মাই ডিয়ার রাসেল ডট ডট, আমার খোলা চিঠি টু হরিপদ কেরানী... পোস্টে আপনাদের কিছু রত্নসম মন্তব্য পাইছি। (অন্য যারা দেখতে চান খোঁজ করতে পারে এই ঠিকানায় : Click This Link ) এইখানে সেসব মন্তব্যের কিছু নিয়া আমার প্রতিমন্তব্য। পোস্ট আকারে ছাড়লাম। জনগুরুত্ব থাকতে পারে বিধায়।
আপনেরা আমার চরিত্র বর্ণনার ভার নিছেন দেইখা পুনরায় ধন্যবাদ। এইভাবে আমার পশ্চাৎ ও অগ্রদেশে লাইগা থাকলে আমার জনপ্রিয়তা যে কোন আসমানে ঠেকব নির্ণয় ন জানি। আমি গাছ এবং তলা দু ইজায়গারটাই খাইতে ও কুড়াইতে চাই তা সত্য। আর যদি চান তাইলে তলারটা খাইয়া আপনের পোষা বান্দরদের জন্য গাছেরটা রাইখা দিমু নে।
আমারে নিয়া কথা না কইলে আপনেগো জিববায় পাড়া দিয়া কথা বাইর করমু আমি তেমন খানদান না। আমার বক্তব্যে সার না থাকলে তা নিয়াই কইতেন, তাই না। কিন্তু আমার যুক্তি সামাল দিতে না পাইরা আপনেরা আমার মনস্তত্ব নিয়া পড়ছেন।
তা পড়েন, আমারে গোয়া মারলেও আমি আপনেগো প্রতি ভালোবাসা জারি রাখমু। আমার আপত্তিগুলিরে কেন কইছি না ভাইবা কী কইলাম সেইখান থিকা খারিজ কইরেন। এখন আপনেরে একটা গোয়ামারার কবিতা শোনাই। আপনের সাংসদরাও তাদের কান খোলা রাখতে পারে। তবে পশ্চাৎদ্্বার বন্ধ রাখলে সুবিধা।
দোরা কাউয়া পেয়ারা গাছে
- - - - - - - - - - - -
দোরা কাউয়া পেয়ারা গাছে কা কা করে রে
দোরা কাউয়া পেয়ারা গাছে হিঃ হিঃ কী কী করে রে
পাতা ঝরে পাতা ঝরে পেয়ারার পাতা ঝরে রে
দোরা কাউয়া পেয়ারা গাছে কু কু করে রে
দোরা কাউয়া পাতি কাকের গোয়া মারে রে
পেয়ারা গাছে পাতি কাকের গোয়া মারে রে
ওরে আমার দোরা কাউয়া, দোরা কাউয়া রে,
পেয়ারা গাছে পেয়ারা গাছের পাতা ঝরে রে
ওরে আমার ঝরাপাতা, পাতাঝরা রে
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


