মেয়েরা যে এরকম মেইল করতে পারে কল্পনায়ও ছিলনা, মানে এর আগে কখনও এরকম কিছু কোন মেয়ের কাছ থেকে রিসিভ করিনি, সে কারণেই বলছি। যদিও সে আমার ফ্রেন্ড প্লাস এক্স কলিগ।
এভাবেই সকালটা মেজাজটা বিতিকিচ্ছিরি রকম খারাপ হল। অপেক্ষায় ছিলাম দুটি গুরুত্বপূর্ণ ই-মেইলের। ইনবক্সে যথারীতি দুটি আনরিড মেইলের সংখ্যা দেখে বেশ আনন্দিত হবার কথা থাকলেও খুব বেশী আনন্দিত হতে পারিনি বরঞ্চ আনন্দের পরিবর্তে বিরক্তই হয়েছি বেশ!
মেইল আছে দুটি কিন্তু আমার সেই মেইল নয়,
১) গরম মসল্লা
২) কুর্নিকোভা উইদআউট স্কার্ট শিরোনামের দুটি মেইল
কান, মাথা, চোখ দিয়ে ধোয়া বের হচ্ছে, হচ্ছেটা কি এসব ! মেয়ে হয়ে সে এরকম মেইল করল ! তাও অফিসে ওপেন করতে হবে, অনেকটা ভাবনায় ফেলে দিল, ভাবনার এফোড় ওফোড় করে খুলেই ফেললাম প্রথম মেইলটা “গরম মসল্লা” মেইলের শুরুতে তেমন কোন ম্যাসেজ নেই, এ্যরো মার্ক দিয়ে নীচে নামতেই আছি নামতেই আছি, কিন্তু গরম মসল্লা মানে যা বুঝেছিলাম তা তো নয় বরং কিচু ইন্ডিয়ান “রান্নার” “গরম মসল্লার” প্যাকেটের ছবি দিয়ে এ্যাড ছাড়া আর কিছু না। ওফফফফ !!! হাফ ছেড়ে বাঁচলাম কি ভেবেছিলাম আর কি দেখলাম।
এবার দ্বিতীয়টা, কিন্ত ভয় পাচ্ছিলাম যদি সত্যি সত্যি স্কার্ট ছাড়া হয় তাহলে তো বিপদ ! এরকম ছবি দেখছি কেউ দেখে ফেললে সেটা তো মহা খারাপের বিষয় ! যা আছে কপালে যাহ ! একরকম ক্লিক করেই ফেলালাম। ওয়াও এখানেও ডাওন এ্যারো দিয়ে নীচে নামছি তো নামছি। হায় হায় একি দেখি স্কার্ট ছাড়া ঠিকই কিন্তু শারি পড়ে পোজ দিয়েছে। হাসতে হাসতে শেষ, কি ভাবা আর কি দেখা।
যাই হোক কাজের চেয়ে অকাজেই হল বেশী, করার কিছু নেই বরং অনুমান করা পোষ্টের প্রথম দুটি লাইন উইথড্র করে নিলাম।
এক মেয়ে ক্লায়েন্টকে কনভিনস্ করতে গিয়ে বারোটা বেজেছে, ফোনেও সেরকম, বলি এক বোঝে এক। মাথা নষ্ট হবার যোগাড়।
আজ সারাদিন বোধ হয় মেয়ে ভাগ্য খারাপ, কেন বলছি কারণ আছে ! এই তো লাঞ্চ শেষে একটু আয়েশে আছি এমনই সময় বস ডেকে প্রায় গোটা দুইশ বায়োডাটা তাও মেয়েদের, দিয়ে বললেন বাছাই করতে, ফ্রন্ট ডেষ্কে নেওয়া হবে। দুইশো থেকে বিশ জন। কঠঠিন কাজ। যারেই দেখি তাকেই ভাল লাগে, কাকে রেখে কাকে রাখি। মহা-সমস্যায় আছি বন্ধুরা। কলিগরা হেল্প করতে চাইছে কিন্তু এভয়েড করেছি। সব পাজির দল।
কি করার আর ! সিভি বাছাই বাদ দিয়ে এখন ব্লগিং করছি।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

