নরসিংদীর শিবপুর উপজেলায় দুটি বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে ১৬ জন নিহত এবং অন্তত ২৫ জন আহত হয়েছে। ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে উপজেলার বিসিক শিল্প এলাকার আমতলায় আজ মঙ্গলবার সকালে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্র জানায়, ঢাকা থেকে সিলেটগামী সোহাগ পরিবহনের একটি বাসের সঙ্গে মহাসড়কের আমতলায় সকাল ১০টার দিকে বিপরীত দিক থেকে আসা আরেকটি বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই সাতজন, নরসিংদী জেলা হাসপাতালে নেওয়ার পথে চারজন, ওই হাসপাতালে চিকিত্সাধীন অবস্থায় দুজন এবং ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালেও তিনজন মারা যায়। আহতদের নরসিংদী জেলা হাসপাতাল ও ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
নিহতরা হলেন ট্রান্সকম ডিস্টিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের ন্যাশনাল সেলস এক্সিকিউটিভ মো. আজহারুল আমিন (৩৫), সোহাগ পরিবহনের চালক আবদুল মজিদ (৩৫), চালকের সহকারী মজিব মিয়া (২০), ঢাকা ভূমি অধিদপ্তরের রেকর্ড শাখার চেইনম্যান মোহাম্মদ আলী (৪০), নরসিংদীর শিবপুরের কুমারদী গ্রামের মোজ্জামেল হোসেন (৪০), একই উপজেলার সাধারচর ইউনিয়নের বন্যার বাজার গ্রামের আতিকুর রহমান (৩০), পুটিয়া ইউনিয়নের সালুরদিয়া গ্রামের সোহেল মিয়া (৩৫), মুনসেফচর গ্রামের শাহনাজ আক্তার বকুল (৩২), কুমরাদী গ্রামের বুলবুল আহমেদ (৪০), শাষপুর গ্রামের শিবলী রেজা (২৮), তেলিয়া গ্রামের আমির হোসেন (৩০), নরসিংদী সদর উপজেলার হাজীপুর গ্রামের তপন দেবনাথ (৪০), ঢাকার উত্তর বাসাবো এলাকার ইলেক্টট্রিশিয়ান আলীমুজ্জামানের স্ত্রী সোনিয়া আক্তার (২৭), তাঁর ছেলে মাহিন ইসলাম (৩), ঢাকার শনির আখড়া এলাকার হারুন অর রশিদ (৪০) ও অজ্ঞাত এক পুরুষ।
ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের নরসিংদীতে দায়িত্বপ্রাপ্ত হাইওয়ে পুলিশের কর্মকর্তা সার্জেন্ট শক্তি সাহা দুর্ঘটনার বিষয়টি প্রথম আলোকে নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, দুর্ঘটনায় এ পর্যন্ত ১৬ জন নিহত হয়েছে। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।
দুর্ঘটনার প্রাথমিক কারণ হিসেবে শক্তি সাহা বলেন, সোহাগ পরিবহনের বাসটির সামনের দিকের ডান পাশের চাকা ফেটে যায়। এতে বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার ডান দিকে চলে যায়। এ সময় বিপরীত দিক থেকে আসা আরেকটি বাসের সঙ্গে ওই বাসটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হলে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
এভােব আর কত.......

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


