
১। যদি এমন একটা অফিস থাকতো-
সকালে ঘুম থেকে উঠে, গোছল করে নাস্তা খেয়ে তাড়াহুড়া করে অফিসে যেতাম। অফিসে যাওয়ার পর- টেবিলে দেখতাম পছন্দের বই গুলো সাজানো। অফিসে কাজ থাকবে- প্রতিদিন একটা করে বই পড়ে শেষ করতে হবে। সময় সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা।
বস এসে বলবে, রাজীব সাহেব মন দিয়ে বই পড়ুন। অনেক বই জমে গেছে। এভাবে করলে হবে? আরও মন দিয়ে বই পড়তে হবে। ১১টা বাজতেই পিয়ন এসে স্যান্ডউইচ আর কফি দিয়ে যাবে। আবার দুপুরে এসে বলবে, স্যার খানা দিব? তিনটা বেজে গেছে। বিকেলে থাকবে চা-নাস্তা।
সপ্তাহ শেষে মিটিং। এক সপ্তাহ কি কি বই পড়লাম তার উপর আলোচনা।
মাস শেষে একাউন্টে বেতন ঢুকে যাবে। মোটা মোটা বই দ্রুত শেষ করাতে বছর শেষে প্রমোশন হবে। বেতন বাড়বে। আমার রুমটা আর একটু বড় হবে, নতুন এসি আসবে। ব্যাক্তিগত একটা পিয়ন দেওয়া হবে।
অন্য অফিস থেকে অফার করবে, আপনি তো বই পড়ায় ওস্তাদ লোক। আপনি আমাদের অফিসে চলে আসুন। এই অফিস থেকে বেশি সুবিধা পাবেন। আপনাকে গাড়ি দেওয়া হবে।
২। আমি তো মনে করি, বেসিক্যালি মানুষ হচ্ছে অস্থির প্রকৃতির, এবং স্বভাবগত ভাবেই ক্ষমতালোভী ও অলস প্রকৃতির। সুতরাং মানুষের কাছ থেকে absolute good বের করে আনা কখনই সম্ভব নয়।
৩। যখন আমার বয়স ২ বছর ছিল তখন আমার ভাইয়ের বয়স আমার অর্ধেক ছিল। এখন আমার বয়স ৭৫ হলে আমার ভাইয়ের বয়স কত হবে?
৪। দুইটা মেয়ে পানিতে পড়েছে। এখন একটা ছেলে কোন মেয়েটাকে বাচাবে?
১। যে মেয়েটি ছেলেটিকে ভালোবাসে ?
২। নাকি ছেলেটি যে মেয়েটিকে ভালোবাসে?
৫। মানুষ যত উপরের দিকে উঠতে থাকে ততই বুঝি সে একা হতে থাকে! কর্তব্যের চাপে, ব্যস্ততার কোলাহলে, একে একে হারিয়ে যেতে থাকে সব চেনা-চেনা মুখ ! শ্বাশত এই কথাই যেন "পুতুল নাচের ইতিকথা"য় বলে দিয়েছেন অমর কথাশিল্পী মানিক বন্ধ্যোপাধ্যায়।
সর্বশেষ এডিট : ০১ লা ডিসেম্বর, ২০১৬ সকাল ৯:৩৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




