অগণিত আলোকবর্ষ দূরের সেই নক্ষত্র, বারবার বদলে যাচ্ছিলো
তার ভরকেন্দ্র; এবং সেখান থেকেই মাধ্যম ও শূন্যমাধ্যম পেরিয়ে
অপূর্ব ব্যাপনে, কারও কারও নাকে এসে লাগছিলো বিচিত্র সব সুগন্ধী;
আমরা হয়তো প্রকারান্তরে নিজেদেরই নাম উচ্চারণ করবো, কিন্তু,
বিশ্বাস করুন, হে বিগত ও আগামি দিনের মানুষ, এটাই সত্য যে,
প্রকৃত নামোচ্চারণের কাল বয়ে যাচ্ছে আমাদের সমকালে। আমরা কি
দেখতে ও বুঝতে পেরেছি সবকিছুই? তা না হলে, কি বা কেন?
এইসব প্রশ্ন উচ্চারণের সময় আমাদের জিহ্বার আড়ষ্ঠতা কীভাবেে
এতো খ্যাতিমান হয়ে উঠলো? আমাদের পেট কি এতোই পরিপূর্ণ, যে,
সহনশীল আর ভারবাহী হয়ে উঠলো আমাদের গার্ধব্যসম্ভব পীঠ?
ক্ষৌরকর্মে এতোগুলো শতাব্দী কেটে গেলো; অথচ জলের ভেতরেও
এমন কোনও তিরোধান-বিন্দু শনাক্ত করতে পারলাম না আমরা,
যেখানে ডুব দিয়ে, নিঃসঙ্কোচে সময়হীনতার দিকে চলে যেতে পারি,
এই ভেবে যে, আমরা তো বৃষ্টিদুপুরে শ্লেটে-চকে কাটাকাটি খেলছিলাম!

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


