somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

kiDNaP n LoVe

০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ রাত ১০:০৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

-আপনারা আমাকে কোথায় নিয়ে যাচ্ছেন!!!!?
-শশ্বুরবাড়ি।
-মানে কি!!!!!!আমি এখনো বিয়ে করিনি.....
-করেন নি,করবেন!!!!
-আপনি তো আমার বাবার থেকে সাংঘাতিক লোক!!!!
-অই মেয়ে!!!!! এত কথা বলেন কেন!!!!?হাতে কি দেখছেন!!!!!
মেয়ে টা আমার হাতে রাখা অস্ত্রর দিকে তাকিয়ে ভয়ে চুপসে গেল
-একটা কথা জিজ্ঞেস করি!'""?
-আবার কি!!!!(বিরক্ত হয়ে)
-আমি লামিয়া।
-তো.....?
-পরিচিত হই!!!!অপরিচিত থাকতে ভালো লাগে না।
আমি এবার অবাক হয়ে রাফির দিকে তাকালাম।রাফি আমার দিকে তাকালো।মেয়েটা কি মানুষিক রোগী নাকি!!!!!!তাহলে তো আরেক প্যারায় পরুম।
আপনারা যা ভাবছেন আমরা তা না।আমরা পেশাদার কিডন্যাপার না।তাহলে একটু ব্যাখ্যা করে বলি
আমি নীল,আর আমার ফ্রেন্ড রাফি।দুজনই অনাস কম্পলিট করেছি।কিন্তু কোনো চাকরি না পেয়ে দিনের পর দিন ঘুরছি।কিন্তু এভাবে তো দিন চলে না।রাফিরা খুব গরীব।আমরা যে খুব বড়লোক তাও না।কিন্তু........
রাফির বাবার হঠাৎ প্রচন্ড অসুস্থ হয়ে পড়ে।হস্পিটালাইজড করার পর ডাক্তার অপারেশন করার কথা বলে।কিন্তু এইঈ অপারেশন নাকি অনেক ব্যয়বহুল যা রাফি বা আমার সাধ্যের মধ্যে নেই।
রাফির বাবা ছিল ড্রাইভার।এক বড়লোক বাড়ির ড্রাইভার।তাই আমরা চিন্তা করলাম তার কাছে সাহায্য চাইব।কিন্তু রাফির বাবা এত টাকা দিতে রাজি হয়নি।যার কারনে তার মেয়েকে কিডন্যাপ করি।কিন্তু এ তো দেখি মানুষিক রোগী
-কি হল!!!!!নাম কি ভুলে গেছেন!!!?
-আপনি কি মানুষিক রোগী নাকি!!!!!?
-কেন কেন!!!!!!!এরকম মনে হওয়ার কারন!!!!!
-আমরা কি করছি আপনি বুঝতে পারছেন!!!?
-হুম বুঝতে পারছি!!!!!বাট এটা জেনে ভাল লাগছে যে কয়দিন আপনাদের সাথে ঘুরতে পারবো
আমি অবাকের চেয়ে অবাক হলাম
-আমি নীল,আর ও রাফি।
-হাই রাফি,ভাইয়া।
-হ্যালো।(কোনোমতে বলল রাফি)
-আচ্ছা,আমরা এখন কোথায় যাব!!!!?
-সিলেট।।
-ওয়াও!!!!!!!
আমরা বোকার মত ওর দিকে তাকিয়ে আছি
গাড়ি একটা রেস্তোরেন্টে থামালাম।মেয়েটা কি নরম্যাল বিহেভ করছে।যেন কিছুই হয়নি
-তো লামিয়া কি খাবেন!!!?
-আমাকে আপনি তুমি করে বলেন... আমি আপনার থেকে ছোট হব।
-ওকে.... কি খাবে....?
-উম.....!!!চিকেন ফ্রাই,পিজ্জা,,সেভেন আপ....আর..... ও নুডলস
-লিসেন.....তোমাকে দাওয়াত করা হয়নাই।শুধু ডাল আর ভাত....
-আমি এগুলা খেতে পারি না......
-উফ!!!!!!টাকা কোথায় পাবো!!!!তোমার বাবার থেকে কি ক্যাশ নিয়ে এসেছিলাম!!!!!?
-তাহলে নিলে না কেন!!!!!!
-মামা...এই মাইয়ায় আমারে পাবনায় পাঠাইবো!!!!!চল অরে দিয়া আসি বাসায়।
-এই না।আমি এখন যাব না।তোমাদের সাথে ঘুরবো কয়দিন।আচ্ছা ডাল ভাতই খাই।
আমি আবারো অবাক হলাম।মেয়েটার দিকে ভাল করে তাকালাম।
কি অদ্ভুত এক মায়া মেয়েটার মুখে।বোঝাই যায় এই মেয়েটা ভালবাসার কাংগাল।যতদুর জানি মেয়েটার মা নেই।
-কি দেখছো এমন করে!!!!?
-কই!!...কিছু না।তারাতারি খাও।
খাওয়া শেষ করে আবার চলা শুরু করলাম।মেয়ের বাপ কে একটা ফোন করা দরকার
রাফি ফোন দিল। অপর পাশ থেকে বিরক্তিভরা কন্ঠে লামিয়ার বাবা বলল
-হ্যালো.....
-হা....হ্যালো রাখেন।আপনার মাইয়া আমাদের কাছে।২ কোটি টাকা নিয়া সিলেট আইসা পড়েন যদি মাইয়ারে বাচাইতে চান।নাহয় কিন্তু একদম সাইজ কইরা বাসায় পাঠাইয়া দিমু।
-মগের মুল্লুক নি!!!!!২ কোটি টাকা বানান করতে পারস!!!!!তুই আমার ******করবি!!!!
-ওই ব্যাটা ওই......
-আরে রাখ ফোন।
রাফি অবাক হয়ে আমার দিকে তাকালো।
-কিরে কি হইছে!!!!
-মামা,মাইয়ার বাপে তো উল্টা আমারে ধমকাইলো।
-কস কি!!!!?
-হ মামা।মনে হয় কাম হইবো না।
লামিয়া এতক্ষন আমাদের কথা শুনল।তারপর হাসা শুরু করল
-হাসতাছো কেন!!!!?
-তোমরা আমার বাবার কাছে মুক্তিপন চাচ্ছ!!!!?
-হ্যা.......
-আমার বাবা যেই কিপ্টে!!!!এক টাকাও পাবা না।
-মানে কি!!!!তোমার জীবনের কি কোনো দাম নেই তার কাছে!!!!?
লামিয়ার মুখটা মলিন হয়ে গেল।ইচ্ছে করছিল ওর গাল দূটো ছুয়ে দেই
-বাদ দাও।দেখি আমি তোমাদের জন্য কিছু করতে পারি কিনা।
-তাহলে চল তোমার বাসায় দিয়ে আসি।
-না।তোমাদের সাথে ঘুরবো।
-মানে কি!!!!আমরা কি তোমার পরিচিত কেউ!"""তার উপর আবার কিডন্যাপার।
-তোমাদের দেখে পেশাদার মনে হয় না।আজকেই ফাস্ট তাই না..?
আমি নিরবে মাথা নাড়ালাম।
-বাদ দাও।চল ঘুরবো
সিলেটে আমার এক ফ্রেন্ড থাকে।ভাবছিলাম মেয়েটাকে এখানে আটকে রেখে ওর বাবার থেকে মুক্তিপন আদায় করবো।কিন্তু কি হয়ে গেল।
আমার ফ্রেন্ড ওকে দেখে ফিদা হয়ে গেল
-মামা,এই পরি কই পাইলি!!!!
-আরে ওরেই তো কিডন্যাপ করছি ।
-কস কি!!!!তাইলে আমি তো ওরে কিডন্যাপ কইরা বিয়া কইরা ফালামু।
-তোর যা মন চায় কর।আমি ঘুমামু।
সকালে কারো মিষ্টি কন্ঠে গুড মনিং শুনে ঘুম ভাংলো।চেয়ে দেখি লামিয়া
-বাব্বাহ!!!!!!তুমি তো খুব ঘুমাতে পারো!!!?
-না.. একটু টায়ার্ড ছিলাম তো,তাই।
-ফ্রেশ হও তাড়াতাড়ি।ঘুরবো না...?
-আচ্ছা,আমি ফ্রেশ হচ্ছি
মেয়েটার প্রতি কেমন ভাল লাগা কাজ করতেছে।আমি কি ওর প্রেমে পড়ে গেলাম!!!!?নাহ!!!!!!নিল.....কন্ট্রোল ইউরসেল্ফ.....
লামিয়া কে নিয়ে নদীর ধারে বেড়াতে গেলাম।রাফিও আমাদের সাথে আসতে চাইছিল।কিন্তু লামিয়া আসতে দেই নি।কাহিনি কিছুই বুঝলাম না।
-জানো নিল.... আমি যখন খুব ছোট তখন আমার মা মারা যায়।বাবা ২য় বিয়ে করে।কিন্তু তার কোন সন্তান হয়নি।তাই আমাকে নিজের মেয়ে মনে করতেন।বাবা আমাকে কখনোই আদর করেননি।কোথাও ঘুরতে,বন্ধুদের সাথে আড্ডা,প্রেম কিছুই করতে পারিনি
আমি টাস্কি খাইলাম।মেয়ে এখনো প্রেম করেনাই!!!!!!then maybe i can get a chance.....
-তুমি এখনো প্রেমই কর নাই!!!...?
কিছুটা লজ্জা পেয়ে
-না.......
-বল কি!!!!এত বড় হয়ে গেছো এখনো প্রেম কর নাই।
-ওই যে বল্লাম বাবার কারনে।
-আরে.....প্রেম করতে লাগে সাহস আর পালিয়ে বিয়ে করতে লাগে কলিজা।
-হু.....তোমার খুব experience আছে মনে হয়...?কয়টা করছো!!"?
-To be honest, একটাও না।এত পেরায় থাকি যে এইসব করার কথা মাথায় আসেনি!!!!!
-কি প্যারা!""?
-বেকারত্ব।
-ও!!!!!!!
ভালই কথাবার্তা চলল।দুপুর যে কখন হয়ে গেছে বুঝি নি।মোবাইলের রিং আসল
-কিরে মামা,তুই দেহি মাইয়া পাইয়া আমাদের মিশন ভুইল্লা গেছোত.....?
-না মামা।আমার সব মনে আছে।
-বাসায় আয় তারাতারি।
-অকে।
রাতে খাওয়ার পর সবাই মিলে প্লান করতে লাগলাম
-আচ্ছা নিল...তোমাদের কত টাকা দরকার!"""???(লামিয়া)
-সব মিলিয়ে ৫০ লক্ষ টাকা।
-তাহলে ২ কোটির কথা বলেছিলে কেন!!!?
-না.. ইয়ে মানে....
-থাক বুঝছি.....শোন....বাবার কাছে একটা এটিএম কাড আছে।এন্ড আই হোপ মিনিমাম ১ কোটি হবে!!
-হা...!!!!!!!!!কি!!!!!!(রিতিমত চিৎকার করে উঠল রাফি)
-আস্তে....
-সরি।
-অকে।তাহলে আমরা তোমাকে কাল দিয়ে আসব।
সকাল সকাল আমরা রওয়ানা হলাম।কিন্তু আমার কেন যেন খারাপ লাগছে।ইচ্ছা করছিল লামিয়া কে রেখে দেই।কিন্তু আমরা গরিব আর ও বড়লোক বাবার মেয়ে।
ওর বাড়ির রাস্তার সামনে নামিয়ে দিলাম।ওর থেকে নাম্বার নিয়ে নিলাম।আমাদেরকে বিকাল পযন্ত ওয়েট করতে বল্ল।
৩.৩০ টার দিকে মোবাইলে কল আসে।লামিয়া জানায় যে ওর মিশন কম্পলিট।একটা ঠিকানা দিয়ে বল্ল এখানে আসতে।
অবশেষে লামিয়া আসল।হাতে এটিএম কাড।আমার হাতে তুলে দিল।
-যাও।রাফির বাবার চিকিৎসা তারাতারি শুরু কর।
আমি কাড টা রাফিকে দিয়ে বুথে পাঠাইলাম।আমার তো লামিয়াকে কিছু কথা বলার আছে
-তুমি কিছু বলবে.....?
-হ্যা...না মানে....আমাদের কি আর দেখা হবে...?
লামিয়া হাসল
-তোমার কি দেখা করতে ইচ্ছা করে।
-উম......!!!!
-আচ্ছা ঠিক আছে,দেখা করবো।আমার বাসা তো চিনই।মাঝে মাঝে আমাকে কিডন্যাপ করে নিয়ে যাবে।আচ্ছা আসি...?
-হুম
লামিয়া চলে যেতে লাগল।আমার কেমন যেন অস্থিরতা শুরু হল।
-লামিয়া.....?
পিছনে ফিরে তাকালো
-হুম বল...?
-তোমার না অনেক ইচ্ছে করে প্রেম করতে....?
-হ্যা।কি বলব..!!!ভাসিটির সবাই প্রেম করে,আর আমি তাকিয়ে তাকিয়ে দেখি।
-আমি কি একটা ব্যবস্থা করে দেব!!!?
-তাহলে তো খুব ভাল হয়।ঠিক আছে।
-ইয়ে মানে.....আমাকে তোমার কেমন মনে হয়!!!!?
লামিয়া ভ্রু কুচকে তাকালো...
-এই....তুমি কি ফিদা হয়ে গেছো নাকি!!!
-তোমার কি মনে হয়!!!?
-আমার তো মনে হয় ফিদা....
-যদি ফিদা হই তাহলে...?
লামিয়া মিষ্টি করে হাসল।
-তাহলে তো আমার অনেক কথা মেনে চলতে হবে...
-একটু ওইটা পাইলে সব কিছুই মেনে নিতাম।
-তাই....?
-হুম।
-কাছে আসো...?
-আ....কি!!!!
-বাংলা বুঝো না....?come here...
আমি আস্তে আস্তে সামনে গেলাম
-বল।
লামিয়া এদিক ওদিক তাকিয়ে বল্ল
-জড়িয়ে ধরো...?
-মানে......!!!!!!
-উফ!!!!!Hug me
আমি চোখ বন্ধ করেই জড়িয়ে ধরলাম।লামিয়া শুধু বল্ল
-এখন যেভাবে ধরেছো, আজিবন এভাবে ধরে রাখতে হবে।আমাকে কস্ট দিবা না।আমাকে ছেড়ে চলে গেলে কিন্তু কিডন্যাপ করে নিয়ে আসব।
আমি হাসলাম।
-আই লাভ ইউ,কিডন্যাপারনী...
-লাভ ইউ 2,34,5678.......................
....

সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ রাত ১০:১৪
১টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বেলাশেষে

লিখেছেন নীল-দর্পণ, ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:৪৪

বাসায় আত্নীয় আসলে চলে যাবার সময় কিংবা তাদের বাড়ী থেকে ফেরার সময় ঘরের ছোট সদস্যের হাতে টাকা গুঁজে দেবার যে চল ছিল নিশ্চই আমরা কম বেশি সবাই সেটা সাথে পরিচিত।... ...বাকিটুকু পড়ুন

অসংখ্য মানুষের স্বপ্নের নায়িকা যিনি।

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ২:১২



একদিন যে বিয়েকে ঘিরে ছিল পাঁচতারকা হোটেলের ঝলমলে আলো, ক্যামেরার অসংখ্য ফ্ল্যাশ আর শত মানুষের করতালি, সেই সংসারের আকাশেই কয়েক বছরের মধ্যে জমেছিল বিচ্ছেদের মেঘ। ১৯৮৭ সালের মে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ছায়াঘর: কেস ফাইল #১৯৯৬ (দ্য লাস্ট রিল)

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:২২


লেখকের নোট:
এই গল্পটি ৯০-এর দশকের জনপ্রিয় চিত্রনায়ক সালমান শাহর রহস্যজনক মৃত্যুকে ঘিরে জনমনে দীর্ঘদিনের স্মৃতি, নস্টালজিয়া ও আলোচনার ওপর ভিত্তি করে নির্মিত একটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ইনভেস্টিগেটিভ থ্রিলার । গল্পে উল্লেখিত... ...বাকিটুকু পড়ুন

কারখানা বাঁচাতে পারিনি, তাই মানুষকে অটো চালাতে হচ্ছে

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ২:৩৪


বাংলাদেশে এখন এমন এক অদ্ভুত অর্থনৈতিক সংকট চলছে, যেখানে একজন শ্রমিক কারখানায় বিদ্যুৎ না পেয়ে চাকরি হারিয়ে অটো রিকশা চালাচ্ছেন। সেই অটো আবার চার্জ দিতে বিদ্যুৎ খাচ্ছে। যে বিদ্যুৎ... ...বাকিটুকু পড়ুন

হাসিনা কে রাখলে এমনি হবে...দাদা, যতদিন পারেন রাখেন

লিখেছেন অপলক , ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১০:৩২



২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের মুখে পদত্যাগ করে বাংলাদেশ ছাড়ার পর শেখ হাসিনাকে বহনকারী বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর বিশেষ বিমানটি ভারতের দিল্লির উপকণ্ঠে উত্তর প্রদেশের গাজিয়াবাদের হিন্ডন বিমানঘাঁটিতে (Hindon Air... ...বাকিটুকু পড়ুন

×