আসলেই শাসন ব্যবস্থার ওপর আমাদের কোন নিয়ন্ত্রণ নেই। একজন ভোট দিলাম তো খালাস। মেয়াদকালে তিনি আমার জন্য কোনো দায়িত্ব পালন করলেন কি করলেন না তা বলা-কওয়ার কোনো সুযোগ নাই। তাই মেয়াদকালে তিনি যদি জনদায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়, জনগণ যদি তাকে প্রত্যাহার করতে চায়, তাহলে তা করার বিধান তৈরি করা খুবই জরুরি।
কিন্তু, এরজন্য নাগরিক সমাজ কী করতে পারি/
বলে নেয়া ভালো রাষ্ট্রের সংজ্ঞা বদলেছে। এখন আর শুধু আইন বিভাগ, বিচার বিভাগ, শাসন বিভাগ নিয়ে রাষ্ট্র নয়। আধুনিক রাষ্ট্রের উপাদানের সাথে আরো তিনটি জিনিস যোগ হয়েছে। আর তা হচ্ছে বাজার, নাগরিক সমাজ এবং গণমাধ্যম।
গত সময়গুলোতে আমরা যখনই ভেঙ্গে পড়েছি গণমাধ্যমসমূহ আমাদের সাহস যুগিয়েছে নানাভাবে। আজকে নাগরিক সমাজ থেকে এসব বিষয়ে আলোচনা তৈরি করছে। নাগরিক সমাজ থেকে উদ্যোগ নিতে হবে সংসদ, সংসদ সদস্য, নির্বাচন ও ভোটের অধিকার সম্পর্কে মানুষ বিশেষভাবে সচেতন করা। আমার ভোট আমি দেব দেখে শুনে বুঝে দিতে হবে। আর অবশ্যই সমাজের একটি অংশকে জোর ভূমিকা নিতে হবে এ জন্য যে, সকল স্তরে যেন জননিয়ন্ত্রণ তৈরি হয়। জনপ্রতিনিধিরা যেন বুঝতে পারেন শেষ বিচারে জনতাই সব। এরজন্য সকল পর্যায়ে একটি শক্তিশালী প্রেসার গ্র“প তৈরি করা জরুরি। তাহলে একটি জবাবদিহিমূলক, স্বচ্ছ ও শক্তিশালী বাংলাদেশ তৈরি হবে।
আমি প্রথমে দুনিয়ার বিভিন্ন দেশের কিছু উদাহরণ দিয়েছিলাম। এ বিষয়গুলোকে আমি আলাদা কিংবা বিছিন্ন মনে করছি না। দুনিয়ার সকল বিষয়াষয় এর সাথে পারষ্পরিক যোগাযোগ ও প্রেষণা থাকে। আমি বরং এ সমূহ পরিবর্তনের সাথে আমাদের কানসাট ও শনির আখড়ার একটি যোগাযোগ খোঁজার পক্ষপাতী।
আমি এ বিষয়গুলোকে সামাজিক রাজনৈতিক আন্দোলন হিসেবে বলতে চাই। এ সামাজিক রাজনেতিক আন্দোলন কেবলমাত্র সামাজিক কাঠামোর ব্যর্থতার ফলে তৈরি হয়। তাই আমাদের অবশ্যই রাজনৈতিক কাঠামো ও রাজনৈতিক দল সমূহের অভিগমন এবং নির্বাচন ব্যবস্থার আলোচ্য দিক সমূহ জোরদার করার প্রস্তাব করছি।
অবশ্যই আমাদের সকল সমাধান হবে রাজনৈতিক। কিন্তু যদি রাজনৈতিক দল ও দলের কর্তাদের প্রতি জনঅনাগ্রহ তৈরি হয় তাহলে তা আমাদের সকলের সকলের জন্য হবে বিপদের।
আসুন, আমরা একটি শক্তিশালী, সয়ম্ভর ও আদর্শিক বাংলাদেশ তৈরিতে ভূমিকা রাখি।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




