১। সৈয়দ শামসুল হকের ‘মার্জিনে মন্তব্য’, তালেয়া রেহমানের ‘লেখালেখি’- হাতে গোনা এমন দু-তিনটি বই ছাড়া লেখালেখির কৌশল নিয়ে তেমন কোনো বই নেই বাংলাভাষায়। এদেশে লেখকরা ট্রায়াল অ্যান্ড এররের মধ্য দিয়েই লেখা শেখেন। লিখতে লিখতে লেখক হয়ে ওঠার এ প্রক্রিয়া নিঃসন্দেহে ভাল। আগে আড্ডা-আলোচনা, তর্ক-বিতর্ক ইত্যাদির মধ্য দিয়েই নতুন লেখকরা লেখালেখির প্রাথমিক পাঠটুকু পেয়ে যেতেন সিনিয়রদের কাছ থেকে। লেখালেখি নিয়ে প্রচুর বই আছে ইংরেজি ভাষায়। তেমন এক বই ‘বার্ড বাই বার্ড’। বইটির বেশ পসার আছে বাজারে, লেখকরা উপকার পেয়েছেন বলে স্বীকার করেছেন। অবশ্যই সবাই ভাল লিখতে চাইবে, কিন্তু হয়তো সেটা তারা পারবে না। কিন্তু কেউ যদি ধৈর্য আর বিশ্বাস নিয়ে প্রচেষ্টা চালিয়ে যায় তবে একদিন অবশ্যই ভাল লিখতে পারবে।
“Bird By Bird” লিখেছেন অ্যান লেমট। ১৯৫৪ সালে জন্ম নেয়া মার্কিন লেখক অ্যান লেমটকে বলা হয়ে থাকে ‘জনতার লেখক’। গল্প এবং প্রবন্ধ দুই-ই তিনি সমান ভাবে লিখেছেন। তিনি একই সাথে একজন রাজনৈতিক কর্মী, বক্তা এবং শিক্ষক। মূলত সান ফ্রান্সিসকোতেই তার জন্ম এবং বেড়ে ওঠা। তার রচিত প্রবন্ধগুলো মূলত আত্মজৈবনিক। নিজের রচনা সম্পর্কে এই লেখকের বক্তব্য হলো – আমি তা-ই লিখি যা লিখতে আমার ভাল লাগে; যাতে সত্য কথন থাকে, থাকে মানুষের জীবন ঘনিষ্ট হৃদয়ের অনুভূতি, আধ্যাত্মিক রূপান্তর, পরিবার, গোপনীয়তা, পাগলামী আর সর্বোপরি হাস্যরস। অ্যান লেমট রচিত “বার্ড বাই বার্ড” প্রকাশিত হয় ১৯৯৪ সালে। এটি এমন একটি বই যাকে লেখালেখি সংক্রন্ত বিষয়ে কোর্স বলা চলে।
২। জিম হকিন্স নামে এক রোমাঞ্চপ্রিয় কিশোর বাস করে সমূদ্র তীরের এক শহরে। সে ও তার মা সেখানে একটি সরাইখানা পরিচালনা করে। একদিন সেই সরাই খানায় এসে উপস্থিত হয় এক বদরাগী মেজাজের ঝগড়াটে ক্যাপ্টেন। লোকটি হঠাৎ মারা গেলে তার একটি সিন্দুক থেকে একটি মানচিত্র পাওয়া যায় যা জিম এবং শহরের কিছু লোককে নিয়ে যায় এক দুঃসাহসিক অভিযানে। যেখানে তারা মোকাবেলা করে জলদস্যু ও বিশ্বাস ঘাতকদের।
বলুন আমি কোন উপন্যাসের কথা বলছি এবং লেখক কে?
৩। বহুদিন আগে দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটা চিঠিপত্রের সংকলন প্রকাশ করেছিলেন প্রিয়নাথ শাস্ত্রী মশাই। নাম ছিল ‘পত্রাবলী’। সেখানে শাস্ত্রী মশাই মোট ১৪৬খানা চিঠি সংকলিত করেছিলেন। তার মধ্যে ছিল রাজনারায়ণ বসুকে লেখা, বেচারাম চট্টোপাধ্যায়কে লেখা, কেশবচন্দ্র সেন, নবকান্ত চট্টোপাধ্যায়, হেমচন্দ্র বিদ্যারত্ন, রবীন্দ্রনাথ, সৌদামিনী দেবী ও আরও কয়েকজনকে লেখা দেবেন্দ্রনাথের চিঠি। দেবেন্দ্রনাথকে লেখা চিঠিও ছিল কয়েকটা। বইয়ের ভূমিকা তথা ‘বিজ্ঞাপন’-এ শাস্ত্রীমশাই জানিয়েছিলেন-
“ইহাকে তাঁহার স্বরচিত জীবনচরিতেরই আর এক পৃষ্ঠা বলা যাইতে পারে।” এমন একটা বই আর ছাপা হল না। বিশ্বভারতী প্রকাশনাও কেন যে গা করলেন না, জানিনা!
আলোচিত ব্লগ
রংয়ের মানুষ

গ্রেট মাদ্রাজ ফ্যামিন যখন অনুপ্রেরণার উৎস
একদিন আমাদের সবার প্রিয় সংসদ সদস্য আমির হামজা ওয়াজে বেশ গরম গরম কথা বলছিলেন। মহান আল্লাহ তায়ালার সৃষ্টির সৌন্দর্য ব্যাখ্যা করতে গিয়ে হঠাৎ রাশমিকা... ...বাকিটুকু পড়ুন
অভিনন্দন নাবিহা সাকলায়েন: ৩০ বছর পরের এআই পটেনশিয়াল

কনসেপ্ট টা খুবই সোজা...পৃথিবীর তাবত মানুষ ই জানে যে আপনার বিশ বছর বয়সে শরীরে যে কোষ গুলি আছে তা আপনার ৬০ বছর বয়সের কোষ আর সেইম না ..লম্বা সময়... ...বাকিটুকু পড়ুন
লক্ষ্মীপুরের সুপারি থেকে উপকূলের অর্থনীতি: কৃষিজ সম্পদই পারে গ্রামীণ ভাগ্য বদলাতে

বাংলাদেশের প্রতিটি অঞ্চলে এমন কিছু নির্দিষ্ট ফল, ফসল বা মৎস্য সম্পদ প্রাকৃতিকভাবে উৎপাদিত হয়, যা শুধু স্থানীয় চাহিদা মেটায় না, বরং পুরো অঞ্চলের অর্থনীতিতে জোরালো প্রভাব ফেলে।... ...বাকিটুকু পড়ুন
”আমার রাজনীতির রূপরেখা” -- জিয়াউর রহমান

শহীদুল ইসলাম প্রামানিক
আমি তখন দৈনিক দেশ পত্রিকায় চাকরি করি। এটা আমার দ্বিতীয় চাকরি। প্রথম চাকরি নিয়েছিলাম ব্রিটিশ আমলের প্রকাশিত দৈনিক আজাদ পত্রিকায়। আজাদ পত্রিকাটি ব্রিটিশ আমলে মুসলমানের পক্ষের একমাত্র... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

