বেশ্যা রূপী গণিকা মেয়েটির তাই নিশ্চয় প্রতিরাতে দিতে হয়না অশ্রু বিসর্জন।
কিন্তু কান্না তো তার থাকবেই অঢেল, প্রাকৃতিক নিয়ম,
সে কান্না জমিয়ে রাখে কি করে?
নাকি অচেনা কষ্টের এমন কোন নিম্ন তাপ আছে যার ছোঁয়ায় বরফ হয়ে যায় অশ্রু।
আর তাই কেবল ঝরে পড়ে হঠাৎ গভীর আবেগে ঘনমেঘের ঘনঘটায়।
জনম জনম কাঁদার অসম্ভবতা এড়িয়ে তবুও কি জনম ভরে কাঁদতে সাধ জাগেনা
কোন অর্বাচীনের কোন এক দিশেহারা ক্ষণে?
হয়তো জাগে, তাইতো গভীর আবেগে আপ্লুত সে মেয়েটি,
যে প্রেম সাগরে বিপদ মাড়িয়ে দুর্বল ভেলা ভাসিয়ে দেয় ,
সেও যখন আসতে বাধ্য হয় তীরে, সমার্পিত হয় অন্য পুরুষের কাছে;
সে তখন জনম জনম একাকী নিরালায় কাাঁদতে চায় ,
কাঁদতে চায় সেই পুরুষটির জন্য যার সাথে ভয় হারিয়ে ভাসিয়েছিল ভেলা
অথৈ অজানা বিপদ সঙ্গুল সাগরে।
কিন্তু সে মেয়েও জনম জনম কাঁদতে পারেনা, যে পুরুষের কাছে সে সমার্পিত হয়
তার সাথে নতুন সাগর মাঝে ঘুরে বেড়ায়।
সেখানে দূর্বল ভেলা থাকেনা, থাকে সবল তরনী, অন্তত দৃশ্যতঃ।
জনম জনম কাঁদা আর তাই সম্ভব হযনা।সময়ের প্রভাবে পুরোনো সাগরের স্মুতি তার কাছে অতীত হয়ে যায়।
জনম জনম কাঁদার সাধ অনেকেরই হয়।
সে ইচ্ছে হয় যখন হারিয়ে যাই অজস্র বিসদৃশ্যের জটিলতায়।
কিন্তু জনম জনম কাঁদার মত দুঃসাহস মানবের নেই,
জনম জনম ধরে এক মানব শুধু নিজের মাঝে আবর্তিত হয়;
কখনও ঘন মেঘ এসে অশ্রু ঝড়ায় ঠিকই আবার কখনও বয়ে যায় মরুর ধূলো ঝড়
আবার কখনও সে ভাবান্তর হীন বিমূর্তর্ নিথর !!!
জনম জনম কাঁদার সম্ভাবতা এড়িয়ে তাই প্রতি মানবের মাঝে কোন মহাশক্তির অজানা খেলার প্রতিচ্ছবিই যেন শুধু হয় প্রতিয়মান ।
[আন্ডার]30/10/2001[/আন্ডার]
সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই আগস্ট, ২০০৬ রাত ১১:২১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


