somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

দেশ-বিদেশ-১

০৬ ই নভেম্বর, ২০১৪ ভোর ৬:৪৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আমার ঘুরে বেড়ানো দেশগুলোর ছোট ছোট সাধারণ কাহিনী নিয়ে কয়েক পর্ব লেখার চেষ্টা করবো। ভালো মন্দ এবং পাঠকদের চাহিদার ভিত্তিতে এই লেখা চলবে।

কলকাতা ২০০৭ সাল। ইন্ডিয়াতে ঘুরা এবং কাজ শেষ করে দেশে চলে আসছি। শ্যামলী বাসে ফিরবো। তাই কলকাতায় শ্যামলী বাসের কাউন্টারে বসে আছি সাথে আমার জামাইবাবু। খুব সিগারেট খেতে ইচ্ছা করছে তাই জামাইবাবুকে বসিয়ে বাহিরে এলাম সিগারেট খেতে।

১২/১৩ দিনে ওদের ছোট ফিল্টারের সিগারেট খেতে খেতে বিরক্ত হয়ে গেছিলাম। একটু পাশে একটা টঙ্গের মতো দোকানে গিয়ে চোখ ছানা বড়া দেখি বাংলাদেশী সিগারেটে ভর্তি। জলদি একটা গোল্ডলিফ কিনে টানা শুরু করলাম। এমন সময় দেখি এক মহিলা বয়স ৪০/৪২ হবে আমার দিকে এগিয়ে আসছে। তার দুই হাতে ব্যাগে সবজি বাজার ভর্তি। এসে কোনো কথা নেই আমার কাছে এসে বললো বাবা আমাকে ১০টই টাকা দেবে সকাল থেকে খাই নাই। আমি অবাক হয়ে মহিলার দিকে তাকিয়ে থাকলাম আর ভাবতে থাকলাম এই মহিলা কি বলে এইসব। যাই হোক হাতের ইশারায় মহিলাকে তাড়িয়ে দিলাম।


যেই দোকানে সিগারেট কিনেছিলাম যে আমার বাঙ্গালী ছিলো না ছিলো বিহারের। তাকে যেয়ে বললাম দেখছো নি কারবার। সে বললো এখেনে বাংলাদেশী ছাড়া এতো দামী সিগারেট কেউ খায় না। এবং তাদের ধারণা এদের অনেক টাকা পয়সা হয় আসলে বাংলাদেশীদের কলকাতায় গিয়ে দুই হাতে টাকা পয়সা খরচের স্বভাবের জন্যই তাদের এই ধারনা। কিছু লোক আছে এরা ওঁত পেতে থাকে বাংলাদেশীদের জন্য। আসলেই যাতে এইভাবে টাকা নিতে পারে। মহিলার হাতে বাজারের ব্যাগ ছিলো তাই হয়তো টাকা পায়নি তা না হলে কিন্তু আমার মন গলে যেতো।

এখন অবশ্য পরিস্থিতি বদলেছে তবে তাও বেনসন সিগারেট খেলে এরা ট্যারায় ট্যারায় তাকায়। কাছে এসে ভাব জমাতে চেষ্টা করে সিগারেটে একটা টান দেওয়ার জন্য। দাদা কি বাংলাদেশ থেকে এসেছেন নাকি। আমার বাবার বাড়িও কিন্তু বাংলাদেশে ছিলো। পাত্তা দেই না পাত্তা দিলেই সমস্যা।

আর লিখবো না!! লেখা কেমন হলো জানাবেন। আপনাদের ভালো লাগার উপর এই রকম নিরামিষ নয় আরো মসলাদার ভ্রমণ কাহিনী লিখবো!!

#*#*#*#ছবিটা আসল নয় তবে এরকমি ছিলো!!
সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই নভেম্বর, ২০১৪ ভোর ৬:৪৬
১১টি মন্তব্য ১১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

মাদ্রাসা শিক্ষা একটা কর্মবিমুখ শিক্ষা

লিখেছেন ধূসর সন্ধ্যা, ২৫ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৮:১৫

এদেশের মাদ্রাসা শিক্ষারে আপনি একটা স্ক্যাম হিসেবে ধরতে পারেন। মাদ্রাসার বোর্ডের নিয়ন্ত্রণে যে মাদ্রাসাগুলো আছে সেগুলো বাদ দিয়ে অন্য সব মাদ্রাসাই এই স্ক্যামের ভেতরে। এটা একটা ভিক্ষার সাইকেল, দারিদ্র্য'র দুষ্টু... ...বাকিটুকু পড়ুন

ঝর্ণা জল

লিখেছেন আলমগীর সরকার লিটন, ২৫ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১১:২১


আমি ব্যস্তবতা দেখি
পানকৌড়ির সাঁতার-
কল্পনায় শুধু স্বপ্ন আঁকি,
মধ্যবিকাল ঢেউ তোলা সাগর
হতাশা ডিঙিয়ে যায়- নিরিবিলি
রাত দুপুরের বাসর।

উড়ে ধোয়া, নিঃশ্বাসে সাদা বক,
খেলা করে যে, প্রণয়ের চক-
নীল মেঘ ভীর জমায়, বর্ষা কাঁদাময়,
ভোরের ক্লান্তি দেখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

নিশীথের মুঠোয় - কেয়া ।

লিখেছেন দানবিক রাক্ষস, ২৫ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৫:১৪



আমি সূর্যোদয়ের অপেক্ষায়,
হিমশীতল সকালের ভেতর নত চোখে চেয়ে আছি।
হিমার্ত জানালায় জমে ওঠে নিঃশ্বাসের মেঘ—
আঙুল বুলিয়ে মুছে দিই;,
যদিও জানি, আজ সেখানে তোমার পদচিহ্ন নেই।

শরতের বৃক্ষেরা পত্রমোচনের ভাষা জানে;
আমি কেবল তোমার... ...বাকিটুকু পড়ুন

জিম করা কি হারাম?

লিখেছেন চারাগাছ, ২৫ শে অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:০৬




জিম করা কি হারাম?

হ্যাঁ, জিম করা হারাম!

যদি জিমে গিয়ে নিজের পেশিবহুল বাহুডোরে কোনো ললনাকে জড়িয়ে ধরেন!

কিন্তু তারপরেও কথা থাকে।

এখানে জড়িয়ে ধরাটা হারাম। জিম করাটা নয়!

অর্থাৎ, জিমে গিয়ে শরীর... ...বাকিটুকু পড়ুন

প্রচন্ড রোদে

লিখেছেন সাইফুলসাইফসাই, ২৫ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:০০

প্রচন্ড রোদে
সাইফুল ইসলাম সাঈফ

রূপসী এদিক ওদিক কী খুঁজো
মনের মতো কাঙ্ক্ষিত পুরুষ
এভাবে সোনালি কতোদিন বিনষ্ট করবে
আমায় একটু ভেবে দেখো।
শূন্য হৃদয় নিয়ে কেঁদে মরি
কেউ নেই পাশে, গেছে সবাই ছাড়ি।
দরিদ্র বলে জুড়েনি তাই... ...বাকিটুকু পড়ুন

×