বারলেস্কুনির সংসার
১৮.০১.২০১১
এই গল্পটা বলতে সত্যি দ্বিধা কাজ করে যে
আমার বারান্দার টবে
একটি আয়োজিত লজ্জাবতী গাছ রয়েছে।
বিষয়টা এতোটাই কিঞ্চিৎকর যে বলতে লজ্জাই পাই যেন।
অথচ,
দুনিয়াজোড়া লোকের চোখে কিছুতেই ঘুম নেই...।
রোজ তাকিয়ে তবু আমি পাতাগুলো দেখি...
আমার জ্ঞান আমাকে সাবধান করে দেয় খুব,
...ওটিকে ছোঁওয়া যাবে না কিন্তু......
অথচ,
অপরিনিত বয়েসে কতই না মাড়িয়ে গেছি, অবলীলায়...!
আড়ষ্টতা বাসা বাঁধে কব্জিতে,
আড়ষ্টতা নাকি সচেতনতা?
যাই বলি না কেন, দুটোতেই সাহস লোপ পায়।
অথচ,
প্রজাপতি উড়ে টবের লজ্জাপতির
খুব কাছাকাছি বসলে, আমার কেমন অস্বস্তি কাজ করে।
আমার রূপ-পিপাসু ইন্দ্রিয় সরু হয়ে
হাতের দুটো আঙুলের ডগায় ভর করে।
খুব সাবধানে প্রজাপতির পাখাগুলো হাতের আঙুলে
ধরা পড়লে অমন ছোট্ট পতঙ্গটিও
কী ভীষণ দাপাদাপি শুরু করে দেয়!
তার অনুপাতে চরম চেষ্টাতে অমন নরম পাখাদুটো
ভেঙ্গে যায়, আহারে অমন প্রবল আঁকা পাখা!!!
ভাঙ্গা পাখা থেকে মথটি হুমড়ি খেয়ে পড়ে
লজ্জাপতিটির পাতায়, আর অম্নি কী আশ্চর্য
লজ্জাপতিও তার পাতা গুটিয়ে নেয়!
দুটো আঙুলের মাথায় প্রজাপতির ভাঙ্গা পাখার রঙ নিয়ে
আমি দিব্যি দাঁড়িয়ে থাকি......
সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে জানুয়ারি, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:১৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



