফটোগ্রাফার হওয়ার। সেই চিন্তানুযায়ী তিনি মারিও টেস্টিনোর কাছে শেখাও শুরু করেন। তিনি ডায়ানার ফটোগ্রাফার ছিলেন একসময়।

পাবলিক ইমেজ :ক্যাথেরিনের ফ্যাশন সকলের কাছে সমাদৃত হওয়ায় তার ডিজাইন বেস্ট ড্রেস এর তালিকায় আসে এবং ডেইলি টেলিগ্রাফের ‘মোস্ট প্রমিজিং নিউকামার ২০০৬’-এর স্টাইল উইনারের লিস্ট-এ ৬ নাম্বারে ছিলেন। এরপর ২০০৭ সালের স্টাইল আইকনের তালিকায় বেস্ট ১০ জনের ভেতরে তার স্থান ছিল ৮ নম্বরে। তিনি পিপল ম্যাগাজিনের ফিটারেও এসেছিলেন কয়েকবার। সেইসাথে ২০১০ সালেরও বেস্ট ডিজাইনিংয়ের তালিকায় ছিলেন। ২০০৮ সালের জুন মাসের দিকে স্টাইল ডট কম নামের একটি সাইট ক্যথরিনকে স্টাইল আইকন হিসেবে সিলেক্ট করেন। তারা তাকে মোস্টালি বিউটি আইকনের খেতাব দেন। এরপর তিনি ভ্যানিটি ব্যাগ ডিজাইনার হিসেবে নাম লেখান এবং ব্যবসার এই খেত্রটিতেও সফল তিনি। ২০১০ সালে ক্যথরিনের নাম আসে টপ ফ্যাশন বাজওয়ার্ল্ড-এর তালিকায়। এটি একটি গ্লোবাল ল্যানগুয়েজ মনিটরিং কোম্পানি।

প্রিন্স উইলিয়ামের সাথে সাক্ষাত :ক্যাথরিনের বয়ফ্রেন্ড ভাগ্য এতই ভালো যে, সেই সুবাদে তিনি সমস্ত মিডিয়ার নজরে এসেছিলেন। তার কাজের ক্ষেত্রে এই খ্যাতিটুকুও বেশ কাজে লেগেছিল। ২০০৫ সালের অক্টোবর মাসে, তিনি ও তার পরিবার মিডিয়ার হয়রানির বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলেন। এর ঠিক এক বছর পরেই ক্যাথরিন ও প্রিন্স ঘোষণা দেন তাদের সম্পর্কের এবং সেইসাথে তাদের বিয়ের কথা। এই ঘোষণাতে জানানো হয়, প্রিন্স উইলিয়াম তার প্রেমিকা ক্যাথরিনের সাথে বাগদান সম্পন্ন করতে যাচ্ছেন। এই খবর প্রচারিত হওয়ার পর ক্যাথরিনের প্রতি সকলের আগ্রহ আরো বেড়ে যায়।

দ্য ব্রেকআপ :২০০৭ সাল, ১৪ এপ্রিল, দ্য সান পত্রিকাটি একটি নিউজ বুলেটিন প্রচার করে, ‘ওয়ার্ড এক্সক্লুসিভ’। প্রিন্স উইলিয়াম ও ক্যাথরিনের বিচ্ছেদের ঘটনা অন্যান্য মিডিয়া এমনকি বিবিসিতেও প্রচার করা হয়। সেই সময়ে ক্যাথরিন একটি মন্তব্যই করেছিলেন, ‘প্রিন্সের ব্যক্তিগত ব্যাপারে আমার বলার কিছু নেই’। তবে তাদের ভেতরকার এই বিরহ বেশিদিন স্থায়ী ছিল না। তারা আবার জড়িয়ে পড়েন। এবং এবার একবারে শক্ত বন্ধনে। দীর্ঘ ১০ বছর প্রেমের পরিণতিতে, বিয়ে করলেন তারা, গত ২৯ এপ্রিল ২০১১।

রয়্যাল ডিউটি : ২৪ ফেব্রুয়ারি ক্যাথিরিনের সাথে সকলের ফর্মাল পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়। বিয়ের ঠিক দুমাস আগে তারা বিভিন্ন হাই-প্রোফাইলের অনুষ্ঠানে অংশ নেন। এবং সেই মাসের ১৬ তারিখেই তাকে ডাচেজ ঘোষণা দেওয়া হয়।
সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই মে, ২০১১ দুপুর ২:২৭
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

'ট্রিট' বা 'উদযাপন' মানে স্রেফ খাওয়া-দাওয়াই মূখ্য কেন??

লিখেছেন শেহজাদ আমান, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৪:৩৭



আমাদের উদযাপনটা হয়ে গেছে অনেকটা খাওয়া-দাওয়া কেন্দ্রিক? 'ট্রিট' বা 'সেলিব্রেশন' বলতে আমরা কেবল খাওয়া-দাওয়াকেই বুঝি...কিন্তু এটা কিন্তু ভিন্নরকমভাবেও করা যায় নিঃসন্দেহে!

প্রিয় কেউ ভালো কোনোকিছু করলে, সফলতা পেলে বা... ...বাকিটুকু পড়ুন

মাওলার দায়িত্ব পেয়ে সেই দায়িত্ব পালন না করায় হযরত আলীকে (রা.) মাওলা বলা ঠিক না

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৮



সূরাঃ ৬ আনআম, ১৫৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
১৫৩। আর এপথই আমার সিরাতিম মুসতাকিম (সরল পথ)। সুতরাং তোমরা এর অনুসরন করবে, এবং বিভিন্ন পথ অনুসরন করবে না, করলে তা’ তোমাদেরকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের নিজেদের না পাওয়া গুলো অন্যদের পেতে সাহায্য করা উচিত।

লিখেছেন নূর আলম হিরণ, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ৯:৪২


আমরা মানুষেরা সবসময় ভালো থাকতে চাই। ভালো খেতে চাই, ভালো পড়তে চাই, ভালো চাকুরী/ব্যবসা করতে চাই। কিন্তু বেশিরভাগ সময়ই আমাদের চাওয়ার সাথে পাওয়ার মিল থাকেনা। এই চাওয়ার সাথে পাওয়ার মিল... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধান ভানতে শীবের গীত : প্রজা বলে শীত ! শীত!!

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১১:২২

ধান ভানতে শীবের গীত : প্রজা বলে শীত ! শীত!!


সমুদ্রে বড় জাহাজ যখন ডুবতে থাকে, তখন কে ধনী বা কে গরীব প্রকৃতি তার বাছ-বিচার করেনা ।
বা বলা চলে, কে পাপী... ...বাকিটুকু পড়ুন

এতো সুর আর এতো গান - আমার কণ্ঠে

লিখেছেন সাড়ে চুয়াত্তর, ০১ লা এপ্রিল, ২০২৬ রাত ২:০০

একটা হারানো দিনের গান গাওয়ার চেষ্টা করেছি (Cover Song)। আশা করি সবাই উপভোগ করবেন।

গান - এতো সুর আর এতো গান
মূল গায়ক - সুবীর সেন
গীতিকার এবং সুরকার - সুধিন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×