সেই আদি কাল হতেই বিনিময় বা লেনদান মানুষের অন্যতম সহজাত জীবনযাপন প্রণালীর অংশ।
এভাবে একটা ফিলোসফিক্যাল লাইন লিখে ফেলা খুব সহজ। কিন্তু যথার্থতা নিরুপণ অতো সহজ নয়। প্রথমেই তো খটকা বাঁধবে আদি কাল বিষয়ে । আদিকাল হিসেবে আসলে কোনকাল ধরা উচিৎ খুবই স্পর্শকাতর সমস্যা।
এই তর্ক শুর করলেই তাহা ছাকুনীর জালির মতো অৎস্র্র তর্কের ধারা প্রবাহিত করতে থাকবে। সেখানে ধর্ম আসবে , বিজ্ঞান আসবে, যুক্তি আসবে, বিশ্বাস আসবে , নৃতত্ব আসবে, সত্যও সাথে মিথ্যে আসবে। তর্কের বিনিময়ে তর্ক আসতেই থাকবে। তখন আমরা পাব এক অসীম তর্ক বিনিময়।
মূল সুর তোলাই তাই শ্রেয়তর। গিভ এন্ড টেক। হ্যাঁ । তাই। নাও দাও। দাও নাও।
মিথ্যে ভালবাসা দাও । মিথ্যে সোহাগ নাও। অথবা উল্টো। মিথ্যে তো কি, নেয়া দেয়া তো হচ্ছেই।
মোবাইলে টাকা খরচ করে ভিন্ন জাতির কাউকে কল দাও। ওপাশে দেবে ভার্চুয়াল পরশ, চুমু। এসবই তো আধুনকি টেকনিক্যাল লেনদেন।
সেই আদিমে লেনদেনে ছিল সেক্স আবার খাবারের অগ্র ভূমিকা। সাথে শক্তি প্রদর্শন।ঘাড় মটকাও পূজা নাও।
গোপনে কোন কাজ করে দাও কারও বিনিময়ে ঘুষ। কেউ আবার ঘুষের সাফাই গাইবে তোমরই পক্ষে কারন তুমি তাকে দেবে কোন সাপোর্ট। ঘুষ সর্বযুগীয় পন্থা। ইহাও বিনিময়। তবে স্বীকৃত নয়।
আধুনিকতার চরমে যখন জাতি পৌঁছায় সেখানে ও যুব সমাজ ভালবাসা ভাসি খেলায় জড়ায় আর এটা সেটা বিনিময় চলেই। এমনও বিশ্বাস জাগে যার মুখ্য কথা প্রেম করলে অনেক কিছুই লিগাল। সেখানেও বিনিময়।
কেউ টাকা দেয় কেউ দ্রব্য। সবচেয় সহজ উদাহরণ এই বিনিময়ের। টাকা আবিষ্কারে আগে যার যার দ্রব্যের প্রয়োজনীয়তা সাপেক্ষে হতো বিনিময়। ...
বিনিময়ে কেউ কম পায় কেউ বেশী। তবে যার যার অবস্থানে সে কম বেশী লাভবান।
চিরকালের এই যে মহা সত্য বিনিময়, ইহার ফলশ্রতিতে পৃথিবীতে টিকে থাকা সহজ তর হলেও মানব জীবনে এর মাধ্যমে এমন আরও একটি বিশ্বাস দৃঢ় শিকড় গেড়েছে যার প্রভাবে মাটির তলে অনেক আলগা স্থান চু আড়ালে থেকে যায়।
সেই বিষয়টি হলো বিনিময় শিখিয়েছে বিনিময় ছাড়া এই পৃথিবীতে কিছু হয়না। কম বেশী সবাই স্বার্থ পর।
আসলে কোন ব্যাখা মূলক কিছূ লেখার জন্যে এই পোষ্ট না। বিশ্লেষন করা গেলেও করপার ইচ্ছা না হওয়ায় তাও করা হলোনা।
এটা আসলে ব্লগ আমাকে অনেক আনন্দ দিয়েছে, দিয়েছে অনেক সুন্দর সময়ের মহাসুন্দর মৃত্যু। তাই ব্লগের জন্যে দিলাম কতগুলো শব্দ। ব্লগীয় বিনিময়।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

