ক’দিন খুব নি:সঙ্গতায় একা একা লাগছিল। প্রত্যাহিক রুটিন বাধা কর্মব্যস্ততাময় জীবনের একঘেয়েমিটা কেমন পেয়ে বসেছিল। সকালের শুরুটা যেমন, বিকেল শেষে সন্ধ্যাটাও তেমন, কোন পার্থক্য করবার কিছু নেই।
একজন বন্ধুর অভাব অনেক দিনের, সত্যি বলতে সম্পর্কগুলোর বাধন অনেকটাই হালকা হয়েছিল যখন আমি চাকরীতে আর ওরা ইউনিভার্সিটিতে। তখন থেকেই ব্যবধান টা’র শুরু। যাই হোক এক পর্যায়ে যখন বুঝতে পারলাম ওদেরকে আর ওভাবে পাওয়া সম্ভব না সেদিন থেকেই অভাববোধটা কাজ করত, কিন্তু ব্যস্ততার ভারে ভারাক্রান্ত জীবনে কেইবা বন্ধু হতে চাইবে ! তাইত রিয়েল জীবনে বন্ধু পাওয়ার আশা প্রায় ছেড়েই দিয়েছি। ভাচুর্য়াল-ই যে ভরসা।
বন্ধু বলে কথা, নিসঙ্গ জীবনের সঙ্গ। কোথায় খুঁজে পাই, ভাচুর্য়াল নাকি অনেক বন্ধু পাওয়া যায়, একপ্রকার বন্ধু সেন্টারই বটে! নিজের মনের মত করে ক্রাইটেরিয়া দিয়ে খুজে নেয়া, তারপর শুরু তারপরই। তাইত অফিসের সময় থেকে কিছুটা ধার করে নেমে পরি বন্ধু সংগ্রহের অভিযানে।
ইন্টারনেটে বন্ধু সেন্টারগুলোতে ঢু দেয়া, বন্ধু পেতে গেলে নাকি বন্ধু হতে হয়। কিন্তু এ কি! একেক জনের দেখি ২০০-৩০০-৪০০ কিংবা তারও উপর বন্ধু, পুরোপুরি বিধ্বস্ত, আসলেই ইহজীবনে কি এটা আদৌ সম্ভব ? কিংবা এতজনের সাথে কি বন্ধুত্বও রক্ষা করা যায় ? এভাবে সম্ভব না। বোধ হয় ভাচুর্য়াল বলেই নিয়মনীতি আলাদা।
ভাচুর্য়ালেও বন্ধু খোজা আর হয়না, বাস্তবেও বন্ধু পাওয়া যায়না, বন্ধুহীন-ই থাকা হয়।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

