somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

যদি তখন ফেসবুক প্রজন্ম থাকতো......

২৭ শে নভেম্বর, ২০১৪ ভোর ৫:৫০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



ভাগ্য ভাল যে মার্ক জাকার্বাগ ফেসবুক টা আবিষ্কার করতে বড্ড দেরি করে ফেলেছিল । নয়তো হয়তো অনেক কিছুই অন্য রকম হয়ে যেত । অন্য হিসাবে পরিসংখ্যান করতে হত ।
ভাগ্য ভাল যে সে এতোদিন পরে জন্মাইছে । নয়তো নয়তো অনেক কিছুই হইতো অন্য রকম !


প্রায়ই মনে হয় আমাদের স্বাধীনতার যুদ্ধের সময় যদি এই ফেসবুক টা থাকতো তাহলে কি হতো ? সিরিয়াসলি নেওয়ার কিছুই নেই । আগেই বলে নেই এটা এমন কোন সিরিয়াস পোস্ট নয় যে সব কিছু একটা গভীর চিন্তার দাবী রাখবে ।
যা বলছিলাম, কেবল একটা বার ইমাজিন করে নিন যে আমাদের স্বাধীনতার যুদ্ধ টা এখন শুরু হয়েছে । তাহলে পরিস্থিতিটা কেমন হবে ! আমাদের ফেসবুক প্রজন্মের দ্বারা কেমন হবে সেই পরিস্থিতি....

কিছু কিছু খন্ড ঘটনা যদি এমন ভাবে কল্পনা করা যায় ......

১. বঙ্গবন্ধুর সাত মার্চের ভাষণ টা তখন বেশির ভাগ মানুষই দেখতো ইউটিউবে ! অনেকের বাংলাদেশের নতুন ডিজাইন কৃত পতাকা টা পছন্দ হত না । কোন কোন ডিজাইন বিশেষজ্ঞ সেটার মাঝে ভুল খুজে বের করার চেষ্টা করতো !

২. ২৫শে মার্চের রাতে পাকিস্তানী বর্বরতায় কথা জানতে চেয়ে অনেকে স্টাটাস দিতো ! চলে আসতো কয়েক হাজার স্টাটাস ! বাঙ্গালীর উপর বর্বরতা প্রতিবাদী মূখর বাঙ্গালী ফেসবুক বাসী !

৩. ঐ ২৫ মার্চ রাতেই প্রতিবাদ স্বরূপ শাহবাগে মানব বন্ধনের ডাক দিয়ে কয়েকশো ইভেন্টের শুভ সূচনা ! হোস্টদের মাঝে মন-মালিন্য, জায়গা নির্বাচন নিয়ে কথা কাটাকাকাটি ! ফলাফল পুনরায় নতুন আরেকটি ইভেন্টের জন্ম ! ইনভাইটেশন হাজার হাজার মানুষ ! গোয়িং বাটনে চাপের পর চাপ !

৪. বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতা ঘোষনা করেছেন এই খবর মুহুর্তেই ফেসবুকবাসীর ওয়ালে ওয়ালে ! কিন্তু স্বাধীনতার ঘোষনা সম্পর্কিত তথ্যের সঠিকতা যাচাইয়ের জন্য অনেকে আবার লিংক চাইতো ! শেষে প্রিয় ডটকমের লিংকে সন্তুষ্ট ! আবার কয়েক হাজার স্টাটাস !

৫. বঙ্গবন্ধু গ্রেফতারের খবরেও প্রতিবাদী হয়ে স্টাটাস প্রসব করতো ফেসবুকবাসী ! এমন একটা অবস্থা দাড়াবে পারলে যেন খিস্তি খেউর করে পাকিস্তানীদের ফেসবুক ওয়ালেই মেরে ফেলে ! প্রতিবাদে আবার শাগবাগে মানব বন্ধনের ডাক ! হাজার গোয়িং বাটনে চাপ !

৬. বঙ্গবন্ধুর পক্ষ থেকে মেজর জিয়ার স্বাধীনতা ঘোষনা কালুর ঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে ! কয়েক জন প্রশ্ন তুলতো এই মেজর জিয়া কে ? তার ঘোষনা কত টুকু নির্ভরযোগ্য !
কেউ আবার লিংক চাইতো ! পরিশেষে আবারও প্রিয় ডট কমের লিংক দিয়ে সবাই সন্তুষ্ট !

৭. কার ঘোষনা সঠিক মেজর জিয়া নাকি বঙ্গবন্ধু ? এই নিয়ে ফেসবুকবাসীর ওয়াল গরম ! ফ্যান পেইজ গুলো এমন স্টাটাস দিতো "বন্ধুরা আসুন একটা পরিসংখ্যান হয়ে যাক, যদি মনে করে বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতা ঘোষনা করেছেন তাহলে লাইক বাটনে চাপ দিন আর যদি মনে করেন মেজর জিয়া স্বাধীনতা ঘোষনা করেছেন তাহলে কমেন্ট করুন !


৮. স্বাধীন বাংলাদেশ, কালুর ঘাট বেতার কেন্দ্র, পাকিস্তানি দুরে গিায় মর ইত্যাদি আরও বিভন্ন নামে ফেসবুক পেইজের উদ্ভব এবং পেইজে লাইক দেওয়ার জন্য ইনভাইটেশন আসতো !

৯. প্রত্যেক ফেসবুক সেলিব্রেটি আবেগ ঘন স্টাটাস দিয়ে ভাসিয়ে ফেলত ! বলা যায় সব থেকে ভোদর মার্কা ছেলেটিই সব থেকে সাহসী মার্কা স্টাটাস দিতো ! সেই স্টাটাস আবার কয়েক হাজার বার শেয়ার, কয়েক হাজার কমেন্ট আর লাইক পড়তো ! কেমন হতো সেই স্টাটস গুলো ? সেটা একটু পরে বলছি আর আগে দেখা যাক সেই স্টাটাসের কমন্ট গুলো কেমন হতো ! কয়েকটা কমনঃ
ক. কেমন করে লিখেন বস ! চোখে পানি চলে এল !
খ. স্যালুট বস ! স্যালুট !
গ. একেবারে মনের কথাটা বলেছেন ! আমার মনে কথা টা লিখে দিয়েছেন !
ঘ. যারা যারা স্বাধীনতার পক্ষে তারা আমাকে এড করুন ! আই এম ব্লকড !


১০. মুজিবনগর সরকার গঠনের খবরের পরেও আবার সবাই খবরের লিংক চাইতো ! ছবি দেখতে চাইতো ! শেষে আমাদের প্রিয় ডট কম আছে তো !

১১. মুক্তিযুদ্ধে অংশ গ্রহনের জন্য আবারও ইভেন্ট তৈরি হইতো ! সেটাও লাখে লাখে গোয়িং বাটনে চাপ দিতো আর মাঠে গিয়ে হাজির হইতো গোটা বিশেক !

১২. দেশের মানুষের সাহায্য এবং মুক্তিযোদ্ধাদের সাহায্যের জন্য টাকা তোলা মূলক ইভেন্ট তৈরি হত । বিদেশ থেকেও সাহায্য আসতো । শেষে দেখা যেত ইভেন্টের হোস্ট টাকা নিয়ে গায়েব হয়ে গেছে !

১৩. কোন কোন ফেসবুক সেলিব্রেটি ঘরে বসেই স্টাটাস দিতো ডুয়িং যুদ্ধ ইউথ ওমুক (আরেক ফেলিব্রেটি) এট চাঙ্গারপুল মাঠ !

১৪. সবার কাভার ফটোতে বিভিন্ন ধরনের প্রতিবাদী ছবি শোভা পেত । কেউ কেউ আবার কোন মুক্তিযোদ্ধার সাথে ফটু তুলে সেইটা শেয়ার দিত ! লিখতো ফিলিং প্রাউড !

১৫. সংবাদ পত্রের ফেসবুক ফ্যান পেইজে সবার আগে সর্বশেষ যুদ্ধের সংবাদ পেতে তাদের পেইজে এবং সাইটে চোখ রাখতে বলা হত !

এসব তো ঘটতো সাথে কি কি টাইপের স্টাটাস আসতো একটু দেখা যাক । (পরের স্টাটাস গুলো সুসানের চাপা সমগ্র থেকে নেওয়া)

১. ২৫শে মার্চ কালো রাতে পাক হানাদার বাহিনী বাংলার নিরিহ মানুষ উপর হামলা করছে। একটি লাইক একটি থাপ্পর, একটি শেয়ার একটি লাথি।
২. বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছেন। তার জন্য কয়টি লাইক??
.
৩. স্বাধীনতার ঘোষণা মেজর জিয়াউর রহমান দিয়েছেন, কিন্তু কিছু মিথ্যুক সেলিব্রেটি সেটা শেখ মুজিবের নামে প্রচার চালাচ্ছে। শুধু লাইক বেশি হলেই সত্য ঢেকে দেয়া যায় না...

৪. ফ্রেন্দ, আমি ফোর জি একতিভ গুবায়ের(জুবায়েরের টাক্লিশ ভার্সন) তোমারা সবাই গানো(জানো) দেশে গুদ্ধ শুরু হয়েছে। গুদ্ধ শুধু অফলাইনে না অনলাইনেও করতে হবে তাই আমার অনেক একটিভ ফ্রেন্দ দরকার। সো প্লিজ এদ মেহ।

৫. এই যুদ্ধের ময়দানে এক ভাই নামাজ আদায় করছেন। সোবাহানাল্লাহ। তার জন্য কয়টা লাইক?

৬. উফফফ কিছু ভালো লাগেনা। দেশে যে কি গ্যাঞ্জাম শুড়ু হলো Frendzzz দেড় সাথে KFC তে হ্যাং আউট কড়তে পাড়ছিনা, বাহিড়ে কোথাও ঘুড়তে যেতে পাড়ছিনা, আমার বাবুটার সাথে মিট কড়তে পাড়ছি না... আড় ভাল্লাগে না!!

৭. আপনারা যারা যুদ্ধে যেতে পারছেন না তারা চাইলে অনলাইনে বসেও যুদ্ধ করতে পারেন। আমাদের অস্র কেনার জন্য প্রচুর অর্থ দরকার। আপনারা নিচের ইভেন্টে যোগ দিয়ে বিকাশ নম্বরে অর্থ সাহায্য করেও যুদ্ধে পরোক্ষ ভাবে অংশগ্রহন করতে পারেন।
.
৮. নিচের এই লিং টা এক পাকিস্তানী মেজরের। সবাই রিপোর্ট করুন। ফেসবুকে কোন পাকিস্তানির আইডি রাখতে দেয়া যাবে না। (ততক্ষনে তার বাসার দড়জায় আরেক পাকিস্তানী মেজরে খট খটানি শুরু কইরা দিছে)

৯. আধুনিকতার এই যুগে সবার হাতেই একটা করে মোববাইল থাকা স্বাভাবিক। আবার দেশে যুদ্ধের কারনে অনেকের আয় ইনকাম বন্ধ। কিন্তু এই টাইমটা আপনি মোবাইল দিয়ে ঘরে বসেই দিনে ৫০০ টাকা ইনকাম করতে পারেন। আপনি শুধু নিচের লিঙ্কটিতে ঢুকুন। ওখানে কাজগুলো যথাযথভাবে করলেই আপনি পাবেন ৫০০ টার ফ্লেক্সিলোড!

১০. মসজিদ নামাজ পড়ার জায়গা, আর দেখুন কিছু মানুষ মসজিদে আশ্রয় নিয়ে এটাকে বেডরুম বানায়া ফেলছে। মুসলিম হয়ে আরেক মুসলিম ভাই কে ভয় পাওয়ার তো কিছু নাই, ভয় পেলে আল্লাহকে পেতে হবে। সুতারাং এরা কেউ মুসলমান না, সব নাস্তেক। এদের পুশি চাই।
.
১১. যুদ্ধ নিয়ে একটা গল্পের প্লট মাথায় ঘুরছে, যে কোন সময় লিখে ফেলতে পারি। পর্ব আকারে প্রকাশ করা হবে। যে যে ট্যাগ পেতে চান কমেন্ট করুন।

১২. যশোরে কিছু মুক্তিযোদ্ধা ভাইয়ের জন্য প্রচুর রক্ত প্রয়োজন। A+, b+ O- … যোগাযোগের নম্বর ০১৯১***** (যদি ফেবুক থাকতো তাইলে ভালোর মধ্যে মনেহয় এই একটাই হইতো)
.
১৩. পাক হানাদার বাহিনির ভয়ে সবাই সব কিছু ফেলে পালাচ্ছে, কিন্তু এক জন দেখেন তার গরুটি কে এই দূর্দিনে ফেলে না রেখে সাথে করে নিয়ে যাচ্ছে। তার জন্য একটি লাইক= একটি সেলুট!!
.
১৪. দেশে যুদ্ধ শুরু হয়ে গিয়েছে। শেয়ার করে সবাইকে জানিয়ে দিন। এমন আরো লেটেস্ট নিউজ পেতে আমাদের “রেডিও যুদ্ধ” পেইজে লাইক করুন।

১৫. যে ৯টি গুন থাকলে আপনি ঘরে বসেই দেশ স্বাধীন করতে পারবেন তা জানতে ক্লিক করুন ‘প্রিয় যুদ্ধ ডট কম’ এ।
.
১৬. "ধর্ষনের জন্য মেয়েরা দায়ী, তারা হানাদার বাহিনীর সামনে দিয়ে এভাবে বেপর্দায় চলাফেলা করলে ধর্ষন তো হবেই"

১৭. আর সবচেয়ে বেশি যেটা থাকতো, "মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে সেলফি"/ "নিহত পাক সদস্যের লাশের পাশে সেলফি"/" ট্যাংক এর কামানের আগায় বসে সেলফি "সেলফি ইন যুদ্ধের ময়দান উইথ ফরটি আদার্স পিপল ফিলিং এক্সাইটেড"




----------------------------
এটা সত্যি অনেক ভাগ্যের একটা বিষয় যে তখন কোন ফেসবুক ছিল না । কারন আর যাইহোক না কেন আমাদের মত এই হাইব্রীড ভোদর প্রজন্ম দিয়ে আর যাই হোক দেশ স্বাধীন হইতো না !

এটা সত্যি অনেক ভাগ্যের ব্যাপার যে তখন সেই সময়ে কিছু অকুত ভয় বাঙ্গালী আমাদের ছিল যারা নিজের জীবন কে তুচ্ছ করে দেশের জন্য যুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়েছিল ! তবে এটা দুর্ভাগ্যের একটা ব্যাপার যে তারা যে কারনে জীবন দিয়েছিল এতোদিন পরে এসে মনে হচ্ছে তাদের আত্ম ত্যাগ টা বৃথাই গেল বুঝি ! যেখানে পিতা মাতাই নিজের ক্লাস ফাইভে পড়া সন্তানের জন্য প্রশ্ন খুজে বেরাচ্ছে ছোট বেলা থেকেই তাকে চুরি শেখাচ্ছে সেখানে এই প্রজন্মের কাছ থেকে সামনে কি আশা করা যেতে পারে !!
১৭টি মন্তব্য ১৭টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

মাদ্রাসা শিক্ষাকে না বলুন। মাদ্রাসা শিক্ষা বন্ধ করুন।

লিখেছেন মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ, ২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৩:৪২

শুধু ভারত বিদ্বেষই না।

মাদ্রাসাগুলোতে কোনও ব্যতিক্রম ছাড়াই মোল্লারা ইসলামের দোহাই দিয়ে,

/নিজের দেশ তথা নিজের জন্মভূমি বাংলাদেশের প্রতি বিদ্বেষ করা শেখায়।

/মোল্লারা তাদের মাথায় এই ধারণা খুব অল্প বয়সেই ঢুকিয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

যারা ব্রয়লার মুরগী খায় তারা সমকামী

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৪:৫৩


ওয়াজ শোনেন অথচ মুফতি কাজী ইব্রাহিম হুজুরকে চেনেন না, এমন মানুষ বাংলাদেশে খুব কমই আছেন। হুজুরের আরেকটি বড় পরিচয় হলো, তিনি করোনার ওষুধ স্বপ্নে পেয়েছেন বলে দাবি করেছিলেন। হুজুর... ...বাকিটুকু পড়ুন

শেইপ শিফটার ৩ - মাছ কন্যা

লিখেছেন হুমায়রা হারুন, ২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৫:১৯


২০১১ এর দিকে নর্থ –ইয়র্কে থাকাকালীন রুমার বাসার আশেপাশে তেমন কোন বাঙালি দোকান ছিল না ।সেই টরোন্টর নামকরা চাইনিজ সুপারমার্কেট –টা বেশ দূরে। পায়ে হেঁটে যাওয়ার পথ নয়।... ...বাকিটুকু পড়ুন

আপনার নাফসকে আচ্ছা করে টাইট দিন

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৫৭

মানুষের ভিতরে এমন একটি অংশ আছে, যা মানুষকে খারাপ কাজ করতে উদ্বুদ্ধ করে, খারাপ কাজের বুদ্ধি দেয়। ইসলামী পরিভাষায়, আমরা মানুষের এই অংশকে নফস বলি। আপনি খারাপ কাজ থেকে দূরে... ...বাকিটুকু পড়ুন

যে পথ ধরে রথো রাফি হেঁটে যেতেন: চলে গেলেন ব্লগার রাফি

লিখেছেন শরৎ চৌধুরী, ২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৯:০৩

কবি, ব্লগার ও অনুবাদক রথো রাফির স্মরণ
রথো রাফি ব্লগ
রথো রাফি আর নেই—সত্যটি মেনে নেওয়া ভীষণ কঠিন। একজন মানুষের চিরপ্রস্থানের পর আমরা কেবল তার শারীরিক অনুপস্থিতিই টের পাই না, বরং গভীরভাবে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×