
১। জীবনের সবচাইতে খারাপ সময় থেকে এখন কতটুকু ভালো আছেন তা চিন্তা করলেই মন ভালো হয়ে যেতে পারে।
২। আপনার সাথে কেউ বেয়াদবি করেছে, আপনি খুব রেগে গিয়েছেন। কিন্তু জেনে রাখুন, যে বেয়াদবি করেছে, তাকে আপনি কোন ভাবেই দোষারোপ করতে পারেননা। কারণ সমস্যাটা আসলে আপনার নিজেরই।
আপনার পিঠে কেউ ততক্ষণ পর্ন্তত চড়তে পারবে না, যতক্ষণ না আপনি পিঠ নিচু করবেন।
৩। স্মার্টফোন হাতে পেয়ে অনেক স্মার্ট হয়ে গেছে কিন্তু জ্ঞানী হয়নি। তারা খুব সহজে আপ্লোড, ডাউনলোডের ব্যাপারগুলো বোঝে কিন্ত তাদের কাছে পিথাগোরাসের উপপাদ্য যেমন জটিল ছিল তেমন জটিলই রয়ে গেছে। তাদের কাছ থেকে যদি স্মার্টফোন কেড়ে নেওয়া হয় এবং সমস্ত টেকনলজি থেকে দূরে সরিয়ে আমাজন জঙ্গলে নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয় তাহলে মনে হয়না তারা বানরের চেয়ে বেশি বুদ্ধিমত্বার পরিচয় দেবে। অনেকের কাছ থেকে স্মার্টফোন কেড়ে নেওয়াটা যেন কোমায় যাওয়া রোগির শরীর থেকে লাইফ সাপোর্ট খুলে ফেলার মত।
আর্কিমিডিস বা পিথাগোরাসের সময় পৃথিবীটা ছিল অনুন্নত এবং বোকা, মানুষগুলো ছিল বুদ্ধিমান। এখন ইন্টারনেটের যুগে যা বেড়েছে তা হল কালেকশান অব ইনফরমেশান। এভাবে তথ্য প্রযুক্তির কল্যানে পৃথিবিটা হয়ে গেছে মানুষের চেয়ে বুদ্ধিমান। মানুষগুলো এখন টেকনলোজির ইলেকট্রোম্যাগনেটিক ওয়েভের সাগরে নিমজ্জিত আপাত স্মার্ট অথচ বোকা প্রানী। যখন ডাটা অনেক বেশি তখন প্রসেসর বেশি ইন্টেলিজেন্ট না হলেও চলে। স্মার্টফোন ছাড়া একজন মানুষ যেন এখন অসম্পুর্ন।
৪। সন্ধ্যায় একজন বিসিএস কর্মকর্তাকে জিজ্ঞেস করলাম, চাঁদের ভৌগলিক অবস্থা কেমন? তিনি বললেন- বরফে ঢাকা। ফের জিজ্ঞেস করলাম- এভারেস্ট আবিষ্কার করেন কে? তিনি বিজ্ঞের হাসি হেসে বললেন, হিলারি ও তেনজিং। আমার অভ্যেস খারাপ, মজা নিতে ছাড়ি না। জিজ্ঞেস করলাম- গাছের প্রাণ আছে কে আবিষ্কার করেন? তিনি তৎক্ষণাৎ উত্তর দিলেন- জগদীশচন্দ্র বসু।
হে জ্ঞানী বঙ্গবাসীসকল, উত্তর তিনটিই ভুল।
৫। ঈশ্বর পৃথিবীতে নেমে আসতে পারেন না, তাই তিনি তার প্রতিনিধি হিসেবে মাকে পাঠিয়েছেন।
৬। সিগারেট জিনিসটা খুব খারাপ। ভাই, ১১ টাকা দিয়ে একটা সিগারেট না খেয়ে- একটা ডিম কিনে সিদ্ধ করে খান।
৭।

মায়ের কোলে শিশু। ছবিটার মধ্যে একটা শান্তি শান্তি ভাব আছে না?

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।
