যে কুফর করে সেই কাফির, আর কুফর মানে সত্যকে অস্বীকার করা/আবৃত করা/গোপন করা। প্রাথমিক ভাবে স্রষ্টার একাত্ববাদককে অস্বীকার করাকেই কুফর বলে। আবার বেঁচে থাকার আবশ্যিক উপাদান সমূহ গোপন করা, অর্থাৎ দৈনন্দিন আবশ্যিকীয় পন্য/সম্পদ মজুদ করাও কুফর। অকৃতজ্ঞতা কুফরের শামিল। অতিভোজন ও কুফরের পর্যায়ে পড়ে। আর এসব কাজ যারা করে তারাই কাফির। অন্যায় ভাবে কাউকে কাফির বললে সে নিজেই কাফির হয়ে যায়। মানব হত্যা কারী কাফির, কাফিরের দোসর কাফিরের শামিল।
উপরোক্ত বিবেচনায় আমরা কয়েকজনকে কাফিরের পর্যায়ে ফেলতে পারি কি?
1. চরমোনাই পীর, দেওয়ান বাগী, দেলোয়ার হোসেন সাঈদী প্রকাশ্যে রাজপথে বিনা অপরাধে অন্যকে কাফির-মুরতাদ-খারিজ বলে, সুতরাং তারা কি কাফির নন!
2. আমিনী-নিজামীরা যুদ্ধাপরাধী, মুসলমান হয়ে মুসলমানকে হ্যাকারী, তারা কি কাফির নন!
3. বাংলা ভাই-শায়খ রহমান দেশের শত্রু, মানুষ হত্যাকারী, ইসলপামের অপব্যাখ্যাকারী, তারা কি কাফির নন!
4. অপব্যাখ্যা আর অস্বীকার সমতুল্য, মাওলানা আবুল আলা মওদুদী ইসলামের অপব্যাখ্যা করে সাধারণ মুসলমানকে বিপদগামী করেছে, তার গঠিত জামায়াত এই নীতিতেই চলছে, তাহলে কি জামায়েত কাফিরের অনর্্তভুক্ত নয়!
5. অতিভোজনকারী হিসেবে ধর্মীয় নেতারা কাফিরের দলভুক্ত!
6. আত্মহনন কারী কাফির, আত্মঘাতী হামলাকরীরা কাফিরের সমতুল্য।
কাফিরকে সাহায্যকারীও কাফিরের অনর্্তভুক্ত, আপনি কোন দলে।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


