
১। অনেকদিন আগে সুন্দরবন গিয়েছিলাম।আমার সাথে আমার ৫ বন্ধু ছিল।দুবলার চড়।আমরা হাঁটতে হাঁটতে বনের গভীরে চলে গিয়েছিলাম।হঠাৎ আমার বন্ধুরা আমাকে রেখেই দৌড়ে চলে যায়।আর কে যেন চিৎকার করে বলতে থাকল বাঘ!আমার খুব রাগ লাগল,বন্ধুদের উপর।এতো রাগ লাগল যে,আমি বাঘের দিকে পাগলের মতো দৌড়ে যাই।বাঘ আমাকে দেখে ভয় পেয়ে উলটো দিকে দৌড় শুরু করলো।একটুর জন্য বাঘ টা কে সেদিন ধরতে পারিনি।তারপর আমার বন্ধুরা আমাকে 'টাইগার' উপাধি দেয়।
২। সাহিত্যরাজ্যে চুরিবিদ্যা বড় বিদ্যা- এমন কি ধরা পড়িলেও । সাহিত্যের বড় বড় মহাজনগণ এই কাজ করিয়া আসিয়াছেন, এমন কি, শেক্সপিয়ারও বাদ যান না । সাহিত্যে যাহার ওরিজিন্যালটি অত্যন্ত অধিক সেই চুরি করিতে সাহস করে, কারণ, সে পরের জিনিসকে সম্পূর্ণ নিজের করিতে পারে ।
৩। আমাকে একটা নিরাপদ জায়গার সন্ধান দাও- হে পরম করুণাময়,
যে নিরাপদ স্থানে প্রেম-ভালোবাসা-মায়া আমাকে স্পর্শ করবে না ।
৪। "পথের দেবতা প্রসন্ন হাসিয়া বলেন " মূর্খ বালক, পথ তো আমার শেষ হয়নি তোমাদের গ্রামের বাঁশের বনে, ঠাঙাড়ে বীরু রায়ের বটতলায় কি ধলচিতের খেয়াঘাটের সীমানায়? তোমাদের সোনাডাঙা মাঠ ছাড়িয়ে, ইছামতী পার হয়ে, পদ্মফুলে ভরা মধুখালি বিলের পাশ কাটিয়ে, বেত্রবতীর খেয়ায় পাড়ি দিয়ে, পথ আমার চলে গেল সামনে, সামনে, শুধুই সামনে… দেশ ছেড়ে বিদেশের দিকে, সুর্যোদয় ছেড়ে সূর্যাস্তের দিকে, জানার গন্ডি এড়িয়ে অপরিচয়ের উদ্দেশ্যে...।
দিনরাত্রি পার হয়ে, জন্ম মরণ পার হয়ে, মাস, বর্ষ, মনন্তর, মহাযুগ পার হয়ে চলে যায়.... তোমাদের মর্মর জীবন-স্বপ্ন শেওলা-ছাতার দলে ভরে আসে, পথ আমার তখনো ফুরোয় না... চলে... চলে... চলে... এগিয়েই চলে....
অনির্বাণ তার বীণা শোনে শুধু অনন্ত কাল আর অনন্ত আকাশ....
সে পথের বিচিত্র আনন্দ-যাত্রার অদৃশ্য তিলক তোমার ললাটে পরিয়েই তো তোমাকে ঘরছাড়া করে এনেছি!...
চল এগিয়ে যাই।"
প্রশ্নঃ উপন্যাসটির নাম বলুন?
সর্বশেষ এডিট : ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ সকাল ৯:৫৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



