বাংলায় একটা প্রবাদ আছে যে,
“আপনার 100 বন্ধু হওয়ার মধ্যে কোন আশ্চর্য নেই, বরং আশ্চর্যের বিষয় হল সেটা-e , যখন দুনিয়ার সবাই আপনার বিরুদ্ধে থাকে আর একজন বন্ধু- e আপনাকে নির্দ্বিধায় সমর্থন দেয়”......
আর বর্তমানে মানুষ এই 100 বন্ধুর পিছনেই অলটাইম দৌড়ায়, যারা আপনার সাথে মজা করে, মজা নেয়, আড্ডা দেয়, ফুর্তি করে, মোজ-মাস্তিতে থাকে,
আর আপনি যখন- e বিপদে পড়েন তখন সে আশপাশ চিন্তা না করে আপনাকে লাথথি মেরে চলে যায়,
আবার আপনি যখন- e বিপদ মুক্ত হন তখন-ই তার আবির্ভাব ঘটে এক রকম মহাপ্রলয়ের মত...সাথে হিমালয় আকৃতির কিছু কারন... যা আপনাকে এই কথা বুঝাতে সমর্থ হয় যে তার এই বিপদ না থাকলে সে মাস্ট-অবশ্যই(!) আপনার ক্রান্তিকালে আপনার পাশে থাকতো......
আর মানুষ এতটাই চালাক(!) যে, সে পুনঃরায় তাকেই আবার বেস্টফ্রেন্ড হিসেবে গ্রহণ করে একেবারেই নির্দ্বিধায়...তখন তার এই জিনিস টা মনে থাকে না যে, আমি কিন্ত দ্বিতীয় বার আবার বেল তলায় যাচ্ছি...
তবে এই বিপদের মুহুর্তে আপনার এমন কিছু অপরিচিত মুখের সাথে পরিচয় হবে যাদেরকে/যাকে আপনি কখনও চিনতেন না, বা চেনার কল্পনাও কখনো করেন নি...এরাই আপনাকে আপনার বেস্টফ্রেন্ডের মত সমর্থন দিবে, আপনার মানুসিক বিপর্যস্ত অবস্থায় আপনার পাশে এসে দাঁড়াবে......
হোক সেটা আপনার প্রতি তার ভাললাগা বা ভালবাসার কারনে বা আপনাকে দেখে তার খারাপ লাগার কারনে......
তবে আপনার জন্য একটি দুঃসংবাদ এই যে, আপনি কখনো এই লোকদের ঠিকভাবে মনে রাখবেন না, বা কেয়ার করবেন না...
আর হ্যা, তবে একথা অনস্বীকার্য যে আপনি নিঃসন্দেহে একজন ভাগ্যবান/ভাগ্যবতী কারন আপনার অনেক অবহেলা সত্ত্বেও সে আপনার পাশে থেকেছে, আপনাকে ভেঙ্গে না পরার জন্য দৃঢ় ভাবে সমর্থন দিয়ে গেছে...
সেটা হোক ফোনে-মেসেজে বা অন্য কোন উপায়ে...
আর এই ধরনের লোকদের উপর আপনারও কিছু দায়িত্ব রয়েছে, যদি তারা আপনার উপর কোন কারনে রাগ-অভিমান হয় then আপনার উচিত হবে তার সাথে ভাল আচরণ করা, তার রাগ-অভিমান ভাঙ্গানোর চেষ্টা করা......
Bcz ইউ হ্যাব টু বোঝা দরকার,
যার প্রতি ভালবাসা বেশি, সাধারণত তার প্রতি অভিমান টা একটু বেশি-e হয়......

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



