somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

পথিক!!!!!!!
যুদ্ধাপরাধীর ফাঁসি চাই

এই তো বিনিময়

০৩ রা মে, ২০০৭ বিকাল ৩:৩২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



সেই আদি কাল হতেই বিনিময় বা লেনদান মানুষের অন্যতম সহজাত জীবনযাপন প্রণালীর অংশ।

এভাবে একটা ফিলোসফিক্যাল লাইন লিখে ফেলা খুব সহজ। কিন্তু যথার্থতা নিরুপণ অতো সহজ নয়। প্রথমেই তো খটকা বাঁধবে আদি কাল বিষয়ে । আদিকাল হিসেবে আসলে কোনকাল ধরা উচিৎ খুবই স্পর্শকাতর সমস্যা।
এই তর্ক শুর করলেই তাহা ছাকুনীর জালির মতো অৎস্র্র তর্কের ধারা প্রবাহিত করতে থাকবে। সেখানে ধর্ম আসবে , বিজ্ঞান আসবে, যুক্তি আসবে, বিশ্বাস আসবে , নৃতত্ব আসবে, সত্যও সাথে মিথ্যে আসবে। তর্কের বিনিময়ে তর্ক আসতেই থাকবে। তখন আমরা পাব এক অসীম তর্ক বিনিময়।

মূল সুর তোলাই তাই শ্রেয়তর। গিভ এন্ড টেক। হ্যাঁ । তাই। নাও দাও। দাও নাও।
মিথ্যে ভালবাসা দাও । মিথ্যে সোহাগ নাও। অথবা উল্টো। মিথ্যে তো কি, নেয়া দেয়া তো হচ্ছেই।

মোবাইলে টাকা খরচ করে ভিন্ন জাতির কাউকে কল দাও। ওপাশে দেবে ভার্চুয়াল পরশ, চুমু। এসবই তো আধুনকি টেকনিক্যাল লেনদেন।

সেই আদিমে লেনদেনে ছিল সেক্স আবার খাবারের অগ্র ভূমিকা। সাথে শক্তি প্রদর্শন।ঘাড় মটকাও পূজা নাও।

গোপনে কোন কাজ করে দাও কারও বিনিময়ে ঘুষ। কেউ আবার ঘুষের সাফাই গাইবে তোমরই পক্ষে কারন তুমি তাকে দেবে কোন সাপোর্ট। ঘুষ সর্বযুগীয় পন্থা। ইহাও বিনিময়। তবে স্বীকৃত নয়।

আধুনিকতার চরমে যখন জাতি পৌঁছায় সেখানে ও যুব সমাজ ভালবাসা ভাসি খেলায় জড়ায় আর এটা সেটা বিনিময় চলেই। এমনও বিশ্বাস জাগে যার মুখ্য কথা প্রেম করলে অনেক কিছুই লিগাল। সেখানেও বিনিময়।

কেউ টাকা দেয় কেউ দ্রব্য। সবচেয় সহজ উদাহরণ এই বিনিময়ের। টাকা আবিষ্কারে আগে যার যার দ্রব্যের প্রয়োজনীয়তা সাপেক্ষে হতো বিনিময়। ...
বিনিময়ে কেউ কম পায় কেউ বেশী। তবে যার যার অবস্থানে সে কম বেশী লাভবান।

চিরকালের এই যে মহা সত্য বিনিময়, ইহার ফলশ্রতিতে পৃথিবীতে টিকে থাকা সহজ তর হলেও মানব জীবনে এর মাধ্যমে এমন আরও একটি বিশ্বাস দৃঢ় শিকড় গেড়েছে যার প্রভাবে মাটির তলে অনেক আলগা স্থান চু আড়ালে থেকে যায়।

সেই বিষয়টি হলো বিনিময় শিখিয়েছে বিনিময় ছাড়া এই পৃথিবীতে কিছু হয়না। কম বেশী সবাই স্বার্থ পর।


আসলে কোন ব্যাখা মূলক কিছূ লেখার জন্যে এই পোষ্ট না। বিশ্লেষন করা গেলেও করপার ইচ্ছা না হওয়ায় তাও করা হলোনা।

এটা আসলে ব্লগ আমাকে অনেক আনন্দ দিয়েছে, দিয়েছে অনেক সুন্দর সময়ের মহাসুন্দর মৃত্যু। তাই ব্লগের জন্যে দিলাম কতগুলো শব্দ। ব্লগীয় বিনিময়।

৩টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

শেখ হাসিনা ও তাঁর মন্ত্রীবর্গের দেশবাসীর কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিত নয় কি?

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ২৩ শে জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪৪

"হে কাবা! তুমি কতই না উত্তম, তোমার সুঘ্রাণ কতই না চমৎকার! তোমার মর্যাদা কতই না মহান! তবে সেই সত্তার শপথ, যাঁর হাতে মুহাম্মদের প্রাণ! নিশ্চয়ই আল্লাহর কাছে একজন মুমিনের জান,... ...বাকিটুকু পড়ুন

স্পর্শে_ _ _ _ _

লিখেছেন মায়াস্পর্শ, ২৩ শে জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:০০

-কি পাও আমার মাঝে ?
-দুটি চোখ।
যেখানে আমার সর্বসুখ নিহিত,
ছমছমে সন্ধ্যা, ভয় জাগানিয়া অন্ধকার রাত,
এসব বৃথা হয়ে যায়,
তোমার একটি ছোঁয়ায়।
তোমার চোখের একটি পলক, আমার হাজার বছর,
আর কি... ...বাকিটুকু পড়ুন

মরীচকাি ও নক্ষত্র

লিখেছেন মহিউদ্দিন হায়দার, ২৩ শে জুন, ২০২৬ রাত ৮:১০


মেয়েটি অত্যন্ত শান্ত ভঙ্গিতে টিস্যু পেপার দিয়ে ঠোঁটের কোণ মুছে নিল। তারপর সরাসরি আমার চোখের দিকে তাকিয়ে অবলীলায় বলল, "নীল, আমি প্রেগন্যান্ট!"
আমি তখন চায়ের কাপে সবেমাত্র একটা অসতর্ক চুমুক দিয়েছি।... ...বাকিটুকু পড়ুন

বেসুরো গলায় গান গাওয়ার অপরাধে

লিখেছেন মাহদী হাসান শিহাব, ২৩ শে জুন, ২০২৬ রাত ৯:০৯


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) বাংলা বিভাগের অধ্যাপক চৌধুরী মো. তাশরিক-ই-হাবিবকে একাডেমিক কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে

যে কোন সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় পপুলিস্ট দিক ও ন্যায়বিচারের দিক উভয়ই খেয়াল রাখতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

নীল গ্রহের শেষ প্রেম // কেয়া এবং আমি।

লিখেছেন দানবিক রাক্ষস, ২৪ শে জুন, ২০২৬ বিকাল ৩:১৯



আমি ভেসে আছি মহাশূন্যে।
আমার শরীরে রূপালী স্পেসস্যুট।
চারপাশে অসীম অন্ধকার।
আর আমার সামনে দূরে জ্বলছে এক নীলাভ-সবুজ গ্রহ—
Earth-666।
এই গ্রহেই আমার জন্ম।
এই গ্রহেই আমি প্রথম প্রেমে পড়েছিলাম।
আর এই গ্রহই আমার কাছ থেকে সবকিছু... ...বাকিটুকু পড়ুন

×