somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

দাওয়াত পেলাম যেভাবে...

০৫ ই জুলাই, ২০১০ দুপুর ১:১৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

লেখকঃ ইংল্যান্ডে প্রবাসী চিকিৎসক

ডাঃ মস্তাফা জাহাঙ্গীর ১৯৮৮ সালের কথা, সিলেটে সাঈদী-বিরোধী আন্দোলন তুঙ্গে। আমি তখন সিলেট এমসি কলেজের ইন্টারমিডিয়েটে পড়া ছাত্র। আর দশজনের মতো স্বাভাবিকভাবে আমিও জামাত-শিবির এবং সাঈদীকে চরমভাবে ঘৃণা করতাম। "জাতির পিতার" পোট্রেট ছবি আমার পড়ার টেবিলের সামনে টাঙ্গানো ছিলো, আমার মানসিকতা আশপাশের সবার মতোই ছিলো, সবাই পত্রিকা পড়ে আর শুনে যা মনে করে তেমন। একদিন রিকশায় এক বন্ধুসহ যাচ্ছি। সিলেট আলীয়া মাদ্রাসা মাঠের কাছে গিয়ে দেখি রাস্তা বন্ধ, রিকশা থেকে নেমে যেতে হলো। মাঠ আর রাস্তায় হাজার হাজার মানুষ, গাড়ি যাওয়ার রাস্তা নেই। সাঈদী বক্তব্য রাখছিলেন, তখনকার সরকার তাঁর সিলেট আসা ঠেকাতে পারেনি। নেমে আমরা হেটে হেটে ভীড়ের জায়গাটা পার হচ্ছি, মাইকে তাঁর কথা শুনা যাচ্ছিলো। হঠাৎ যেন আমার সমস্ত অনুভুতি একটা ধাক্কা খেলো। এ মানুষটা কি বলছে? কোরআন শরীফের কি চমৎকার এবং সহজবোধ্য বর্ণনা! কিন্তু তখন শয়তান আমাকে ওখানে বেশিক্ষণ থাকার সুযোগ দেয়নি। সাথে থাকা বন্ধুর তাড়াহুড়োয় আমরা জায়গাটা পেরিয়ে চলে আসি। আমি চলে আসলাম, কিন্তু সাঈদীর অল্প শোনা কথাগুলোই আমার মাথার ভেতর অনুরনণ হতে থাকলো। আমি ভাবলাম, কোন না কোন একদিন উনার বক্তব্য আমি শোনব। এ ঘটনার তিন বছর পর একদিন আমি সময় পেয়ে ভাবলাম শুনে আসি সাঈদী কি বলেন।নিজ ইচ্ছাতেই একাকী উনার এক তাফসীর মাহফিলে গেলাম, কথা শোনার জন্য, বুঝে দেখার জন্য ঘটনা কি! একসময় পরম আশ্চর্যের সাথে শুনতে থাকলাম চিরপরিচিত সুরা ফাতেহার ব্যাখ্যা, তাফসীর। কি চমৎকারই না ছিলো উনার সরল বর্ণনা। জটিল কোন বিষয়কে সাধারণ মানুষের একদম বোধগম্য সহজভাবে বলার সৌন্দর্য্য দেখে আমি হতবাক হয়ে তাকিয়ে থাকলাম। জাতির পিতার ছবিটা আমি সরিয়ে রাখলাম। আমার মনে হচ্ছিলো, ইসলাম নিয়ে আমার আরো ভালোভাবে জানা বুঝা দরকার। জীবিকার তাগিদে ইংল্যান্ডে গত পাঁচ বছর ধরে চিকিৎসক হিসেবে আছি। যান্ত্রিক জীবনে দেশের সাথে প্রয়োজন ছাড়া তেমন যোগাযোগই নেই। তবুও মাঝে মাঝে কোথাও যখন মাওলানা সাঈদীর নাম কানে আসতো বা চোখে পড়তো, আমার স্মৃতিতে ভেসে উঠতো সুরা ফাতিহার তাফসীর শোনার সেই ঘটনা। হায়! এমন মানুষকেও সরকার গ্রেফতার করে ধর্মঅবমাননার দায়ে! নি:সন্দেহে সর্বশক্তিমান আল্লাহ সব কিছুই দেখছেন। তিনি সর্বদ্রষ্টা। সাঈদী এবং তাঁর সাথের অন্যান্য মানুষগুলো, যারা নিজেরা ইসলাম চর্চা করে আর মানুষদের ইসলামের দিকে ডাকে, তাদেরকে কেন এ নির্যাতনের শিকার হতে হচ্ছে তা তিনি সবচেয়ে ভালোই জানেন। এখানে আসার আগে দেশে একটা সেমিনারে গিয়েছিলাম। মাওলানা সাঈদী এবং কবি গীতিকার আবু জাফর সে সেমিনারে বক্তা ছিলেন। আবু জাফর তার বক্তব্যের সময় বললেন “হে আল্লাহ! আপনি আমার আয়ুর ১০ টি বছর সাঈদীকে দিয়ে দিন। আমি দশ বছর সময়ে ইসলামের জন্য যা করতে পারবো, সাঈদী এ সময়ে তার হাজারগুণ সেবা করতে পারবেন ইসলামকে”। এ কথা শুনে আমি সারপ্রাইজড হয়ে পড়েছিলাম। এরপর সাঈদী তার বক্তব্য শুরু করেই বললেন “আবু জাফর ভাই। আপনার দশ বছর আয়ু আমাকে দান করার কোন প্রয়োজনই নেই।যদি আল্লাহ আমাকে অতিরিক্ত দশ বছর দেবার সিদ্ধান্ত নেন, তাকে কারো কাছ থেকেই ধার করতে হবে না। তিনি সর্বশক্তিমান”। সাঈদীর গ্রেফতারের পর থেকে বারবার সেদিনের কথা মনে পড়ছে। আমি বিশ্বাস করি, ইসলামের জন্য কাজ করতে গিয়ে সাঈদী এবং তাঁর যে সহকর্মীরা গ্রেফতার হয়েছেন, তারা আল্লাহ ছাড়া অন্য কোন কিছুর ভয়েই ভীত নন। আমি যখন মেইলটি লিখছি, আমার চোখ অশ্রুতে ভরে আসছে। বাংলাদেশ থেকে ছয়হাজার মাইল দুরে বিদেশে বসে দেশকে কলিজাতে স্থান দিয়েছি। আল্লাহর কাছে সমস্ত আকুতি দিয়ে প্রার্থণা করি, হে আল্লাহ। তাদেরকে তুমি সাহায্য করো এবং দীর্ঘজীবন দাও। যদি ইসলামের জন্য তাদের জীবনদান তুমি লিখে রাখো তকদীরের খাতায়, তাহলে তাদেরকে জান্নাতুল ফিরদাউস দাও। মৃত্যুর পর চিরকালীন জীবনে আমাকে সেই পূণ্যবানদের সাথে রেখো হে আল্লাহ। মৃত্যুর পর হলেও আমি একবার বলতে চাই, আমার জীবনকে কোরআনের আলোয় আলোকিত করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। আমার পার্থিব জীবনে এতবড় অবদানের পরও আমি অক্ষম আপনার জন্য কিছু করতে পারিনি, ক্ষমা চাই”। উনাদের জন্য দোয়া করে আমি মনের গভীর থেকে বলি ‘আমিন’। পৃথিবীতে কি আর কেউ আছে যিনি এ মজলুমদের জন্য দোয়ায় শামিল হবেন? লেখকঃ ইংল্যান্ডে প্রবাসী চিকিৎসক

ডাঃ মস্তাফা জাহাঙ্গীর ১৯৮৮ সালের কথা, সিলেটে সাঈদী-বিরোধী আন্দোলন তুঙ্গে। আমি তখন সিলেট এমসি কলেজের ইন্টারমিডিয়েটে পড়া ছাত্র। আর দশজনের মতো স্বাভাবিকভাবে আমিও জামাত-শিবির এবং সাঈদীকে চরমভাবে ঘৃণা করতাম। "জাতির পিতার" পোট্রেট ছবি আমার পড়ার টেবিলের সামনে টাঙ্গানো ছিলো, আমার মানসিকতা আশপাশের সবার মতোই ছিলো, সবাই পত্রিকা পড়ে আর শুনে যা মনে করে তেমন। একদিন রিকশায় এক বন্ধুসহ যাচ্ছি। সিলেট আলীয়া মাদ্রাসা মাঠের কাছে গিয়ে দেখি রাস্তা বন্ধ, রিকশা থেকে নেমে যেতে হলো। মাঠ আর রাস্তায় হাজার হাজার মানুষ, গাড়ি যাওয়ার রাস্তা নেই। সাঈদী বক্তব্য রাখছিলেন, তখনকার সরকার তাঁর সিলেট আসা ঠেকাতে পারেনি। নেমে আমরা হেটে হেটে ভীড়ের জায়গাটা পার হচ্ছি, মাইকে তাঁর কথা শুনা যাচ্ছিলো। হঠাৎ যেন আমার সমস্ত অনুভুতি একটা ধাক্কা খেলো। এ মানুষটা কি বলছে? কোরআন শরীফের কি চমৎকার এবং সহজবোধ্য বর্ণনা! কিন্তু তখন শয়তান আমাকে ওখানে বেশিক্ষণ থাকার সুযোগ দেয়নি। সাথে থাকা বন্ধুর তাড়াহুড়োয় আমরা জায়গাটা পেরিয়ে চলে আসি। আমি চলে আসলাম, কিন্তু সাঈদীর অল্প শোনা কথাগুলোই আমার মাথার ভেতর অনুরনণ হতে থাকলো। আমি ভাবলাম, কোন না কোন একদিন উনার বক্তব্য আমি শোনব। এ ঘটনার তিন বছর পর একদিন আমি সময় পেয়ে ভাবলাম শুনে আসি সাঈদী কি বলেন।নিজ ইচ্ছাতেই একাকী উনার এক তাফসীর মাহফিলে গেলাম, কথা শোনার জন্য, বুঝে দেখার জন্য ঘটনা কি! একসময় পরম আশ্চর্যের সাথে শুনতে থাকলাম চিরপরিচিত সুরা ফাতেহার ব্যাখ্যা, তাফসীর। কি চমৎকারই না ছিলো উনার সরল বর্ণনা। জটিল কোন বিষয়কে সাধারণ মানুষের একদম বোধগম্য সহজভাবে বলার সৌন্দর্য্য দেখে আমি হতবাক হয়ে তাকিয়ে থাকলাম। জাতির পিতার ছবিটা আমি সরিয়ে রাখলাম। আমার মনে হচ্ছিলো, ইসলাম নিয়ে আমার আরো ভালোভাবে জানা বুঝা দরকার। জীবিকার তাগিদে ইংল্যান্ডে গত পাঁচ বছর ধরে চিকিৎসক হিসেবে আছি। যান্ত্রিক জীবনে দেশের সাথে প্রয়োজন ছাড়া তেমন যোগাযোগই নেই। তবুও মাঝে মাঝে কোথাও যখন মাওলানা সাঈদীর নাম কানে আসতো বা চোখে পড়তো, আমার স্মৃতিতে ভেসে উঠতো সুরা ফাতিহার তাফসীর শোনার সেই ঘটনা। হায়! এমন মানুষকেও সরকার গ্রেফতার করে ধর্মঅবমাননার দায়ে! নি:সন্দেহে সর্বশক্তিমান আল্লাহ সব কিছুই দেখছেন। তিনি সর্বদ্রষ্টা। সাঈদী এবং তাঁর সাথের অন্যান্য মানুষগুলো, যারা নিজেরা ইসলাম চর্চা করে আর মানুষদের ইসলামের দিকে ডাকে, তাদেরকে কেন এ নির্যাতনের শিকার হতে হচ্ছে তা তিনি সবচেয়ে ভালোই জানেন। এখানে আসার আগে দেশে একটা সেমিনারে গিয়েছিলাম। মাওলানা সাঈদী এবং কবি গীতিকার আবু জাফর সে সেমিনারে বক্তা ছিলেন। আবু জাফর তার বক্তব্যের সময় বললেন “হে আল্লাহ! আপনি আমার আয়ুর ১০ টি বছর সাঈদীকে দিয়ে দিন। আমি দশ বছর সময়ে ইসলামের জন্য যা করতে পারবো, সাঈদী এ সময়ে তার হাজারগুণ সেবা করতে পারবেন ইসলামকে”। এ কথা শুনে আমি সারপ্রাইজড হয়ে পড়েছিলাম। এরপর সাঈদী তার বক্তব্য শুরু করেই বললেন “আবু জাফর ভাই। আপনার দশ বছর আয়ু আমাকে দান করার কোন প্রয়োজনই নেই।যদি আল্লাহ আমাকে অতিরিক্ত দশ বছর দেবার সিদ্ধান্ত নেন, তাকে কারো কাছ থেকেই ধার করতে হবে না। তিনি সর্বশক্তিমান”। সাঈদীর গ্রেফতারের পর থেকে বারবার সেদিনের কথা মনে পড়ছে। আমি বিশ্বাস করি, ইসলামের জন্য কাজ করতে গিয়ে সাঈদী এবং তাঁর যে সহকর্মীরা গ্রেফতার হয়েছেন, তারা আল্লাহ ছাড়া অন্য কোন কিছুর ভয়েই ভীত নন। আমি যখন মেইলটি লিখছি, আমার চোখ অশ্রুতে ভরে আসছে। বাংলাদেশ থেকে ছয়হাজার মাইল দুরে বিদেশে বসে দেশকে কলিজাতে স্থান দিয়েছি। আল্লাহর কাছে সমস্ত আকুতি দিয়ে প্রার্থণা করি, হে আল্লাহ। তাদেরকে তুমি সাহায্য করো এবং দীর্ঘজীবন দাও। যদি ইসলামের জন্য তাদের জীবনদান তুমি লিখে রাখো তকদীরের খাতায়, তাহলে তাদেরকে জান্নাতুল ফিরদাউস দাও। মৃত্যুর পর চিরকালীন জীবনে আমাকে সেই পূণ্যবানদের সাথে রেখো হে আল্লাহ। মৃত্যুর পর হলেও আমি একবার বলতে চাই, আমার জীবনকে কোরআনের আলোয় আলোকিত করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। আমার পার্থিব জীবনে এতবড় অবদানের পরও আমি অক্ষম আপনার জন্য কিছু করতে পারিনি, ক্ষমা চাই”। উনাদের জন্য দোয়া করে আমি মনের গভীর থেকে বলি ‘আমিন’। পৃথিবীতে কি আর কেউ আছে যিনি এ মজলুমদের জন্য দোয়ায় শামিল হবেন?

০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

দ্বিধাদ্বন্দ্ব কাটিয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে নবীজির শেখানো এক অনন্য আমল

লিখেছেন নতুন নকিব, ১১ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৯:০৩

দ্বিধাদ্বন্দ্ব কাটিয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে নবীজির শেখানো এক অনন্য আমল

ছবি অন্তর্জাল থেকে নেওয়া।

মানুষের জীবন মূলত অসংখ্য ছোট-বড় সিদ্ধান্তের সমষ্টি। প্রতিটি বাঁকে, প্রতিটি মোড়ে আমাদের কোনো না কোনো... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্যা ফায়ার অফ মাই সউল

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১১ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৫:১৪

আমি যে ধরণের গান পছন্দ করি, সেগুলোর মাঝে ক্বারি আমির উদ্দিনের 'কুহু সুরে মনের আগুন' গানটি আমার খুব প্রিয়। এই গানটিকে সম্প্রতি ইংরেজিতে অনুবাদ করে গান বানিয়েছি, এনিমেশন... ...বাকিটুকু পড়ুন

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬

লিখেছেন আঘাত প্রাপ্ত একজন, ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ৮:২৬

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬

[সম্ভাবনার ক্রমানুসারে নয়ঃ]

আর্জেন্টিনা: আর্জেন্টিনার সবচেয়ে বড় প্রতিপক্ষ তার ডিফেন্স আর ইনজুরি । ৩৮ বছরের তরুণ(!) সেন্টারব্যাক ওতামেন্দি আর কমপক্ষে এক হালি হাফ-ফিট ফুটবলার নিয়ে ১৯ জুলাই পর্যন্ত... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমার ডক্টর যেন বাঁচে ১৫০ বছর.....

লিখেছেন শায়মা, ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৪



ডক্টরস, হসপিটাল এবং ওষুধ এসব নিয়ে আমার তিক্ত অভিজ্ঞতার শেষ নেই। এ কারনে আমি একদম এদের কাউকেই পছন্দ করি না। তবে কিছু তো করার নেই। জীবনের নানা সময়ে ইচ্ছের... ...বাকিটুকু পড়ুন

কবিতাঃ শরৎ বন্দনা

লিখেছেন ইসিয়াক, ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ১১:৫৯


শরৎ এলেই আকাশ জুড়ে সাদা মেঘের ভেলা
দিনমণি আর মেঘমালার লুকোচুরি খেলা।

রুম ঝুমঝুম নূপুর পায়ে ছুটছে নদীর ঢেউ
ভাটিয়ালি গাইছে গান অচিন সুরে কেউ।

বিলে ঝিলে শাপলা পদ্ম... ...বাকিটুকু পড়ুন

×