রাইয়ান ১৯৯৫ সালে ডিজাইনিং ও অ্যানিমেশন ফিল্ডে খুব অল্প বয়সেই ব্যাপক অবদান রেখেছিলেন। খুব ভালো কাজ দেখিয়েছিলেন তিনি। রাইয়ান, অ্যানিমেশন ও ডিজাইনিং দিয়েই তার ক্যারিয়ারের শুরু করেন। বেশকিছু বিখ্যাত কোম্পানির হয়ে অ্যানিমেশনের কাজ করেছেন তিনি। সেসব কোম্পানির মধ্যে রয়েছে—সনি পিকচারস, কার্টুন নেটওয়ার্ক, ওয়ার্ল্ট ডিজনি স্টুডিও, মার্ভেল ও ড্রিমওয়ার্কস পিকচার।
রাইয়ান তার ক্যারিয়ার শুধুমাত্র এসব অ্যানিমেশন ফার্মগুলোর সাথে না জড়িয়ে বেশকিছু সিনেমার কাজও করেন। ‘স্পেস জ্যাম’, ‘দ্য আইরন জায়েন্ট’, ‘ওসমোসিস জোনস’, ‘স্পাইডারম্যান-২’, ‘স্পাইডারম্যান-৩’, ‘আয়রনম্যান-২’ এবং আপকামিং সিনেমা ‘কাউবয় অ্যান্ড এলিয়্যান্স’-এর মতো বড় বাজেটের ছবিগুলোর অ্যানিমেশনের কাজ করেন তিনি।
তার এই ডিজাইনার ও অ্যানিমেটর পরিচয়ের বাইরে আরও একটি পরিচয় আছে। তিনি ‘দ্য লোচ’, ‘দ্য টারটল অ্যান্ড দ্য শার্ক’ ও ‘এলিয়্যান্স’ নামের তিনটি স্বল্প দৈর্ঘ্যের ছবি পরিচালনা করেছিলেন। এই তিনটি সিনেমা ‘ফর্টি ফিল্ম ফ্যাসটিভ্যাল’-এ প্রদর্শন করা হয়। ২০০৯ সালে রাইয়ান পলিনেসিয়ান কালচার ইন হাউয়াই-এর প্রায় ৯টির মতো অ্যানিমেশান সিক্যুয়েন্স তৈরি করেন।
রাইয়ান ‘ব্রিগহাম ইয়ং ইউনিভার্সিটি’ থেকে আর্ট ও গ্রাফিক্স-এর উপর পড়াশোনা করেন ও ডিগ্রি নেন। সেখানে তিনি স্টোরিবোর্ড রাইটিংয়ের সাথেও জড়িত ছিলেন। ভিজ্যুয়াল ড্রইং, অ্যানিমেশন ও স্কেচ তার প্রিয় কাজ। ব্রিগহাম ইয়ং ইউনিভার্সিটি থেকে তিনি বিএফএ কমপ্লিট করেন এবং এমএফএ করেন সান ফ্রান্সিসকোর আর্ট একাডেমি থেকে। রায়ান তার প্রফেশনের বাইরে খুব মজার একজন মানুষ। মাউন্টেন্ট বাইক রাইডিং তার খুব পছন্দের একটি খেলা। এ ছাড়াও কাজের বাইরে তিনি তার স্ত্রী—টিফেনি ও তার তিন সন্তানের সাথে সময় কাটাতে খুব পছন্দ করেন।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


