হীরক রাজ্যের ভবিষৎ বলে আর কিছুই নাই। আশা নাই আছে তামাশা। প্রশ্নপত্র ফাসের পরেও অকর্মণ্য নির্লজ্জ শিক্ষামন্ত্রী গদি ধরে বসে আছেন। দেশের মেরুদন্ডকে ভেঙ্গে কফিনে ভরে শেষ পেরেকটুকু মারায় ব্যস্ত। পরীক্ষার্থীদের একটা বড় অংশ বেজায় খুশি। যেই সৃজনশীল প্রশ্নে নাকি তারা পাশও করতে পারত না শুধুমাত্র প্রশ্ন ফাসের বদৌলতে তারা A+ পাবে(আহা !!! কি প্রচন্ড মেধাবী)।এই শিক্ষার্থীরা একদিন ডাক্তার হবে,ইঞ্জিনিয়ার হবে। আর পরিনাম ... ৮/১০ বছর লাগিয়ে MBBS পাশ করবে, রোগী মারা যাবে (তাতে দেশের কি!!), সেতু,বিল্ডিং বানাবে যা ২ দিন পরে মাথার উপর ভেঙ্গে পড়বে (তাতে দেশের কি!!), প্লানিং করবে, (ক্যামনে!!)।আর নিত্য নতুন জিনিষ উদ্ভাবন(ওইটা কি মেধা ছাড়া হয়!!!)।
।
।
আমি কিন্তু এ কথা বলছি না যে এই ২০১৪ সালের ব্যাচে মেধাবী শিক্ষ্যার্থী নেই। অবশ্যই আছে। কিন্তু তাদের খুজে বের করে তাদেরকে প্রকৃতভাবে মূল্যায়ন করার যেই পধতি আগে ছিল সেটা আর অবশিষ্ট নাই। ২০০১ সালের এস.এস.সি ৭৬ জন A+ আর আজ ২০১৪ সালে ১,৫০,০০০ এর অধিক A+। শিক্ষ্যার মানে কিন্তু আহামরি উন্নয়ন হয়নি। শুধু A+ পাওয়ার উপায়টাকে শিক্ষ্যার্থীদের কাছে সহজ করে দেয়া হয়েছে। এই সহজ করার সর্বশেষ ধাপ হল বিনামূল্যে প্রশ্নপত্র বিতরন ওরফে প্রশ্ন ফাস। সরকার কিন্তু বেজায় খুশি। তাদের সাফল্যের মাপকাঠি যদি A+ এর সংখ্যা হয় তবে সরকার নিজেই A+।
।
আর হীরক-রাজ্যের বিবেকবান জনগণ!!! A+ এর মিষ্টি খেতে ব্যস্ত।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


