
১। ছাত্র : স্যার একটি কথা বলবো?
স্যার : কি বলবে বলো?
ছাত্র : আমার খুব লজ্জা লাগছে।
স্যার : লজ্জার কি আছে বল?
ছাত্র : আস্তে বলব না জোরে বলব স্যার?
স্যার : আরে বেটা যা বলবি জোরে বল ক্লাশের সবাই শুনুক।
ছাত্র : চিত্কার করে বলে- স্যার আপনার পেন্টের চেইন খোলা।
২। পৃথিবীর ৭৫% মানুষ দাঁত ব্রাশ করার আগে টুথপেষ্ট সহ ব্রাশটাকে পানিতে ভেজাবে।
আর আমি মনের ভুলে পেষ্ট ছাড়াই দাঁত ব্রাশ করে ফেলি। পরে মনে পড়ে, হায় হায় আমি তো পেষ্ট নিতেই ভুলে গেছি।
৩। আমি লক্ষ্য করে দেখেছি- বেতনের দিন গুলো একটু অন্য রকম। সেদিন সবার মুখ হাসি হাসি থাকে। অতি তুচ্ছ বিষয় নিয়েও গল্প-গুজব বেশি বেশি হয়। চা খাওয়া বেশি হয়। অন্য দিনের চেয়ে সবাই ভালো কাপড় পড়ে আসে। শুধু ম্যানেজারের- যার হাত দিয়ে টাকা বের হয় তার মুখটা থাকে গম্ভীর। মেজাজ থাকে খিটখিটে।
বেতনের দিনে বাসের মধ্যে কেউ পালিশ করা জুতো পাড়া দিলেও একটুও রাগ লাগে না। রাস্তার যানজটেও বিরক্ত লাগে না। ভিক্ষুককে দুই টাকার বদলে দশ টাকা দিতে ইচ্ছে করে। বাসায় ফেরার পথে- গাদাগাদি করে বাসে না গিয়ে দুই হাত ভরতি বাজার নিয়ে রিকশায় ফিরতে ইচ্ছে করে।
৪। “বাংলা ভাষায় রবীন্দ্রনাথ-জীবনানন্দের মতো কবি এসেছেন, আরও কত কবি আছে বিশ্বসাহিত্যে, কবির কোনো শেষ নেই, শেষ নেই কবিতারও৷ তোমাদের মধ্যে কে জোর দিয়ে বলতে পারবে যে সে জীবনানন্দ দাশের চেয়ে ভাল কবিতা লিখতে পারবে? যদি না পার তাহলে কেন কবিতা লেখা?
৫। সারাদিন রোজা রেখে সন্ধ্যায় ইফতারী খাওয়ার পর মনে হয়-
বেঁচে থাকাটা বড় আনন্দের ব্যাপার।
কত রকম উপভোগের ব্যাপার যে আছে এই পৃথিবীতে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।
