ছোট্ট ছেলে..প্রাঞ্জল..
সেতো ভীষন চঞ্চল,
দেখতে ভারি মিষ্টি..
খোদার সেরা সৃষ্টি;
সকাল হলেও ঘুমিয়ে থাকে,
বিকালে যায় খেলতে...
খাবার বেলায় আলসেমি তার
সেকি আর বলতে!
দুষ্টুমিতে ভরা দুচোখ,
এদিক ওদিক ঘুড়ছে...
মিষ্টি কথার ফুলঝুড়িতে
সবার হৃদয় জয় করছে;
দুষ্টু হলেও বাধ্য ছেলে,
বাবার বড় শিষ্য..
বাবার কথায় ওঠে বসে,
সে এক মজার দৃশ্য...;
খুব ছোট বেলায় এভাবে রাতের বেলা ঘুম পাড়াত বাবা...এটা তারই লেখা! আজও আমার স্মৃতিতে মিশে আছে। মাঝে মাঝেই লাইনগুলো মনে পরে। অশ্রুভেজা চোখে বাবাকে খুঁজে বেড়াই। জানি পাব না, মন খারাপের মাত্র বেড়ে গেলে একটা ফোন করি..জানতে চাই, কোথায় তুমি! জবাব শুনেই রেখে দেই। কারণ, সে পছন্দ করে না যে আমি তাকে ফোন করি।
কখনও জেদের বশে ফোন করি...মজার ব্যপার হলো, আমার প্রয়োজনের কথাগুলো তাকে কখনও বলতে পারিনি। হয়তো সম্পর্কের দূরত্বের কারনে!
বাবা মারা গেলে বলতে পারতাম, বাবা নেই!! কিন্তু এখন! এখন কি বলে শান্তনা দেব নিজেকে? বাবা হারিয়ে গেছে আমার জীবন থেকে?
অফিসে বাবা দিবস নিয়ে ফিচার লিখা হচ্ছিলো, আমি নিজেও লিখেছি...বার বার মনে হচ্ছিলো বাবার কথা। লাঞ্চ ব্রেকে ফোনও দিয়ে ফেল্লাম..সেই একই সুর..খুব বলতে ইচ্ছে করছিলো, মিস্ করছি তোমাকে,...কিন্তু বলতে পারিনি...কিছু না বলেই কেটে দিলাম...তারপর কি যেন একটা আশায় ফোনের দিকে তাকিয়ে ছিলাম...কিন্তু অজানা আশাটা পূরণ হয়নি! বাবা ফোন ব্যাক করেনি।
১৯ জুন বাবা দিবস! বাবাকে জানাই শুভেচ্ছা।সেই সাথে একটা প্রশ্ন, ভাল আছো কি, ছেলের প্রতি দ্বায়িত্ব-গুলো পালন না করে, ছেলেকে না দেখে?
- .........

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


