somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পবিত্র কুরআন-১১

১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:২৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

কোরআনের তাফসীর বিষয়ক অনুষ্ঠান কোরআনের আলোর ১১তম পর্বে আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি। আজ সূরা বাকারার ২০, ২১, ও ২২ নম্বর আয়াত নিয়ে আলোচনা করা যাক। ২০ নম্বর আয়াতে বলা হয়েছে-"বিদ্যুৎ চমক তাদের দৃষ্টি শক্তি প্রায় কেড়ে নেয়। আসমানের বিদ্যুৎ যখন অন্ধকার প্রান্তরে তাদের জন্য আলো নিয়ে আসে, তখন তারা কয়েক কদম অগ্রসর হয়। কিন্তু যখন অন্ধকারাচ্ছন্ন হয়, তখন তারা থমকে দাঁড়ায়। আল্লাহ চাইলে তাদের শ্রবণ ও দৃষ্টিশক্তি কেড়ে নিতেন। নিশ্চয়ইই আল্লাহ সর্ব বিষয়ে সর্বশক্তিমান। আকাশের বিদ্যুৎ চমক আর বজ্রপাতের শব্দ বৃষ্টির আলামত। এ হলো পৃথিবীবাসীদের জন্য নব প্রাণ, সবুজ ও সজীবতার আগমনী বার্তা। কিন্তু এই আগমনী বার্তা সবার জন্য সুসংবাদ নয়। বরং তাদের জন্য শুভবার্তা যারা আল্লাহর এই রহমত থেকে উপকৃত হতে প্রস্তুত। তাহলে ঐ উদ্ভ্রান্ত যাত্রীর কি অবস্থা হবে? উদ্ভ্রান্ত যাত্রী বা মুনাফিক অন্ধকার প্রান্তরে যে আগুন জ্বালিয়েছে তার দুর্বল আলো এবং আকাশের বিদ্যুৎ চমকানীর চোখ ধাঁধাঁনো আলোর কোনটাই তাকে জীবন চলার পথে সঠিক রাস্তা দেখাতে পারবে না। কারণ আগুনের আলো হলো অস্থায়ী, আর বিদ্যুৎ চমকের ফলে যে আলো সৃষ্টি হয় তা বৃষ্টির বার্তা বয়ে আনে এবং এতে মুনাফিকদের জন্য দু:খ ছাড়া আর কিছু নেই। আল্লাহর অহী হলো আসমানের চোখ ধাঁধাঁনো বিদ্যুৎ ঝলকের মত। এটি দেখার সাধ্য ও ক্ষমতা মুনাফিকদের নেই। তারা পয়গম্বরদের কাছ থেকে আগত আল্লার ওহী থেকে উপকৃত হওয়ার চেষ্টা করে না। যদিও মুনাফিকরা বাহ্যিকভাবে ঈমানদার হওয়ার দাবী করে এবং এই নূর থেকে উপকৃত হতে চায়। কিন্তু বিদ্যুৎ চমক তাদের দৃষ্টি শক্তি কেড়ে নেয়, তাদের জন্য এগুবার পথ বন্ধ করে দেয়। মুনাফিকদেরকে কোরআন এমনভাবে অপদস্থ করে যে তারা মুনাফিকদের সাথে পথ চলা অব্যাহত রাখতে পারে না। তাদের সামনের দিকে যাওয়ার যেমন পথ থাকেনা তেমনি পিছু হটারও কোন উপায় থাকেনা। তারা পথ হারিয়ে উদ্ভ্রান্তের মত উদ্বেগ উত্তেজনায় পথ হাতড়াতে থাকে। এসব হলো আল্লাহ এবং মুমিনদের সাথে কপটতার দুনিয়াবী ফল। আল্লাহ যদি তাদেরকে শাস্তি দিতে চান তাহলে তারা শুধু চলার শক্তিই হারাবে না একই সাথে দৃষ্টি ও শ্রবণ শক্তিও হারিয়ে বসবে।
সূরা বাকারার ২০ নম্বর আয়াতের কয়েকটি শিক্ষণীয় বিষয় হলো-
প্রথমতঃ আল্লাহর নূর দেখার শক্তি মুনাফিকদের নেই। আল্লাহর বাণী আকাশের বিদ্যুৎ চমকের মত তাদের দৃষ্টি শক্তি হরণ করে নেয়।
দ্বিতীয়তঃমুনাফিকদের নিজস্ব কোন আলো নেই তাই তারা মুমিনদের আলোয় পথ চলার চেষ্টা করে।
তৃতীয়তঃ মুনাফিকরা অনেক সময় কয়েক কদম অগ্রসর হলেও মূলত: অগ্রসর হতে পারে না এবং অবশেষে থমকে দাঁড়ায়।
চতুর্থতঃ মুনাফিকরা তাদের অপকর্মের কারণে যে কোন সময় আল্লাহর গজবের শিকার হতে পরে।
পঞ্চমতঃমুনাফিকরা আল্লাহকে ধোকা দিতে পারবে না এবং আল্লাহর শাস্তি থেকেও পালাতে পারবেনা। কারণ আল্লহপাক সর্বশক্তিমান এবং কোন কাজই তার অসাধ্য নয়।
এবারে সূরা বাকারার ২১ নম্বর আয়াত নিয়ে আলোচনা করা যাক। এ আয়াতে বলা হয়েছে-"হে মানুষ! তোমরা তোমাদের সেই প্রতিপালকের এবাদত কর, যিনি তোমাদেরকে এবং তোমাদের পূর্ববর্তীদেরকে সৃষ্টি করেছেন যাতে তোমরা মুত্তাকী ও পরহেজগার হও।" সূরা বাকারার আগের ২০টি আয়াতে আল্লাহপাক তিন শ্রেণীর মানুষের বৈশিষ্ট্য বর্ণনা করেছেন। এই তিন শ্রেণী হলো-পরহেজগার, কাফের ও মুনাফিক। এই তিন শ্রেণীর লোকদের বৈশিষ্ট্য, চিন্তাধারা ও আচরণ তুলনা করার পর এই আয়াতে কল্যাণ ও মুক্তির পথনির্দেশ করে বলা হয়েছে-প্রথম দলের অন্তর্ভুক্ত হওয়ার জন্য এবং তাকওয়া বা খোদাভীরুতার অধিকারী হওয়ার জন্য কেবল একটি পথ রয়েছে। আর তা হলো সব কিছু থেকে মুক্ত হয়ে একমাত্র আল্লাহর প্রতি আসক্ত হওয়া, যে আল্লাহ আমাদেরকে এবং আমাদের পূর্বপুরুষদেরকে সৃষ্টি করেছেন। অন্যদের দাসত্ব থেকে মুক্ত হওয়ার জন্য একমাত্র তারই দাসত্ব করতে হবে। এমন অনেক মানুষ আছে যারা আল্লাহকে বিশ্ব জগত ও মানুষের স্রষ্টা বলে স্বীকার করে, কিন্তু নিজের ও সমাজ জীবনের দিকনির্দেশনা ও জীবনাদর্শ গ্রহণ করে অন্যদের কাছ থেকে। যেন আল্লাহ তাদেরকে সৃষ্টি করে দুনিয়ায় ছেড়ে দিয়েছেন যাতে তারা তাদের খুশীমত চলে। এই আয়াতে এ ধরণের চিন্তা-ভাবনার জবাবে বলা হয়েছে-"তোমাদের স্রষ্টা, তোমাদের প্রতিপালকও বটে। তোমাদের বিকাশ ও বেড়ে ওঠার জন্য কিছু দায়িত্ব ও কর্মসূচী নির্ধারণ করেছে এবং একটি নির্দিষ্ট নীতিমালা ও ব্যবস্থা ঠিক করে দিয়েছে। আইন ও বিধান দেয়ার অধিকার একমাত্র আল্লাহর যিনি কিনা তোমাদেরকে সৃষ্টি করেছেন।"
অতএব একমাত্র তারই উপাসনা করতে হবে, তার আনুগত্য করতে হবে এবং তার দেয়া বিধান মেনে চলতে হবে। স্রষ্টা ও প্রতিপালকের আনুগত্য এবং তার দেয়া আইন মেনে চললে মানুষেরই লাভ। এর ফলে মানুষ মন্দ ও অকল্যাণ থেকে মুক্তি পাবে এবং উত্তম ও কল্যাণের অধিকারী হবে। সূরা বাকারার ২১ নম্বর আয়াতের কয়েকটি শিক্ষণীয় বিষয় হলো-
প্রথমতঃসত্য ও কল্যাণের দিকে পয়গম্বরদের আহ্বান সার্বজনীন। কোন বিশেষ শ্রেণী, জাতি বা গোত্রের জন্য নির্ধারিত নয়। তাই পবিত্র কোরানে প্রায় ২০ বার সব মানুষকে উদ্দেশ্য করে বলা হয়েছে-"ইয়া আইয়ুহান্নাস"।
দ্বিতীয়তঃআল্লাহর এবাদত ও উপাসনার একটি অন্যতম উদ্দেশ্য হলো আমাদের প্রতি এবং আমাদের পূর্ব পুরুষদের প্রতি আল্লাহপাকের অশেষ নেয়ামতের প্রতি শোকর আদায় করা।
তৃতীয়তঃআমাদেরকে সৃষ্টি করা হলো আল্লাহর পক্ষ থেকে আমাদের জন্য সর্বপ্রথম ও সর্বশ্রেষ্ঠ নেয়ামত। এ মহান নেয়ামতের বিনিময়ে আল্লাহর নির্দেশের সামনে আমাদের পূর্ণ আনুগত্য প্রদর্শন করা উচিত।
চতুর্থতঃতাকওয়া ও নিষ্কলুষতার উৎস হলো এবাদত। যদি কোন এবাদত আমাদের মধ্যে তাকওয়া ও সংযমের বৃদ্ধি না ঘটায় তাহলে তা এবাদতই নয়।
পঞ্চমতঃআমাদের পূর্ব পুরুষদের আচার-আচরণ ও বিশ্বাসকে আল্লাহর নির্দেশের উপর প্রাধান্য দেয়া উচিত হবেনা। কারণ তারাও আল্লাহর সৃষ্টি। তাদেরকে অনুসরণ করতে গিয়ে আল্লাহর নির্দেশ অমান্য করা চলবে না।
ষষ্ঠতঃআমাদের এবাদত-বন্দেগী ও উপাসনার কোন প্রয়োজন আল্লাহর নেই। আমাদের নামাজ-রোজা ও অন্যান্য এবাদত আল্লাহর শ্রেষ্ঠত্বকে বৃদ্ধি বা হ্রাস করে না। বরং নিজেদের বিকাশ ও পূর্ণতার জন্যেই আমাদেরকে তার এবাদত করতে হবে এবং তাঁর পূর্ণ অনুগত থাকতে হবে।
সপ্তমতঃ লক্ষ্য রাখতে হবে নিজেদের এবাদতের কারণে অহঙ্কারী না হয়ে পড়ি। মুত্তাকী ও পরহেজগার হওয়ার পথে বড় বাধা হচ্ছে অহঙ্কার ও লোক দেখানো এবাদত।
এবারে সূরা বাকারার ২২ নম্বর আয়াত নিয়ে আলোচনা করা যাক। এ সুরায় বলা হয়েছে-" প্রতিপালক পৃথিবীকে আমাদের জন্য বিছানা ও আকাশকে ছাদ করেছেন, এবং আকাশ থেকে পানি বর্ষন করে তা দিয়ে তোমাদের জন্য ফল-মূল উৎপাদন করেন। সুতরাং জেনে শুনে কাউকে আল্লাহর সমকক্ষ দাঁড় করিও না।"
এ আয়াতে আল্লাহপাক বেশ কিছু নেয়ামতের কথা উল্লেখ করেছেন, যে নেয়ামতগুলো আবার অন্য বেশ কিছু নেয়ামতের উৎস। আল্লাহ পৃথিবীকে মানুষের জন্য বিছানার মত করে সৃষ্টি করেছেন। এই পৃথিবীর পাহাড় প্রান্তর, মাটি, পানি, মাটির ওপর ও ভেতরকার হরেক রকমের খনিজ ও প্রাকৃতিক দ্রব্য সব কিছু মানুষের বেঁচে থাকার জন্য উত্তম ব্যবস্থায় সৃষ্টি করেছে। আকাশ ও পৃথিবীর মধ্যে চমৎকার সমন্বয়ের ফলে বৃষ্টি ঝরে পড়ে, বেড়ে ওঠে গাছ-পালা, ফল-মূল। এভাবে মানুষ খাদ্য ও জীবিকা লাভ করে। এ সব কিছুই সংঘটিত হয় আল্লাহর অসীম শক্তি ও ক্ষমতার বলে। তাই অন্যরা যখন তাদের বেঁচে থাকার জন্য আল্লাহর প্রতি নির্ভরশীল তখন কিভাবে তাদেরকে আল্লাহর সমকক্ষ বিবেচনা করবো? কি করে আল্লার নির্দেশ বাদ দিয়ে তাদের নির্দেশ মানা সম্ভব? সূরা বাকারার ২২ নম্বর আয়াতের কয়েকটি শিক্ষণীয় বিষয় হলো-
প্রথমতঃ আল্লাহকে চেনা, তাঁর আনুগত্য করা এবং আল্লাহর এবাদতের সর্বোত্তম উপায় হলো তাঁর নেয়ামতের প্রতি লক্ষ্য করা। তাই এর আগের আয়াতে আল্লাহর উপাসনার নির্দেশ দেয়ার পর এ আয়াতে মানুষের প্রতি আল্লাহর কিছু নেয়ামতের কথা তুলে ধরা হয়েছে।
দ্বিতীয়তঃ আকাশ ও পৃথিবীর মধ্যকার চমৎকার সমন্বয় ও শৃংখলা হলো এক মহা ক্ষমতাবান ও জ্ঞানী স্রষ্টার অস্তিত্বের সেরা দলিল।
তৃতীয়তঃএ আয়াত থেকে বোঝা যায় আল্লাহপাক সৃষ্টি জগতকে মানব জাতির জন্য সৃষ্টি করেছেন। অন্য সব কিছু সৃষ্টি করেছেন মানুষের জন্য।
চতুর্থতঃ সৃষ্টি জগতের প্রত্যেক অংশের মধ্যে বিরাজমান সমন্বয় ও শৃংখলা থেকে এক খোদার অস্তিত্ব বোঝা যায়। এ দিকে লক্ষ্য রেখে আমাদেরকে হতে হবে একত্ববাদী এবং কোন কিছুকে আল্লাহর সমকক্ষ দাঁড় করানো চলবে না।
চতুর্থতঃ আল্লাহকে জানা এবং তার উপাসনা করা মানুষের সহজাত বিষয়। প্রত্যেক মানুষের অন্তরে এ দুই অনুভূতির অস্তিত্ব রয়েছে। তাই সূরা বাকারার ২২ নম্বর আয়াতে বলা হয়েছে-"তোমরা নিজেরাই জানো।"
পঞ্চমতঃ পানি ও মাটি হলো গাছ-পালা বেড়ে ওঠার মাধ্যম। কিন্তু এ সবের বিকাশ-বৃদ্ধি সব আল্লার হাতে। তাই আল্লাহপাক বলেছেন-"তিনিই তোমাদের জন্য ফল-মূল উৎপাদন করেন।

০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

একজন বণিক, যিনি বদলে দিয়েছিলেন সমগ্র আরবের ইতিহাস

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:৪৩


মরুভূমির মাঝে দাঁড়িয়ে পুরো আরবকে বদলে দেওয়ার স্বপ্ন দেতেন একজন মানুষ। শুনতে পাগলামি লাগে, তাই না? কিন্তু সেই মানুষটা যদি ছোটবেলা থেকে কাফেলায় কাজ করে থাকেন, যদি তিনি জানেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা যেভাবে আব্বাসীদের জন্য হুমকি হয়ে আসছে- কী হবে খালেদ মহিউদ্দিনের?

লিখেছেন হিমন, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:৫০

হোমো ইরেক্টাসদের প্রায় বিশ লাখ বছর আগের আগুনের ব্যবহার থেকে শুরু করে ছয় হাজার বছর আগের চাকা আবিষ্কার, ১৮৩১ সালের বিদ্যুৎ, গত শতাব্দীর অ্যান্টিবায়োটিক, আর এই সেদিনের ইন্টারনেট ও স্মার্টফোন—... ...বাকিটুকু পড়ুন

আসলে কেউ ফেরে না।

লিখেছেন রানার ব্লগ, ০৮ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৭:০৬

মৃতরা ফিরে আসে না।
ফিরে আসে তাদের ফেলে যাওয়া শূন্যতা,
চায়ের কাপের ধোঁয়া,
অধেক বলা কোনো কথা
অথবা হঠাৎ থেমে যাওয়া কোন সুর

যে প্রেম চলে গিয়েছিল,
সে আর কোনোদিন দরজায় কড়া নাড়ে না।
শুধু একদিন আয়নায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্য ড্রাগ কিং

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:১৫


সতর্কবার্তা: এটি একটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ক্রাইম ফিকশন। বাস্তব একটি অপরাধের কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে পাঠকদের জন্য এর চরিত্র, নাম এবং স্থান পরিবর্তন করে গল্পটি সাজানো হয়েছে।

খুলনা... ...বাকিটুকু পড়ুন

সামুতে আবারও লিলিপুটিয়ানদের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৮

আমার গত পোস্টে আলামিন১০৪ নামের এক ব্লগার মন্তব্য করেছেন যে - "এ আই দিয়ে হুমায়ূন আহমেদের মতো লেখা যায়।"
তিনি এ আই-কে প্রম্পট দিয়েছিলেন ' হুমায়ুন আহমেদের মতো গল্প লিখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×