somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

প্রহলাদ
রংপুর বিভাগের কুড়িগ্রামের রাজারহাটের মফস্বল সাংবাদিকতায় একজন নির্ভীক সাংবাদিক প্রহলাদ মন্ডল সৈকত। উপজেলার চাকিরপশার ইউনিয়নের চকনাককাটি গ্রামের একটি নিভৃত পল্লীর সম্ভ্রান্ত জমিদার পরিবারে তাঁর জন্ম। পিতা মনোরঞ্জন মন্ডল ছিলেন প্রাইভেট টিউটর। মাতা বীনাপানি ম

কেন আমি নির্যাতিত? দেশ সন্ত্রাস মুক্ত করুন!

২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ বিকাল ৪:১২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

কেউ যদি মারপিটে গুরুতর আহত হয়, কেউ যদি হত্যাকান্ডের শিকার হয় তখনেই আমার শরীর শিউরে উঠে। আঁতকে উঠে হৃদয়টা। কারণ নিজেই ভুক্তভগি। ২০১০সালের ১৩ইএপ্রিল রাত আনুমানিক সাড়ে আটটা। আমি আমার কলিক সাংবাদিক আসাদুজ্জামান আসাদের অফিস ঘরে বসে কয়েকজন রাজনৈতিক নেতা ও সাংবাদিক নেতা সরকার অরুন যদু সাথে খোশ গল্পে মশগুল হয়ে আছি। হঠাৎ কয়েকজন চেনা- অচেনা যুবক অফিসে এসে আমার কলিককে খুঁজতে শুরু করলো। আমি বললাম সে এখনো আসে নাই। তার পর তারা চলে গেল। আমি তাদের ইশারা- ইঙ্গিতে বুঝতে পারলাম তাদের মাতলামির বিষয়টি। কিছুক্ষণ পরের বিষয়টি হলো এমন- ধর ধর শালারে মেরো ফেল। ভাবলাম বাইরে হয়তো কোন গন্ডগোল হয়েছে। তাই লক্ষ্য করছি। এমন সময় আবারো কলিকের ঘরের দিকে ধারালো ছোড়া, লাঠি নিয়ে ওই সব যুবকদের তাড়া। চোখের পলকে আমর শার্টের কলার ধরে টানা হেঁচড়া। তারপর প্রচন্ড মারপিট। টানা হেঁচড়ে বাইরে বের করলো আমাকে। আমি বেহুস হয়ে গেলে তারা আমার উপর যে শারিরিক অত্যাচার চালায় তা কেউ মেনে নেয়ার নয়। ক্ষনিকের মধ্যে আমি পাকা রাস্তায় রক্তে রক্তাক্ত হয়ে বেহুস পড়ে আছি। সকলের মুখে মুখে একটিই কথা, সে মরে গেছে। ছাওয়াটা মরে গেছে। তার মানে আমি মরে গেছি। সন্ত্রাসীরা প্রকাশ্যে সকলের সামন দিয়ে চলে যায়। মুখ খুলে কেউ কোন কথা বলতে সাহস পায়নি। তারপর হাটুরেরা আমাকে উদ্ধার করে রাজারহাট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্্র ভর্তি করলে আমার অবস্থার অবনতি ঘটতে থাকে। কর্তব্যরত চিকিৎসক আমাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাপাতালে প্রেরন করে। সেখানেও দূর্গতির অন্ত নেই আমার। মেডিকেল কলেজের চার তলার পেয়িং রুমে চিকিৎসা। এগারো দিনের মাথায় ওই সব সন্ত্রাসীরা ওই মেডিকেলে যোগ সাজস করে আমার সাথে থাকা ব্যাগে নগদ ১৬হাজার টাকা, একটি মোবাইল ফোন, একটি ক্যামেরাসহ আরো দশ হাজার টাকার কাপড় চুরি করে। আমি অসহায় হয়ে যাই। তারপরও আমার কলিক আমার অফিস আমার চিকিৎসা দিতে কুন্ঠিত করে নাই। আমি সুস্থ্য হয়ে উঠি। আবার লেখালেখিতে জড়িয়ে পড়ি। আমি এতক্ষণ ধরে আমার ব্যথিত জীবনের একটি চরম পাওয়ার কথা আপনার শোনাতে বাধ্য করছি। কারন কি জানেন? আমি সরাসরি কোন দলের সাথে সম্পৃক্ত ছিলাম না। আবার ছিলাম। কেন না আমি ভোট দেই আওয়ামীলীগের নৌকায়। তাই দল করি। আবার নিজের অজান্তেই যুবলীগ দলের সাথে জড়িয়ে যাই উণিশশত ছিয়ানব্বই দিকে। ওই নির্বাচনের আগে কুড়িগ্রাম জেলা যুবলীগের সভাপতি মঞ্জু ভাইয়ের নির্দেশে আমার এলাকায় একটি যুবলীগের সংগঠন করি। সেখানে আমার পদবী সহসভাপতির হয়ে যায়। তাই দলের সাথেও সম্পৃক্ত। কিন্তু বর্তমানে কুড়িগ্রাম জেলার অতিনিকটে রাজারহাট উপজেলার অদুরেই আমার বসবাস। সাংবাদিকতার খাতিয়ে সেখানেই রাত্রি বাস। কিন্তু সে এলাকার আওয়ামীলীগ কিংবা অঙ্গসংগঠনের কেউ জানে না। সবাই জানে আমি কোন দল করি না । শুধু সাংবািদকতা করি। কিন্তু কারা আমার উপর অত্যাচার করলো একটু জেনে রাখুন। আমার পেশা নেশা সাংবাদিকতা। আমি আজকের কাগজ, মাতৃভূমি, একতা, করতোয়া, আমাদের অর্থনীতি, অনলাইন বাংলা নিউজ, ফেয়ারনিউজ, ফোকাস বাংলা, কুড়িগ্রাম খবর, সাতমাথা, সমকাল সংবাদদাতা সহ দেশের নামিদামী পত্রিকায় প্রতিনিধি হয়ে কাজ করছি। এখনো আমার পেশা সাংবাদিকতা। আর সাংবাদিকতা করতে গিয়েই আমার উপর চলে খড়গের স্টিম রোলার। যেখানে সব সময় শুধু মৃতু হাতছানী দেয়। কিন্তু কেন? কারন একটাই। কাক কাকের মাংস ভক্ষণ করে না। কিন্তু মানুষ এতো র্নিদয় যা মুখে বলা যায় না। আমরা সবসময় বলি মানুষ মানুষের জন্য। কিন্তু পরোটাই উল্টো। আমরা যাদের হয়ে কাজ করি তারাও উল্টো হয়ে যায়। দেয় ঘাত-প্রতিঘাত। আমি কি একজন দেশের নাগরিক না? আমার কি স্বাধীনতা নেই? আমার কি কোন দল করার অধিকার নেই? আমার কি মুক্ত ভাবে মনের ভাষা বলার অধিকার নেই? আমি কি মুক্তভাবে লিখতে পারবো না। যদি সবই ঠিক তাহলে আমার কোথায় দোষ ছিল। সরকারের কিছু পেটোয়াবাহিনীর হাতে কেন আমি নির্যাতিত হলাম। কেন তাদের বিরুদ্ধে আমি কলম ধরতে কুণ্ঠিত হলাম। শুধু আমি নই হয়তো বা কোন কোনদলের হয়ে ওই সব সন্ত্রাসীদেরহাতে ব্লগার রাজিব, ব্লগার অভিজিৎ রায়, সাহিত্যিক হুমায়ুন আজাদ সবাই আজ তাদের হাতে নির্যাতিত। যাদের কারনে সরকার সমালোচনার বার বার মুখোমুখি হচ্ছে। তাদের কারনে কেন নির্যাতিত হলাম। সরকার কেন তাদের সাস্তির ব্যবস্থা করলো না? যার কারনে সমাজের প্রতিটি মানুষ শঙ্কিত ভিত সন্তোস্থ কেন তাদের সাস্তি দেয় না? এসব কারনে সরকার আজ কোন ঠাসা। তাই আমি একটি কথাই বলবো সন্ত্রাসীরা যে দলেরই হোক তাদের গ্রেফতার করে শাস্তির ব্যবস্থা করা হোক। তাহলে েদশের মানুষ শান্তি পাবে। সরকারের ভাবমূর্তি আরো উজ্বল হবে।
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

সৌদির আকাশে সংঘাতের কালো মেঘ আর প্রবাসীদের পুরনো বন্দিদশা: আমাদের শ্রমবাজারের নতুন সংকট

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ১৩ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৯:৪৮

বাইরে যুদ্ধাবস্থা, রিয়াদের কিং খালেদ বিমানবন্দরে হুতিদের লাগাতার ড্রাফট-মিসাইল হামলা, আর অন্যদিকে সৌদি আরবগামী ফ্লাইটগুলো একে একে বাতিল বা স্থগিত—সব মিলিয়ে বাংলাদেশের অভিবাসন খাতে আবারও এক মারাত্মক অন্ধকারের ছায়া নেমে... ...বাকিটুকু পড়ুন

রবীন্দ্রনাথের ধর্মীয় পরিচয়, গ্রাফিতিতে চুনকালি ও পলিটিক্যাল ইসলাম

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ১৩ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১০:০৪


রবীন্দ্রনাথের গ্রাফিতিতে চুনকালি দেওয়ার ঘটনা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কয়েকজন প্রগতিশীল লেখকের লেখা পড়ে আমি হতাশ ও বিস্মিত হয়েছি। তাঁদের মধ্যে একাধিকজন লিখেছেন, রবীন্দ্রনাথ হিন্দু ছিলেন না, তিনি ছিলেন ব্রাহ্ম।... ...বাকিটুকু পড়ুন

রবীন্দ্রনাথের নামে কত শত অভিযোগ

লিখেছেন অনিকেত বৈরাগী তূর্য্য , ১৩ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৪:০৫


*রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নাকি কাজী নজরুল ইসলামের কবিতা চুরি করে নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন! বাস্তবতা হলো, রবীন্দ্রনাথ যখন নোবেল পান, নজরুল তখন লেখালেখেই শুরুই করেননি। তাঁর বয়স সবে ১৪ ছিল।

প্রাপ্ত বয়সে নজরুল... ...বাকিটুকু পড়ুন

পাটায় - পুটায় ঘষাঘষি, মাঝখানে মরিচদের জীবন শেষ?

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১৪ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ২:৩১

আওয়ামী তথা ভারতীয়দের নমস্য রবী বাবুর চিত্রে কালিমা লেপন।
দুই দিন পরে, আওয়ামী বিরোধীদের 'রবী' ইউনুস সাহেবকে গালাগালি!!!
এ যেন পাটাপুটায় ঘষাঘষি করে অভাগা মরিচদের জীবন শেষ করার চেষ্টা?
কিন্তু, রবী বাবু কিংবা... ...বাকিটুকু পড়ুন

রাসূল (সা.), আহলে বাইত ও সাহাবায়ে কেরামের (রা.) অনুচিত কাজের সমালোচনা ও সমর্থন করা যাবে না

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ১৪ ই অক্টোবর, ২০২৬ ভোর ৫:৪১




সূরাঃ ৮ আনফাল, ৬৭ থেকে ৬৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬৭।দেশে ব্যাপকভাবে শত্রুকে পরাভূত না করা পর্যন্ত বন্দী রাখা কোন নবির উচিত নয়। তোমরা পার্থিব সম্পদ কামনা কর। আল্লাহ চান... ...বাকিটুকু পড়ুন

×