somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

"প্রশ্ন"

২৩ শে অক্টোবর, ২০১৩ রাত ১০:৩৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

রাত ৩ টা বেজে ৩৭ মিনিট। কিছুক্ষন আগেই তুমুল ঝড়টা মাথা নোয়াল। এখনো তার রেশ পুরোপুরি থামেনি। বাহিরে হালকা বাতাস বইছে। বেলকনির দরজায় ঝুলানো অদ্ভুদ জিনিসটা বাতাসে অসহ্য এক রিনিঝিনি শব্দ করেই চলছে।

মোহন্ত বাবুর মেজাজটা আজ ভালো নেই সে রুমের ভিতরে পায়চারী করছে আর একের পর এক সিগারেট টেনে যাচ্ছে। কখনো আগুনের ফুলকিতে জ্বলন্ত অর্ধেক সিগারেট আস্ট্রেতে চাপা দিচ্ছে। কখনো বা মনের খেয়ালে আগুনের আঁচ হাতে এসে লাগছে।

মেজাজটা কি করেই বা ভালো থাকে। আজ মাস খানেক ধরে অবন্তি যা শুরু করেছে তাতে সংসারটা আর বেশি দিন নেই। ১৮ মাসের বাচ্চাটাকেও নির্যাতন করতে ছাড়েনি ও। সব সমস্যার মুলে রয়েছে অবন্তির পুরনো বন্ধু। এই লোকটা কোথা থেকে হটাৎ উড়ে আসল কে জানে!

আজ থেকে ৬ বছর আগে অবন্তিকে ফেলে গিয়েছে কোন এক অজানা কারনে। এই অজানা কারনটা মোহন্ত বাবু কখনো জানার চেষ্টা করেনি। সব সময় চেয়েছে অবন্তিকে আগের সব স্মৃতি থেকে দূরে রাখতে, চেয়েছে ছোট্ট মেয়ে আর বউ নিয়ে সুখে থাকতে।

যদিও মোহন্ত বাবু বিয়ের আগেই সব শুনেছে কিন্তু এমন ভবিষ্যতের কথা তখন ঘুণাক্ষরেও ভাবেনি। তবে আজ এক অসহ্য সময় কাটাচ্ছে সে। এক দিকে তার ১৮ মাসের মেয়ে অন্যদিকে অবন্তির সিদ্ধান্ত! অবন্তি চায় তার পুরনো বন্ধুর সাথে চলে যেতে, রেখে যেতে চায় তার মেয়েকে। নির্দয় এই মায়ের বাচ্চার জন্যও এতটুকু ভালোবাসা নেই ভাবলেই মোহন্ত বাবুর গা ঘিনঘিন করে উঠে।

আজ ভাবছে হটাৎ এতদিন পরই-বা ওই লোকটার ফিরে আসার কি দরকার ছিল? কি দরকার ছিল এতদিন বিয়ে না করে থাকার? সব কিছুর যদি এত দরকারই ছিল তাহলে কেন তখন ফেলে গেল অবন্তিকে?

এখন আর অবন্তিকে প্রশ্ন করে সেসব জানা যায় না। সব মিলিয়ে পরিস্থিতিটা প্রতিনিয়ত কেমন যেন তিক্ত হয়ে উঠছে ।
সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ রাত ১:৩৪
২টি মন্তব্য ২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

চন্দ্রপ্রভা

লিখেছেন সাইফুলসাইফসাই, ১৬ ই অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ১২:০৭

চন্দ্রপ্রভা
সাইফুল ইসলাম সাঈফ

তোমাকে দেখে মোহিত হই চন্দ্রপ্রভা
রোদ পড়লে চকচক করে
এতই সুন্দর লাগে
একদৃষ্টে তাকিয়ে থাকি।
তোমাকে ছুঁতে ইচ্ছে করে
কিন্তু পাই না যে সাহস।
তুমি নাই বলে কি এত ঝড়?
তুমি পাশে নাই বলে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আপনি কি পেলেন?

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১৬ ই অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৬



বাংলার দুই নোবেল জয়ী রবি ঠাকুর আর ডঃ ইউনুসের পিছনে অনেক কথাই তো বললেন।
ব্লগ লেখায় ভরিয়ে ফেললেন!
খোদা তাঁদেরকে যে জায়গা দিয়েছেন, তা থেকে এক চুল কি নিচে নামাতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

তোমরা নেহা বোরা কে বাংলাদেশের কথা বোলো না

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ১৬ ই অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ২:০২


নেহা বোরাকে তোমরা বাংলাদেশের কথা বোলো না। বোলো না যে, তিনি যখন বাংলাদেশের ছাত্র আন্দোলনের ভূয়সী প্রশংসা করছেন, তখন বাংলাদেশে একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের তরুনেরা ক্যাম্পাসে গরু জবাই করে জেয়াফত খাওয়ার আন্দোলন... ...বাকিটুকু পড়ুন

রংয়ের মানুষ

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১২:৫০


গ্রেট মাদ্রাজ ফ্যামিন যখন অনুপ্রেরণার উৎস
একদিন আমাদের সবার প্রিয় সংসদ সদস্য আমির হামজা ওয়াজে বেশ গরম গরম কথা বলছিলেন। মহান আল্লাহ তায়ালার সৃষ্টির সৌন্দর্য ব্যাখ্যা করতে গিয়ে হঠাৎ রাশমিকা... ...বাকিটুকু পড়ুন

অভিনন্দন নাবিহা সাকলায়েন: ৩০ বছর পরের এআই পটেনশিয়াল

লিখেছেন কলাবাগান১, ১৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৩:৩৮


কনসেপ্ট টা খুবই সোজা...পৃথিবীর তাবত মানুষ ই জানে যে আপনার বিশ বছর বয়সে শরীরে যে কোষ গুলি আছে তা আপনার ৬০ বছর বয়সের কোষ আর সেইম না ..লম্বা সময়... ...বাকিটুকু পড়ুন

×