
১। মানুষের জীবনে জ্ঞান বা ভালো পরামর্শ হলো মূল্যবান পাথরের মতো। এ-জিনিস যতো বেশি সম্ভব সংগ্রহ করা উচিত। জ্ঞান যত বেশি হবে, মানুষ ততো আলোকিত হবে, হবে মনের দিক দিয়ে ধনী। অবশ্য জ্ঞানের পিপাসা কখনো মেটে না। আফসোস থেকেই যায়। কিন্তু যতোটা সম্ভব জ্ঞান অর্জন করে যাওয়া উচিত। সেক্ষেত্রে দিন শেষে আফসোসের মাত্রা কম হবে।
২। একদিন শিওলিন তার গুরুকে জিজ্ঞেস করলেন: 'গুরু, মানুষের মন কি ছোট-বড় হয়?'
'না, হয় না।'
"তাহলে কেন আমরা 'এর মন ছোট' 'ওর মন বড়' এমন ধরণের কথা বলি?"
গুরু বললেন: 'তুমি একটি বড় হাতির কথা কল্পনা করো।'
'জি, আমি একটি বড় হাতির কথা কল্পনা করছি।'
'যখন তুমি বড় হাতি নিয়ে কল্পনা করছিলে, তখন কি তোমার সম্পূর্ণ মন দিয়ে কল্পনা করছিলে?' জিজ্ঞেস করলেন গুরু।
'অবশ্যই।'
'এখন তুমি একটি ছোট্ট সরিষার দানার কথা কল্পনা কর।'
'জি, আমি এখন একটি ছোট্ট সরিষার দানার কথা কল্পনা করছি।'
'তুমি কি সমস্ত মন দিয়ে সরিষার দানার কথা ভাবছিলে?'
'জি, আমি সমস্ত মন দিয়ে ভাবছিলাম।'
এবার গুরু বললেন: 'মন তো মাত্র একটি। তাহলে কীভাবে তুমি একই মন দিয়ে একটি বড় হাতি ও একটি ছোট্ট সরিষার দানার কথা কল্পনা করতে পারলে? আসলে, যখন তুমি কোনো বড় জিনিস নিয়ে ভাববে, তখন তোমার মন আপনা-আপনি বড় হয়ে যাবে; আবার যখন তুমি কোনো ছোট জিনিস নিয়ে ভাববে, তখন তোমার মন আপনা-আপনি ছোট হয়ে যাবে। তাই বলি, মানুষের মন ছোট-বড় হয় না, ছোট-বড় হয় তার চিন্তা।'
৩। আকাশে ওড়ার সময় একটি কবুতরের সঙ্গে একটি কাকের দেখা হল।
কবুতর কাককে জিজ্ঞেস করল: ‘তুমি কোথায় যাচ্ছ?’
কাক বলল: ‘আসলে আমি কোথাও যেতে চাই না। কিন্তু কেউ আমার কণ্ঠ পছন্দ করে না। তাই সবার কাছ থেকে দূরে কোথাও চলে যাচ্ছি।’
কবুতর বলল: ‘তোমার প্রচেষ্টা ব্যর্থ হবে। কারণ, তুমি যেখানেই যাও সেখানেই কেউ না কেউ থাকবে এবং তোমার কণ্ঠস্বরও পরিবর্তিত হবে না।
৪। ভালবাসা বড়ই আজব!! যদি ছেলেটি বোঝে তাহলে মেয়েটি বুঝবে না। আবার যদি মেয়েটি বোঝে তাহলে হয়তো ছেলেটি বুঝবে না। কিন্তু যখন দুজনই বোঝে, তখন আর এই পৃথিবী বুঝতে চায় না!
সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে আগস্ট, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:৫৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



