somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

এইতো আমাদের ঋতানৃত দেশপ্রেম। ।দেশপ্রেমের প্রদর্শনে আমরা ভীষণ পারদর্শি

২০ শে অক্টোবর, ২০০৬ রাত ৮:৩১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

দেশপ্রেম এক জটিল ইমোশনাল বিষয়। এমনেতেই ইমোশন জিনিসটাই বেশ সমস্যা জনক। সর্বদা ইমোশন এ একটা ওয়েল ব্যলেন্স থাকা উচিৎ সর্বক্ষেত্রে, না থাকলেই শুর হয় সব সমস্যা। ইমোশন ছাড়া মানুষ ঠিক মানুষ নয় আবার অতিরিক্ত ইমোশন মানুষ কে অন্ধ করে দেয় ভারচুয়ালী, ভুলের সূত্রপাত ঘটাতেই থাকে । ডাক্তারী বিদ্যে মতে মেয়েরা বেশী ইমোশনাল । প্রেমের মাঝে বিহন বিরহ এবং সহজ বাংলায় ছ্যাকা ঘটিত সমস্যায় তাদের বুঝি সেই কারণেই বেশী ভুগতে হয়। তো ওয়েল ব্যালেন্স দরকার , খেয়াল করে মনে রাখি।

এই তো গোলো ইমোশন , দেশপ্রেম কে আবার আখ্যা দিয়েছি জটিল ইমোশন বলে । ডঃ ইউনুস নোবেল পাইছেন গত ১৩ ই অক্টোবর। দেশের নাম উঠেছে একজন বিতর্কিত মানুষের ঘারে ভর দিয়ে দেশ বিদেশে। ওনার নোবেল প্রাপ্তির বিপক্ষে কথা বলতে গেলেই শুরু হয়ে যাচ্ছে দেশপ্রেম নিয়ে সংশয়। প্রত্র পত্রিকা তাই দেশ প্রেমের ধুয়ো তুলেছে এবং তুলছে ডঃ ইউনুস কে মগডালে তুলে ফ্লাশের পর ফ্লাশ মেরে মেরে। টিভি নামক জবরজং সব মিডিয়াও সুযোগ পেয়েছে দেশ প্রেম দেখানোর।

গুনিজনেরা বলছেন বিদেশিরা কি ভুল বুঝেছে? অন্য দেশে ওনার গরীব কে গরীব করার ( সরি দারিদ্র নিরসনের) অব্যবসায়ী ব্যবসা র মডেল ফলো করছে কি ওরা ভুল করে? , যাদের দেশ প্রেম নাই তারাই কুৎসা রটাচ্ছে।
হ! বিদেশিদের দিকে মাথা ঘুরিয়ে আমরভ নিজের দিশে কে ভালবাসতে হবে। তাইনা। কেন নিজের দেশে বসে বসে দেখতে পাই যে , চড়া সুদের ভারে কোমড় গুজো করে হাঁটা ঋণাসক্ত মানুষগুলোরে। দেখি যে সুন্দর ব্যবসার আড়ালে নিজস্ব আর্থিক শান্তি নিয়ে শান্তির কিসুন্দর মহার্ঘ্য পেয়ে যায় একজন বহিবিশ্বের মাঝে। সেই ব্যক্তির আপন শান্তির পর্দার আড়ালে অশানিত তে , দারিদ্রে এখনও কষ্ট পাওয়া মানুষগুলোর মনের অশান্তি দেখার মত ক্যামেরা কি বহিবিশ্বের নাক উঁচু দের আছে। থাকলেই কি আর না থাকলেই কি? আমার এত কাছে দেশের ভিতরে ১৪ কেটি মানুষের মেক্সিমাক ই অশান্তির কুঠারে মাথা রেখে দুমুঠো খায় দায় নিত্য , সে তো আমি আপনারা দেখি। পকেটে ১ টাকা নিয়ে আমি ১০০টাকার ফুটানি দেখালেই কি দেশ উদ্ধার হবে, দেশপ্রেম হবে ?

ডঃ ইউনুস নাকি আবার এও বলেছেন নোবেল পাওয়ার পর। ...্তু১৩ই সেপ্টেম্বরের আগের আর পরের বাংলাদেশ এক দেশ না। ্থ হ তাইই তো। নোবেল পাওয়ার পর আমরা দেশেপ্রেম সো করার জটিলতায় ভুগতেছি।
নোবেল পাইছে তাও আবার শান্তিতে , আহা ! আমরা গর্বিত। হয়ে গেল দেশ প্রেম। ওদিকে চুলোয় হাড়ি আছে চাইল নাই। হেগোর দিকে তাকাইলে -- ওতো দুএকটা বিচ্ছন্ন ঘটনা। দেশপ্রেম নাই তাই ওসব বলে বেড়াই। টিপিক্যাল ভাবলেশহীন, আত্ম উন্নয়ন লিপ্সু ও পারদর্শী পলিটিশিয়ান তো দেশে ছড়ানো ছিটানো। ভালই পলিটিকস শিখে ফেলছি আমরা।

দেশে চরম রাজনৈতিক সংকট। এক নেত্রী স্ব্বপরিবারে উমরায় , আরেকজন আমেরকিা। সংলাপের কলে চাবি ঘুরিয়ে গেছেনা। ভীষণ দেশপ্রেম। কাল দেশের কি হবে মাথা ঘামানোর সময় নেই, আজ গদিতে ঘুনে পোকা কেন , মার মার। হে দেশের অপমান, দেশপ্রেম নাই।

নদীতে একজন বাঁধ দিয়েছে অনেক টাকা খরচ করে বর্ষায় । না দিলে জমিতে পানি ঢুকছিল হরহর করে। বেশ ভাল । ভীষণ দেশপ্রেমিক। শীতকাল । পানি কমে গেছে। এখন নদীর পানি আর জমিতে আসতে পারেনা। জমিতে সেচও হয়না। চাষ বন্ধ। এখন কি হবে। সব চাষী মিলে তারে বলল বাঁধ ভাঙ্গ। না সে ভাঙবেনা। তার খরচ হয়েছে অনেক টাকা। সরকাররেও বাঁধের জন্য রাজী করাতেও অনেক তেল পয়সা গেছে। সে অনঢ়। বাঁধ আগলে রাখা ই তার কাছে দেশ প্রেম হয়ে দাঁড়ালো।
কিন্তু ঐ হালার পুত বুঝলনা বাঁধ ভাঙলে পানিতে যে পরিমাণ চাষাবাদ হবে ওমন আরও দশটা বাঁধ দেয়া যাবে। চাষীরা সরকার রে বুঝাইতে চাইল। সরকার কয় বাঁধ ভাঙার নিয়ম নাই। সবাই দেশপ্রেমিক। আইন প্রেমিক। চাষীরা ও শান্তি প্রিয় দেশপ্রেমিক। রাগে যে লোক বাঁধ দিয়েছিল তার বাড়ীর গেটে বড় করে লিখে দিল তার নতুন নাম কে, এম, বাঁধবাঁচান।

২১/১০/২০০৬( মেজাজ বেশী খারাপ হয়েছিল প্রভাতে তাই)
সর্বশেষ এডিট : ২০ শে অক্টোবর, ২০০৬ রাত ৮:৪৩
৯টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ম্যাজিস্ট্রেট

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৫:০০



আমাদের এলাকায় নতুন একটা ওষুধের দোকান হয়েছে।
অনেক বড় দোকান। মডেল ফার্মেসী। ওষুধ ছাড়াও কনজ্যুমার আইটেম সব পাওয়া যায়। আমি খুশি এক দোকানেই সব পাওয়া যায়। আমাদের এলাকায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

আল্লাহ্‌কে কীভাবে দেখা যায়?

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:২৩

যে কোন কিছু দেখতে হলে, তিনটি জিনিসের সমন্বয় লাগে। সেই জিনিসগুলো হচ্ছে - মন, চোখ এবং পরিবেশ। এই তিন জিনিসের কোন একটি অকেজো হয়ে গেলে, আমরা দেখতে পারি না। চিন্তা... ...বাকিটুকু পড়ুন

আজকে জুলাইযোদ্ধাদের উপর পুলিশের ন্যক্কারজনক হামলার তীব্র নিন্দা জানাই।

লিখেছেন তানভির জুমার, ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ৯:১৪

জুলাই যারা ঘটিয়েছে, তাদের উপর পুলিশের কী পরিমাণে ক্ষোভ, এটা ইলেকশনে যাস্ট বিএনপি জেতার পরই টের পাবেন।
আমি বলছি না, বিএনপির ক্ষোভ আছে।
বিএনপি দল হিসেবে অকৃতজ্ঞ হতে পারে, কিন্তু জুলাইয়ের উপর... ...বাকিটুকু পড়ুন

পাশা : বাংলাদেশের নতুন জাতীয় খেলা

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১:৩৯


"ও শ্যামরে, তোমার সনে একেলা পাইয়াছি রে শ্যাম, এই নিঠুর বনে। আজ পাশা খেলব রে শ্যাম।" প্রয়াত হুমায়ূন ফরীদির কণ্ঠে ছবিতে যখন এই গান শুনেছিলাম ,তখন কেউ ভাবেনি যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

তারেক রহমানের নির্বাচনী ইশতেহার এবং আমার পর্যবেক্ষণ

লিখেছেন জীয়ন আমাঞ্জা, ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৩:৪৭

বিএনপির প্রতি আমার যথেষ্ট ভালোবাসা কাজ করে, এবং ভালোবাসা আছে বলেই আমি তার প্রতিটি ভুল নিয়েই কথা বলতে চাই, যাতে সে শোধরাতে পারে। আপনিও যদি সঠিক সমালোচনা করেন, সত্যকে সত্য... ...বাকিটুকু পড়ুন

×