ভারতের অরুণাচলে প্রদেশের পাসিঘাটে আচমকাই শুকিয়ে গেছে খরস্রোতা ব্রহ্মপুত্র। পূর্ব সিয়াং-এর জেলা সদরে বুধবার দুপুর থেকেই ব্রহ্মপুত্র বা সিয়াং-এর পানি আচমকা নামতে শুরু করেছিল। রাতেই প্রায় পুরো শুকিয়ে যায় নদীখাত।
গোটা ঘটনায় ভারতের সন্দেহের তীর চীনের দিকে।
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের সূত্রে বলা হয়েছে, ঘটনার কারণ এবং এর পিছনে ‘অন্য কোনো দেশের’ হাত আছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের যুগ্মসচিব গৌতম বাম্বেওয়ালার বক্তব্য হচ্ছে- ভারত এবং চীনের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত নদী গুলোর গতি পরিবর্তন নিয়ে দুই দেশেই বহুবার আলোচনা হয়েছে। চীন কথা দিয়েছে তারা এমন কিছু করবে না যাতে ভারত ক্ষতিগ্রস্থ হয়।
কিন্তু এর পরপরই জনাব গৌতম বাম্বেওয়ালা বলছেন- “চীনের মুখের কথা মেনে না নিয়ে আমরা নিজেরদের মত করে ব্রহ্মপুত্র শুকিয়ে যাওয়ার বিষয়টি দেখছি।”
তথ্যসূত্রঃ দৈনিক আমাদের সময়
এই হচ্ছে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের একজন নগন্য যুগ্মসচিবের মন্তব্য।
এবার আসি বাংলাদেশে। এখন দেখি অভিন্ন নদীর পানি বণ্টন নিয়ে আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা গওহর রিজভী কি বলেন।
তিস্তা নদীর পানি বণ্টন নিয়ে- “ভারতের প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং বলেছেন তিস্তা চুক্তি করতে রাজনৈতিক দলগুলোকে একমত করতে তিনি কঠোর পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। ঐকমত্য তৈরি হবার সঙ্গে সঙ্গেই তিস্তা চুক্তি সই হবে। আবারো তার এমন আশ্বাসে আমরা খুশি এবং আমরা এখন জানি যে খুব শিগগিরই চুক্তিটি হতে যাচ্ছে।”
তথ্যসূত্রঃ Click This Link
টিপাইমুখী বাঁধ নিয়ে-“টিপাইমুখ বাঁধের বিষয়ে ভারত সরকারের পক্ষ থেকে যে ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে, তাতে আমরা পুরোপুরি সন্তুষ্ট।” “ভারত আশ্বস্ত করেছে, ক্ষতিকর কিছু করবে না।”
তথ্যসূত্রঃ http://www.prothom-alo.com/detail/news/206850
লক্ষ্যণীয় হল ভারত-চীন সম্পর্কের ক্ষেত্রে ভারত শুধু চীনের মুখের কথায় আশ্বস্ত হচ্ছে না। আর বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের ক্ষেত্রে আমরা ভারতের মুখের কথায় শুধু আশ্বস্ত-ই হচ্ছিনা বরং তা যেন আমাদের জন্য ‘অমৃত বচন’ !
আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি...

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



