অপ্রাপ্ত কিংবা প্রাপ্তবয়স্ক কোন তরুন-
তরুনী নিজেদের মধ্যে কোন সেক্সচুয়াল
সম্পর্ক গড়ে তুললে দেশের আইন (ইসলামি
মতাদর্শে নয়) মোতাবেক আপনি ৩য় পক্ষ
বা তার অভিবাবক হিসেবে কোন
ব্যাবস্থা নিতে পারবেন না। হ্যা,
পারবেন যদি আপনি মেয়ে পক্ষের হন।
দুইজন সম্মতি সহযোগে সম্পর্ক স্থাপন
করলেও, আপনি মেয়েকে আয়ত্তে এনে
ধর্ষন মামলা করতে পারেন। অপরদিকে,
ছেলে পক্ষ হিসেবে অাঙ্গুল চুষে ধ্বংস
দেখা ছাড়া উপায় নাই। বিয়ের কথা
বলে ধর্ষন এমন কথা কোথাও নাই, বলতে
পারেন মিডিয়ার সৃষ্টি। হ্যাপি
সাহেবান এই ভুল পথে হেটেই এখন আশা
ছেড়ে দিয়ে পরকালের চিন্তায়
আছেন।
হবিগঞ্জের রাহুল নামের বখাটে
ছেলেটিকে নিয়ে (আরও কিছু
প্রেমঘটিত ভিডিও নিউজফিড গরম করছে)
যে মামলা চলছে তা আইনসিদ্ধ তবে
ব্যাপারখানা নিছক এই যুগের
গতানুগতিক প্রেমের বহিঃপ্রকাশ মাত্র।
অর্ণা নামের মেয়েটির সাথে
রাহুলের ৩ বছরের সম্পর্ক। এমতাবস্থায়
মেয়েটি রাহুলের কাছে বিয়ের জন্য
তল্পিতল্পাসহ চলে আসে এবং রাহুল
যথারীতি ইগনোর করে। অপমান (!)
থেকে মেয়েটি নতুন বয়ফ্রেন্ড বানায়
এবং তাকে দিয়ে রাহুল কে সবার
সামনে পেটায় আর রাহুলকে শুনতে হয়
সাবেক প্রেমিকার কটু কথা। যথারীতি,
রাহুলও তার অপমানবোধ (!) থেকে
বাংলা সিনেমার হিজলা নায়কের মত
সাবেক প্রেমিকাকে থাপড়ায়ে
প্রতিদান দেয়, যার ভিডিও ভাইরাল
হয়ে আমাদের ফেসবুক বিবেক কে
নাড়িয়ে দিচ্ছে। কথা হল আইনানুযায়ী
মেয়েটি যৌন হয়রানী না ইভটিজিং
মামলা করবে??
আচ্ছা, দেশে প্রেম আইন কিংবা
থাপ্পড় আইন কড়া যায় না??

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


