somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

"why there are only 28 days in February??"

০২ রা জানুয়ারি, ২০১৬ রাত ১২:৪০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



"February mei 28 days kyu hote hai" - বোর্নভিটার এই বিজ্ঞাপন টিভি খুললেই যখন তখন চোখে পড়ে। পিচ্চিটা কিঊট, তার বিজ্ঞাপনের মা আরো কিউট, প্রশ্নটা তার চেয়েও কিঊট। ফেব্রুয়ারিতে কেন মাত্র ২৮ দিন! কেন?
.................................................

হিসাবের জন্য সবচেয়ে প্রচলিত হচ্ছে ডেসিমাল পদ্ধতি। সবকিছুতেই দশ দশ করে গণনা। প্রাচীন সময়ে বছরে মাসের সংখ্যাও দশ ছিলো। মার্চ থেকে ডিসেম্বর। মার্চ থেকে অগাস্ট - এই ছয় মাসের নাম কিছু দেবতা আর কজন সম্রাটের নামে করা হয়। যেমন জুলাই হয়েছে জুলিয়াস সিজার থেকে। আর বাকি চার মাসের নাম এসেছে ল্যাটিন সংখ্যার নামে।

সেপ্টেম্বর - septem - সাত
অক্টোবর - octo - আট
নভেম্বর - novem - নয়
ডিসেম্বর - decem - দশ

হিসেবে ভুল হলো না? জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি এরা তবে কারা তাইতো?
মাস ঠিকঠাক মেনেও ঋতু পরিবর্তনের সাথে সময় মেলানো যাচ্ছিলো না। পৃথিবী ৩৬৫ দিনে একবার ঘুরে আসে, এটা এখন আমরা জানি। কিন্তু সেসময় বছরে দিনের সংখ্যা ৩০০ থাকায় বাকি প্রায় ৬০ দিনের জন্য হিসেব গরমিল হয়ে যেত। কখনো শীত আগে চলে আসতো, কখনো বীজ বপনের সময় ঝড় বা বর্ষা হতো। তখনকার পুরোহিতরা হিসেব করে আরো একটা মাস তৈরি করলেন - জানুয়ারি। তবুও মেলে না, আরো কদিন যোগ করলেন। কোনো মাস এখন ৩১ দিনে, কোনোটা ৩০ দিনে। তবুও মেলে না! আরো ২৮ দিনের গরমিল। তখন দ্বাদশ মাস হিসেবে ফেব্রুয়ারির প্রবর্তন। ২৮ দিনের মাস।
ডেসিমাল হিসেবের দশম/শেষ মাস ডিসেম্বরের সম্মান অক্ষুন্ন রাখতেই হয়ত নতুন দুটোকে সামনে নিয়ে বছর শুরু করা হয়। এই কারণটি আমার মনে নাই।

তো এই হচ্ছে ফেব্রুয়ারিতে ২৮ দিন হবার ইতিহাস। :)

*******
এভাবে ভালোই চলছিলো, তবু কিছু গরমিল রয়ে যায়, যা অনেক অনেক দিনের ব্যবধানে ধরা পড়ে। এখান থেকে আসে লিপ ইয়ার। প্রতি চার বছর পরপর এক দিন অসম্পূর্ণ ফেব্রুয়ারির সাথে জুড়ে দেয়া হয়।
সম্ভবত তবুও গরমিল রয়ে গেছে। ২০০০ সালকে যে কারণে ৩৬৭ দিনে করতে বলা হয়েছিলো, কিন্তু পৃথিবীবাসী মেনে নেয়নি।

(ছেলেবেলার অর্জিত জ্ঞান। দুঃখিত রেফারেন্স দিতে পারছি না। মিলিয়ে নিন।)

শুভ নববর্ষ ২০১৬!
সর্বশেষ এডিট : ০২ রা জানুয়ারি, ২০১৬ রাত ১২:৪৩
১টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

দ্বিধাদ্বন্দ্ব কাটিয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে নবীজির শেখানো এক অনন্য আমল

লিখেছেন নতুন নকিব, ১১ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৯:০৩

দ্বিধাদ্বন্দ্ব কাটিয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে নবীজির শেখানো এক অনন্য আমল

ছবি অন্তর্জাল থেকে নেওয়া।

মানুষের জীবন মূলত অসংখ্য ছোট-বড় সিদ্ধান্তের সমষ্টি। প্রতিটি বাঁকে, প্রতিটি মোড়ে আমাদের কোনো না কোনো... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্যা ফায়ার অফ মাই সউল

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১১ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৫:১৪

আমি যে ধরণের গান পছন্দ করি, সেগুলোর মাঝে ক্বারি আমির উদ্দিনের 'কুহু সুরে মনের আগুন' গানটি আমার খুব প্রিয়। এই গানটিকে সম্প্রতি ইংরেজিতে অনুবাদ করে গান বানিয়েছি, এনিমেশন... ...বাকিটুকু পড়ুন

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬

লিখেছেন আঘাত প্রাপ্ত একজন, ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ৮:২৬

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬

[সম্ভাবনার ক্রমানুসারে নয়ঃ]

আর্জেন্টিনা: আর্জেন্টিনার সবচেয়ে বড় প্রতিপক্ষ তার ডিফেন্স আর ইনজুরি । ৩৮ বছরের তরুণ(!) সেন্টারব্যাক ওতামেন্দি আর কমপক্ষে এক হালি হাফ-ফিট ফুটবলার নিয়ে ১৯ জুলাই পর্যন্ত... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমার ডক্টর যেন বাঁচে ১৫০ বছর.....

লিখেছেন শায়মা, ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৪



ডক্টরস, হসপিটাল এবং ওষুধ এসব নিয়ে আমার তিক্ত অভিজ্ঞতার শেষ নেই। এ কারনে আমি একদম এদের কাউকেই পছন্দ করি না। তবে কিছু তো করার নেই। জীবনের নানা সময়ে ইচ্ছের... ...বাকিটুকু পড়ুন

কবিতাঃ শরৎ বন্দনা

লিখেছেন ইসিয়াক, ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ১১:৫৯


শরৎ এলেই আকাশ জুড়ে সাদা মেঘের ভেলা
দিনমণি আর মেঘমালার লুকোচুরি খেলা।

রুম ঝুমঝুম নূপুর পায়ে ছুটছে নদীর ঢেউ
ভাটিয়ালি গাইছে গান অচিন সুরে কেউ।

বিলে ঝিলে শাপলা পদ্ম... ...বাকিটুকু পড়ুন

×