
সিকিমের ইতিহাসে অন্যতম মীরজাফর ছিল লেন্দুপ দর্জি। সে ভারতের জন্য নিজের দেশের সার্বভৌমত্ব বিসর্জন দিয়েছিলো। কিন্তু ভারত তাদের কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জন করার পর আস্তাকুড়ে ছুড়ে ফেলে দিয়েছিলো লেন্দুপ দর্জিকে। সেই লেন্দুপ দর্জি ভারতের পছন্দ অনুযায়ী সকল কাজ করত। এমনকি দেশের ভেতর সে ভারতের নিজস্ব সমরিক বাহিনীর থাকার ব্যবস্থাও করেছিলো।
সে সময় সিকিমে যা হয়েছিলোঃ
১। অভ্যন্তরীণ কোন্দল বেড়ে গিয়েছিলো;
২। গুম, খুন, হত্যা, বিচারহীনতা, বাকস্বাধীনতার অভাব সহ মানবাধিকার লঙ্ঘন;
৩। বিরোধীদের দমন;
৪। সব ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত করণ;
৫। দেশের মানুষের চাওয়া পাওয়ার দিকে সরকারের কোন ভ্রুক্ষেপ না থাকা;
আরও অনেক কারণ দেখিয়ে লেন্দুপ দর্জির সরকার লোক দেখানো গণ ভোটের আয়োজন করে। কারণ ছিল সিকিমের মানুষ ভারতের সাথে একীভূত হবে কি না? ভোটের ফলাফল সাজানো ছিল যেখানে দেখানো হয় জনগন চাচ্ছে তারা ভারতের সাথে একীভূত হতে চায়। এভাবেই মৃত্যু ঘটে একটি স্বাধীন রাষ্ট্রের।
এখন দেশে উপরিউক্ত দিকগুলোই বেশি ঘটছে। আমাদের সরকার সবসময় ভারতকে খুশি করার জন্য দেশের স্বার্থ বিরোধী কাজ করছে। দেশের মানুষের মতামতের কোন প্রাধান্য থাকছে না।
দেশকে অরাজকতার দিকে ঠেলে দিতে চাইছে একদল দেশ বিরোধী। দেশের ভবিষ্যৎ কি হবে?
লেন্দুপ দর্জির ভূমিকায় কেউ কি আসতে চাইছে ?
সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৬ রাত ১১:৩২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




