বাসায় পৌছে ম্যাডাম খানিকটা অসুস্থ বোধ করতে থাকেন তাই মোটা চাদর বিছানো একটা টেবিলের উপর শুয়ে পরেন। আমি আর মেহেদী ভাই তখন তারিক ভাইয়ের আসার অপেক্ষায় আছি। অবশেষে তারিক এল কিন্তু যেই রুমে ম্যাডাম আমাদেরকে পড়াবেন, সেইরুমে সুনেত আর ওর সাথে ওর ২-৩ জন আফ্রিকান বন্ধু ঘুমাচ্ছে। মেহেদী ভাই একটু রিকুয়েষ্ট করতেই সুনেত আর ওর বন্ধুরা ঘর ছেড়ে বরিয়ে এল। সুনেত একটা বাঘ পালত। বাঘটা আমি আজকেই প্রথম দেখলাম।
বাঘটা পালিত হলেও যেহেতু ওরা সবাই একটু বাইরে যাবে সুতরাং আমাদের নিরাপত্তার জন্য মেহেদী ভাই আর সুনেত বাঘটাকে একটা পলিথিনের প্যাকেট দিয়া বেধে ফেলল। আমি তো বাঘকে অনেক ভয় পাই, মেহেদি ভাই কি করে এত সাহসী হলো অবাক হলাম। আমি তখন ঐ রুমটাতে ঢুকে আগে দরজাটা লাগানোতে ব্যস্ত, ম্যাডাম দেখি আমার আগেই রুমে উপস্থিত। কিন্তু যেই ভয়টা করছিলাম সেটাই হল। বাঘটা পলিথিন ছিড়ে মুক্ত হয়ে গেল। দরজাটা লাগানোর পরেও ট্রান্সপারেন্ট কাচের এপাশ থেকে পরিষ্কার দেখতে পাচ্ছি বাঘটা আমাদের দিকেই এগিয়ে আসছে।
দরজার ওপাশ থেকে প্রচন্ড জোরে ধাক্কা মারছে। দরজাটার হাতলের সাথে তালা নষ্ট ছিল তাই বাঘটা যতবার বার ধাক্কা মারছিল দরজাটাও ফাকা হয়ে যাচ্ছিল। আমি প্রাণপণে দরজা চেপে রাখছি। হঠাত বাঘটার পিছনে মেহেদী এসে বাঘটাকে ডাক দিল। বাঘটা গর্জন করতে করতে মেহেদীর একটা হাত মুখে নিয়ে নিল। তখন পিছন থেকে একজন মেইন গেট খুলে দিলে বাঘটা এক দৌড়ে বাসা ছেড়ে বেরিয়ে গেল। আমি আর রহিমা ম্যাডাম ঐ রুম থেকেই বের হয়ে দেখলাম মেহেদীর হাতে সামান্য আচড় ছাড়া তমন কিছুই হয়নাই। একটু পরে আবার বাঘটা হঠাত বাসায় ঢুকে আমাদের কে কিছুই না বলে ওর রুমে ফিরে গেলো। ঠিক তখন এলার্মের শব্দে আমার ঘুম ভেংগে গেল।
স্বপ্নে যাহাদিগকে দেখিলাম:
রহিমা ম্যাডাম: ইন্টারে ম্যাডামের কাছে ফিজিক্স পড়তাম
মেহেদী এবং তারিক ভাই: আমার কলিগ
সুনেত: আমার শ্রীলংকান বন্ধু
আফ্রিকান পুলাপান: কইথথেকা আইলো কইবার পারিনা
বাঘ : বাঘেরে ভুই পাই
সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১:৩৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


