somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

রাজীব নুর
আমার নাম- রাজীব নূর খান। ভালো লাগে পড়তে- লিখতে আর বুদ্ধিমান লোকদের সাথে আড্ডা দিতে। কোনো কুসংস্কারে আমার বিশ্বাস নেই। নিজের দেশটাকে অত্যাধিক ভালোবাসি। সৎ ও পরিশ্রমী মানুষদের শ্রদ্ধা করি।

শিক্ষিত ছেলেদের মগজ ধোলাই (ব্রেইনওয়াশ) কিভাবে সম্ভব?

০৫ ই জুলাই, ২০১৬ দুপুর ২:০০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

বাংলাদেশে জঙ্গি হামলা করে আইএস-এর কি লাভ? বাংলাদেশে তারা বিদেশী নাগরিকদের হত্যা করছে। বিদেশী নাগরিক সব দেশেই আছে তাহলে হত্যা বাংলাদেশেই কেন?

যেসব বিদেশী হত্যা হয়েছে তাদের সাথে বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের সাথে কোন না কোনভাবে জড়িত। আইএস কারো জন্য ভাড়া খাটছে নাতো? আমাদের প্রধান দায়িত্ব আইএসের অস্তিত্ব সরাসরি অস্বীকার করা।

সেদিন পৃথিবীটায় সব কিছু যদি ঠিকঠাক থাকত, সব অঙ্ক যদি হিসেব অনুযায়ী চলত, তা হলে তারিশি-নিবরাসের বন্ধুত্ব হওয়ার কথা ছিল সে রাতে। কিন্তু সে রাতে হোলি আর্টিজান কোনও রেস্তোরাঁ ছিল না, তা নরকে বদলে গিয়েছিল! নরকে যা ঘটা উচিত, তাই ঘটল।


আমি আর আমার মেয়ে।


আপনার বাচ্চাকে হার্ডকোর মুমিন না বানিয়ে একজন ভালো বিবেকবান মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার চেষ্টা করুন। যদি বিবেক তৈরি হয়, তখন সে এমনিতেই সঠিক বেঠিক যাচাই করতে পারবে, নিজ ধর্ম সম্পর্কে শুদ্ধ জ্ঞ্যান অর্জনে অর্জিত করতে পারবে।

নূন্যতম ইসলামী জ্ঞান এই সব জঙ্গিদের নেই। এই সব দেখিয়া শুনিয়া মাথায় গিট্টু লেগে গেল। আমাদের মতো নির্বিরোধী, শান্তিপ্রিয়, অতিথিপরায়ণ দেশে এবারে যে নজিরবিহীন ভয়াবহ ঘটনা ঘটলো তার ভিত একদিনে তৈরি হয়নি। দিনশেষে, আমরা কারো উপরই আস্থা খুঁজে পাচ্ছি না।

ক্ষমতাসীনেরা কখনো বিপদে পড়ে না, বিপদ হয় দেশের। ফেসবুকে এখন শত শত কমান্ডো, নিরাপত্তা বিশ্লেষক! সেনা অভিযান নিয়ে একশত প্রশ্ন! সেনাবাহিনীর এই করার দরকার ছিলো, সেই করার দরকার ছিলো! সরকারের আন্তরিক ইচ্ছা প্রমানিত হলে, দেশের ১৬ কোটি জনগন তাদের পাশেই থাকবে।

দেশে শত শত বিদেশী আসছে যাচ্ছে কিন্তু সবাই খুন হচ্ছে না। শুধুমাত্র গার্মেন্টস বায়াররাই টার্গেট হচ্ছে। কেন? কোরিয়ার ভদ্রলোকের ভিডিওটা ছিলো বলে মানুষ কিছুটা সঠিক তথ্য পেয়েছে। আমাদের দুই নেত্রীই নিজ নিজ দলের কিছু অযোগ্য আর চুড়ান্ত চাটুকার দ্বারা পরিবেষ্টিত থাকতেই বুঝি অভ্যস্ত হয়ে গেছেন। ফলে তারা অনেক কিছুই হয়ত চাইলেও করতে পারেন না।

আমরা ভয়ঙ্করভাবে বিভক্ত এক জাতি হয়ে যাচ্ছি দিন দিন। জাতির অর্থনৈতিক মেরুদন্ড ভেঙে দিতে এরকম একটা ঘটনাই যথেষ্ট। বিদেশিদের কাছে আমরা ক্রমেই বিপদজনক রাষ্ট্রে পরিনত হয়ে যাচ্ছি। যারা ফেসবুকে বুদ্ধিজীবী হিসাবে পরিচিত তারা মাঝে মাঝে এমন কিছু কাজ করে বসেন যা খুবই হাস্যকর মনে হয়।

অতীতে বেশ কিছু জঙ্গি ধরা হয়েছে কিন্তু বিষবৃক্ষ কাটা হয়নি। সমাজকে বাঁচাতে হলে, দেশকে বাঁচাতে হলে শুরুটা নিজেদের পরিবার থেকেই করতে হবে। অনেক দেরী হয়ে গেছে। ক্ষতি যা হওয়ার হয়ে গিয়েছে। এখন ঘুরে দাঁড়াতে হবে। আমি খুবই আশাবাদী। জনগন সচেতন হবে। এই সব কালো ছায়ারা আর কোনোদিন সুযোগ পাবেনা এই দেশে!

পরকীয়া প্রেমের মজা কোথায় জানেন? দায়িত্ব না নিয়েই এঞ্জয় করা যায় .. আর সেটা করতে পারলে আর বিয়ে করার কি দরকার ... যেভাবে খুশি সেভাবে ব্যবহার করতে পারলেই উদ্দেশ্য সাধন ...

আমরা শান্তিময় একটা দেশ চাই, যেখানে হাজারো দুঃখ-কস্ট মেনে নিয়ে হাসি মুখে ঘুমাতে যেতে পারি। এতটুকুই আমাদের চাওয়া সরকারের কাছে। সরকারকে আরো কঠিন ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য।

আল্লাহ ফেরাউনের মত ঐ সব সন্ত্রাসীদের নাশ কর। মদিনা আক্রমন হলে তো আর কিছু বাকি থাকলনা। মসজিদে নববীর মত স্থানে কাফেরদের বোমা হামলা..! আল্লাহর আজাব সন্নিকটে তাতে কোনো সন্দেহ নেই...! তারপরেও বলবো মহানবী (সাঃ) -এর পবিত্র জন্ম ভূমিতে এই ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক। আমি এর তীব্র নিন্দা জানাই। আহ! ইসলামকে আর কত ছোট করবে এরা...


সর্বশেষ এডিট : ০৫ ই জুলাই, ২০১৬ দুপুর ২:০০
১টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ধর্মোন্মাদদের কল্পিত বাস্তবতা: "দি ম্যাট্রিক্স" এবং নীল বড়ি

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ১:১৭


বাংলাদেশ ধর্মোন্মাদ ও জঙ্গিদের কবলে পড়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধম্যের কল্যানে এই ধর্মোন্মাদনা দাবানলের মতো সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ছে।

ধর্ম অবমাননার অভিযোগ তুলে, কদিন আগে সাতক্ষীরায় একদল ধর্মোন্মাদ ও জঙ্গি ওয়াহিদুজ্জামান শামীম... ...বাকিটুকু পড়ুন

ফেসবুক অ্যাক্টিভ মানেই- অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট নয়।

লিখেছেন জুল ভার্ন, ২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ২:১৩

ফেসবুক অ্যাক্টিভ মানেই- অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট নয়।

বর্তমান ডিজিটাল যুগে ‘অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট’ একটি বহুল ব্যবহৃত পরিচয়। সামাজিক এবং রাজনৈতিক অঙ্গনে এই পরিচয়ের কদর দিন দিন বাড়ছে। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে- ফেসবুকে নিয়মিত পোস্ট... ...বাকিটুকু পড়ুন

যারা ব্রয়লার মুরগী খায় তারা সমকামী

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৪:৫৩


ওয়াজ শোনেন অথচ মুফতি কাজী ইব্রাহিম হুজুরকে চেনেন না, এমন মানুষ বাংলাদেশে খুব কমই আছেন। হুজুরের আরেকটি বড় পরিচয় হলো, তিনি করোনার ওষুধ স্বপ্নে পেয়েছেন বলে দাবি করেছিলেন। হুজুর... ...বাকিটুকু পড়ুন

শেইপ শিফটার ৩ - মাছ কন্যা

লিখেছেন হুমায়রা হারুন, ২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৫:১৯


২০১১ এর দিকে নর্থ –ইয়র্কে থাকাকালীন রুমার বাসার আশেপাশে তেমন কোন বাঙালি দোকান ছিল না ।সেই টরোন্টর নামকরা চাইনিজ সুপারমার্কেট –টা বেশ দূরে। পায়ে হেঁটে যাওয়ার পথ নয়।... ...বাকিটুকু পড়ুন

যে পথ ধরে রথো রাফি হেঁটে যেতেন: চলে গেলেন ব্লগার রাফি

লিখেছেন শরৎ চৌধুরী, ২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৯:০৩

কবি, ব্লগার ও অনুবাদক রথো রাফির স্মরণ
রথো রাফি ব্লগ
রথো রাফি আর নেই—সত্যটি মেনে নেওয়া ভীষণ কঠিন। একজন মানুষের চিরপ্রস্থানের পর আমরা কেবল তার শারীরিক অনুপস্থিতিই টের পাই না, বরং গভীরভাবে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×