
গরীবের লেখাপড়া। সকালের রোদে ছেঁড়া ছালায় বসে বসার পিঁড়ি ও বসার টুলকে টেবিল বানিয়ে চলছে লেখাপড়া। পড়া অবস্থায় ঘরে খেতে গেলে সময় নষ্ট। তাই পড়ার টেবিলেই চারটে ডাল ভাত খেয়ে নিচ্ছে। ছেঁড়া ছালায় বসে লেখাপড়া করলেও এদের অবহেলা করা যাবে না। হয়তো এরাই একদিন আতিয়ার রহমানের মত বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর হতেও পারে।
ছবি-০২

শীতের কাছে তো আর গরীব ধনী নেই। সবাইকে সমানভাবে জেঁকে ধরে। তাই শীত নিবারণের জন্য চলছে কাঁথা সেলাই।
আহারে কাঁথা সেলাই! লেপ তোষক আর কম্বলের ঠেলায় এই সেলাই চর্চা এখন উঠেই যাচ্ছে। অথচ আগে বাংলার প্রত্যেক মহিলাকে কাঁথা সেলাই যোগ্যতা অর্জন করতে হতো। তা না হলে স্বামীর ঘরে কত বঞ্চনার শিকার হতে হতো।
ছবি-০৩

ছবি-০৪

কুকুর হলেও ওদের তো আরাম আয়েশের দরকার আছে। শীতের বিকালে রোদ্রস্নাত হালকা রোদে লাইন ধরে চলছে দিবা নিদ্রা। ছবিটি শিল্পকলা একাডেমি থেকে তোলা।
ছবি-০৫

মানুষ অভ্যাসের দাস। তবে কিছু কিছু পশু পাখিও এর বাইরে নয়। পোষা কবুতর। প্লেটে খাবার খেয়ে অভ্যাস। তাই এদের খাবার সবসময় প্লেটেই দিতে হয়। মাটিতে খাবার দিলে খান না।
সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ রাত ১০:১২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



