somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

বর্তমান তরুণ তরুণীর উপর সোশাল নেটওয়ার্কসের প্রভাব।

২৭ শে নভেম্বর, ২০১৬ দুপুর ২:১২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :




আজ যে বিষয়টা আপনাদের সাথে শেয়ার করতে চাই তা হলো বর্তমান তরুণ তরুণীর
উপর সোশাল নেটওয়ার্কসের প্রভাব। তার আগে জানতে হবে সোশাল নেটওয়ার্কস সম্পর্কে আমরা কি জানি।

সোশাল নেটওয়ার্কস কি?
সোশাল নেটওয়ার্কস কেন?
সোশাল নেটওয়ার্কসের ব্যবহার কি বা ব্যবহারের উপকার ও অপকার কি?
তবে আজ আমরা সোশাল নেটওয়ার্কসের উপকার নিয়ে আলোচনা করবো না, অপকারের একটি দিক নিয়ে আলোচনা করবো। তা হলো বর্তমান তরুণ তরুণীর উপর সোশাল নেটওয়ার্কসের প্রভাব।

বর্তমান তরুণ তরুণীর উপর সোশাল নেটওয়ার্কসের প্রভাবটা কেমন পড়ছে তাতে পরে আসি।
আগে খুব অল্পতে জেনে নেই সোশাল নেটওয়ার্কস কি?

সোশাল নেটওয়ার্কস বলতে আমরা সাধারণত যা বুজি তা হলো সামাজিক যোগাযোগ বা সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম অথবা সামাজিক যোগাযোগব্যবস্থা যাই বলি না কেন। সোশাল নেটওয়ার্কস যা আছে তা হলো : Facebook.com, Whatsapps, Viber, E.Mail, Imo, Tengo, Line etc.মোট কথা হলো Internet চালিত।

সোশাল নেটওয়ার্কস কেন, তা হলো দ্বিতীয় প্রশ্র।

সময় সভ্যতাকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে, যেখানে মানুষ সময়ের তুলনায় বেশি কাজ করতে চায়, আর যোগাযোগ হলো যেকোনো কাজের প্রথম মাধ্যম। বর্তমান সোশাল নেটওয়ার্কস খুব সহজে যেকোনো মানুষের হাতে পৌঁছে যায়। এবং খুব বেশি অল্প খরচে যোগাযোগ করা সম্ভব, সময় ও প্রযুক্তি তা সম্ভব করে দিয়েছে।

বর্তমান তরুণ তরুণীরা সোশাল নেটওয়ার্কসের আওতাধীন কিভাবে আসে তা হলো তৃতীয় প্রশ্ন?

শিক্ষার মান যেভাবে বেড়ে চলছে তারচেয়ে প্রযুক্তির ব্যবহার আরো বেশি বেড়ে চলছে। সোশাল নেটওয়ার্কস প্রযুক্তির বড় একটা অংশ। শিক্ষিত অর্ধশিক্ষিত এবং
অশিক্ষিত ( শিক্ষ শব্দটা এইখানে শুধু মাএ অ্যাকাডেমি শিক্ষা বুজানো হয়েছে, আর অশিক্ষিত শব্দটা খুব বেমানান, ইচ্ছা না থাকা স্বত্তেও ব্যবহার করা হয়েছে ) সব তরুণ তরুণী সোশাল নেটওয়ার্কসের ব্যবহার জানে এবং করে। সোশাল নেটওয়ার্কস ব্যবহার করার সবচেয়ে বড় মাধ্যম হলো স্মার্টফোন যা বাংলাদেশে মিনিমাম ২,০০০ টাকা থেকে ৩,০০০ টাকায় সহজলভ্য । বর্তমান সময়ের জন্য এই টাকাটা খুব অল্প পরিমাণ, যে কেউ জোগাড় করতে পারে। একটা স্মার্ট ফোন বাজার থেকে ক্রয় করে তার মাঝে ইন্টারনেট কানেকশান দিয়ে দিলেই হলো।

বর্তমান তরুণ তরুণীর উপর সোশাল নেটওয়ার্কসের প্রভাবটা কেমন পড়ে?

তরুণ তরুণী প্রথমে সোশাল নেটওয়ার্কসের আওতাধীন এসে পরিচয় হয় পরস্পরের সাথে। চলতে থাকে পরিচয়ের সূএ ধরে আলাপচারিতা। খুব ধীরে ধীরে শুরু হতে থাকে বন্ধুত্ব। আস্তে আস্তে ব্যাপারটা পরিবার জানতে পারে এবং খুব স্বাভাবিক ভাবে নেয়। বন্ধুত্ব ভালো কথা, তা আর বন্ধুত্বে থাকে না কারণ তা স্বাভাবিক ভাবেই পরিণত হতে থাকে প্রেম ভালোবাসায়, যাকে আমরা প্রণয় ঘটিত ব্যাপার বলে জানি। তখনই শুরু হয় আসল প্রভাব। সারারাত চলতে থাকে সোশাল নেটওয়ার্কিং। পরস্পর পরস্পরের প্রতি প্রচন্ড ভাবে জড়িয়ে পড়ে আবেগজনিত কিছু মূহুর্তে এমন কি শারীরিক সম্পর্ক পর্যন্ত হয়ে যায় এই সোশাল নেটওয়ার্কিং এর পাল্লায় পড়ে। ব্যাপারটি আর থাকেনা দুজনার মধ্যে, ছড়িয়ে পড়ে পরিবার থেকে শুরু করে সারা সমাজ মহল্লায়। পরিবার ও সমাজ মেনে নিলে ভালো না নিলে মারাত্মক মানসিক ভাবে আহত হয় পরস্পর। শুরু হয় আরেক নারকীয় খেলা। যা মাঝেমাঝে আমরা ভাবতেও পারিনি। পারিবারিক ভাবে নেমে আসে মহাঅশান্তি, দুপরিবারের হয়তো কেউ মেনে নেয়, নয়তো কেউ মেনে নেয় না।

যার মূল কারণ হলো সোশাল নেটওয়ার্কিং বা সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম।





সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে নভেম্বর, ২০১৬ দুপুর ২:১২
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ওরা জিডিপি আর সেমিকন্ডাক্টরে ব্যস্ত , আমরা ব্যস্ত গোরুর জিয়াফত নিয়ে ....।

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ২:৩৫


গতকাল মামার ফোন এল দুবাই থেকে, রাতের বেলা। বললেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে গরু জবাই করে জিয়াফত খাওয়ার খবর এখান পর্যন্ত পৌঁছে গেছে, ব্যাপার কী? আমি বললাম, মামা, ওরা গরুর মাংস... ...বাকিটুকু পড়ুন

মীর জাফর ও ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির ঐতিহাসিক চুক্তি! যে চুক্তির জন্য বাংলার স্বাধীনতার সূর্য ২০০ বছরের জন্য অস্তমিত হয়েছিল!

লিখেছেন নূর আলম হিরণ, ১৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ২:৪২


আমরা পলাশী যুদ্ধের কথা জানি। কিন্তু এই যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগে যে একটি ঐতিহাসিক চুক্তি হয়েছিল মীরজাফর ও ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কর্ণধার লর্ড ক্লাইভের এর সাথে সেটা সম্পর্কে খুব কমই... ...বাকিটুকু পড়ুন

তাবলিগে গিয়ে যা শিখলাম না

লিখেছেন মুনতাসির, ১৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৮:৫৯

আমি যখন ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ি, তখন আমার কয়েকজন বন্ধু তাবলিগ করত। তাবলিগের প্রতি আমার কখনোই আগ্রহ ছিল না। তবে ওরা নিজেরা রান্না করত, আর আমি রান্না করতে পছন্দ করি। তাই একদিন... ...বাকিটুকু পড়ুন

যার যার ধর্ম, তার তার উৎসব....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ১৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৯:১০


যার যার ধর্ম, তার তার উৎসব....

“ধর্ম যার যার, উৎসব সবার”- শুনতে চমৎকার, জনপ্রিয়ও বটে। কিন্তু কথাটি কি ধর্মীয় বিশ্বাসের বাস্তবতার সঙ্গে পুরোপুরি সংগতিপূর্ণ?
আমার কাছে তা নয়। এধরণের বাণী... ...বাকিটুকু পড়ুন

সৌদি আরবে নারীসহ দুই বাংলাদেশির শিরশ্ছেদ: প্রতিমন্ত্রী, নাকি পাপেট?

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ১৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৩:৫০


গত বুধবার সৌদি আরবের শরিয়া আদালত একজন নারীসহ দুই বাংলাদেশি অভিবাসী শ্রমিকের শিরশ্ছেদ কার্যকর করেছে। এ বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ যে বিবৃতিটি দিয়েছেন, সেটা পড়ে বোঝা গেল যে, পররাষ্ট্র... ...বাকিটুকু পড়ুন

×