somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

যখন গিয়েছে ডুবে......

১৭ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:২৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :






এমন কখনো হয়েছে যে আপনি ভেংগে গেছেন একেবারে? কাউকে খুব বলে হালকা হতে ইচ্ছে করছে কিন্তু ওদের অপেক্ষাকৃত মসৃণ পথের হালকা ঝাকুনি হতে আপনার ইচ্ছে করছে না বলে না বলে চেপে যাচ্ছেন?
আমার অবস্থা এমন যাচ্ছে অনেকদিন ধরে বুঝলেন। প্রাণপণে ঠেকিয়ে বেড়াচ্ছি যাতে করে কেউই

-- আমার চিকন সুতাটি ছিড়ে যাবে আরেকটু হলেই তা যেনো বুঝতে না পারে।

একা একা এই অসহ্য জিনিসটি বয়ে বেড়াছি তা ধরুন হাফ ডজন বছর হয়ে যাচ্ছে প্রায়। মানে, ডাক্তার একটা নিরীহ সুন্দর কাগজে লিখে সই করে সায় দিয়ে দিলেন যে দিন থেকে, সেই দিনে থেকে যদি ধরি আর কি। সমস্যাটার এক যুগ হয়ে যাবে আমার কাছে মনে হচ্ছে।

কাউকে বলতে ইচ্ছে করে না জানেন। এমন নয় যে তারা আমার শুভাকাঙ্ক্ষী না। কিন্তু তারা আমাকে নিয়ে চিন্তায় মেতে উঠবে, কেউ কেউ "আহারে" ভেবে বসবে তা নেয়া যায় না।

তবে আমি আসলেই আর পারছিলাম না।

এর মাঝে মৃত আমি শুধু একবার সবকিছু কেমন লাগে তা অনুভব করতে চাচ্ছিলাম। পূর্নিমার আলোয় বনে ঢুকে যাওয়া, ভালো তামাকের সিগারেটে একটা গভীর টান অথবা বজ্রপাত ছাড়া ভীষণ বৃষ্টিতে ভিজে হেটে বেড়ানো ইত্যাদি করতে খুব ইচ্ছে হয়েছিল।

বজ্রপাত আমি ভীষণ ভয় পাই।

কিছুই হলো না। অথচ দেখুন কি হয়ে গেলো বরং।

আপনার দোষ নেই। আপনি আপনার নারী সুলভ আচরণ তো করবেনই। এভাবেই তো করে আসছেন আপনারা। সুযোগ নিচ্ছেন। দুর্বল হয়ে সবল এক সিস্টেমের গোড়ায় বসে একের পর এক জীবন ধংসের নগ্ন নৃত্যে মেতে উঠছেন প্রতিদিন।

সাগর নামের যে ছেলেটার সর্বনাশ হয়ে গেলো ওকে আমি ওশেন নামেই ডাকতাম। এ ছেলে আমার মতোই মানসিক সমস্যায় ভুগতো। নিরীহ এই ছেলেটা অনেক দিন অন্ধকার রুমে শুয়ে থাকা ছাড়া আর কিছুই করতো না বলা চলে। একদিন খুব সাহস করে বাইরে বেরিয়ে এলো। চারদিকে কিসের যেনো উৎসব তখন। আর আপনি এসে পড়লেন তার জীবনে।

ঠকালেন, আপনার সংগী দের নিয়ে মারলেন এবং সে দিনই মারা গেলো বেচারা। আমি খুশী হয়েছিলাম খুব।

ডিপ্রেশন আপনাকে শেষ করে দেয়। এর চেয়ে ক্যান্সার খুব ভালো রোগ। এমন নয় যে আমি ওর খুব ভালো বন্ধু ছিলাম কিন্তু তার সাথে আমার শুধু একটা জিনিসেই মিল ছিলো। শেষবারের মতো কেমন লাগে একটু .........

একটা খুন আমি করতামই।

একটা খুন আমার কপালে ছিলো। একদিন ভরা কোনো পুর্ণিমার শুরুতে চাঁদটা লাল অবস্থায় থাকার সময়ই। আপনাকে যেতে যেতে কোথাও একটা শোনা হয়েছে এমন এক কবিতার বাংলা অনুবাদ শোনাতে পারি। যেটা আমি করেছি। ডিপ্রেশনের সাথে খুব মিল .......

এখন যে কোথাও আর ফিট হয় না
কোথায় যাবে সে?
যে কোন কথায় আর খুশি হয় না
কোথায় যাবে সে?
যার আর প্রেম জন্মাচ্ছে না দ্বিতীয় বারের মতো
কোথায় যাবে সে?
যাকে কেউই বুঝতে পারছে না আর
কোথায় যাবে সে?


ও! আপনার বেশিক্ষণ অপেক্ষা করতে হবে না। আফসোস এটাই যে আপনি ডিপ্রেসড একজনের হাতে খুন হচ্ছেন। What an irony! এরা নিজেদের ক্ষতির চিন্তা করে কুলোয় না আর খুন! হা হা হা। But they say.....


"Very small man can cast very large shadows baby."




সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৩৩
৪টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

দেশ ভ্রমনঃ মেহেন্দীগঞ্জ উলানিয়া_জমিদার বাড়ি

লিখেছেন মৌন পাঠক, ০২ রা আগস্ট, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৫৭

আপনি যদি ঢাকায় থাকেন, তবে কোনো এক বিকেল কিংবা সন্ধ্যায় চলে যান সদরঘাটে। সেখান থেকে উলানিয়াগামী কোনো একটি লঞ্চে উঠে পড়ুন। লঞ্চের ম্যানেজারের সঙ্গে কথা বলে এক পাশের একটি কেবিন... ...বাকিটুকু পড়ুন

I Have a plan / মুচলেকা দিয়ে যাওয়া এবং মুচলেকা দিয়ে ফেরত আসা সরকারের রাষ্ট্র ‼️

লিখেছেন ক্লোন রাফা, ০৩ রা আগস্ট, ২০২৬ ভোর ৫:৪৬





ওয়াশিংটন – যদিও তিনি এমন একটি নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় এসেছেন যার বৈধতা নিয়ে ব্যাপক প্রশ্ন রয়েছে, এবং শক্তিশালী মহলের প্ররোচনায় যাদের হস্তক্ষেপ কখনোই সন্দেহের বাইরে ছিল না, তারেক... ...বাকিটুকু পড়ুন

পাহাড় কাউকে জয়ী হতে দেয় না

লিখেছেন মুনতাসির, ০৩ রা আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৮:১১




আমরা প্রায়ই বলি, অমুক এভারেস্ট জয় করেছেন, তমুক কে-টু জয় করেছেন, অমুক অন্নপূর্ণা জয় করেছেন। শব্দটি এতটাই প্রচলিত যে আমরা আর ভাবিই না—আসলে কি পাহাড়কে জয় করা যায়?

আমার... ...বাকিটুকু পড়ুন

এনসিপিকে মারছে কেন? (অথবা) এনসিপি মার খাচ্ছে কেন?

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ০৩ রা আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১:৪০


(ইহা নাকি এনসিপিকে পিষিয়ে মারবে!)

এনসিপিকে মারছে কেন (?) অথবা এনসিপি মার খাচ্ছে কেন? প্রশ্ন দুটো হলেও আদতে প্রশ্ন একটাই উত্তরও একটাই। বিগত ১৫/১৬ বছর অর্থাৎ খুনি হাসিনার আমলে যাহারা... ...বাকিটুকু পড়ুন

জুলাই আন্দোলনের সম্ভাবনাময়, রৌদ্রোজ্জ্বল মুখগুলো ডানপন্থার অনুরাগী হচ্ছে! দায় কার?

লিখেছেন শেহজাদ আমান, ০৩ রা আগস্ট, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:০৩



জুলাই আন্দোলনের অন্যতম সেই আইকনিক ফটো--যেখানে দেখা যাচ্ছিল একটা ভার্সিটির ফাস্ট কি সেকেন্ড ইয়ারের মেয়ে পুলিশের গাড়ি আটকাচ্ছে, ওর ভার্সিটির এক বড় ভাইকে পুলিশের গাড়িতে তুলে নিয়ে যাওয়ার পর।... ...বাকিটুকু পড়ুন

×