এক উদারপন্থী, নীতিবাগিশ, আদর্শবান সুপুরুষ রাজপথ ধরিয়া পদব্রজে যাইতেছেন। তিনি এতোটাই মহান যাঁহার ঘরে বাইরে কোনো ভেদ নাই। সাদা-কালোর ভেদাভেদ তিনি সহ্য করিতে পারেন না। বিয়ের বাজারে কেনো যে কালো মেয়েরা অবাঞ্ছিত, উপেক্ষিত এই নিয়ে তাহার খেদের শেষ নাই। পৃথিবীতে মানুষের অধিক সুন্দর আর কী রহিয়াছে- এই ভাবাবদী মহান দর্শনে তাহার অগাধ বিশ্বাস।
এই মহামানব আবার একটু কবিও। মাঝে মাঝে তিনি সাহিত্য-টাহিত্যও করেন। তো এক সুন্দর সন্ধ্যায় মহা আয়োজন করে লিখিতে বসিলেন একখানি ছোটগল্প। গল্পের কাহিনী কবির স্বভাবসিদ্ধ রোমান্টিক! যেহেতু তিনি সাদা-কালো চামড়ায় কোনো ভেদ সহ্য করেন না তাই তাহার গল্পের নায়িকা এক কৃষ্ণকলি। নায়িকার বণনা দিতে লাগিলেন কবি-
'তণ্বী, শ্যামা, উন্নতবক্ষা, গভীর নাভি, মস্তকে তাহার কালবৈশাখির আকাশ, কাজল রেখার মতো ভ্রু জোড়া, পটল চেড়া চোখ, বাঁশির মতো নাসিকা, ভারী নিতম্ব, দীর্ঘ পদ যুগল, মোমের মতো তাহার পায়ের পাতা, চাপার মতো হাতের আঙ্গুল আর মুখে তাহার ভুবনমোহিনী হাসি।..... ওহ, এই পরমা সুন্দরী নারী মুর্তিকে স্রষ্টা যেনো আপন হস্তে কতো যতন করে গড়েছেন। ইহার সৌন্দর্য যেনো ইহার শরীরের কৃষ্ণবর্ণকে উৎরাইয়া গিয়াছে.....................'

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


