
১। উপমহাদেশের কালজয়ী লোকসঙ্গীত শিল্পী আবদুল আলীমের ৩৮তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। মাত্র তেরো বছর বয়সে ১৯৪৩ সালে তাঁর গানের প্রথম রেকর্ড হয়।পরবর্তীকালে তিনি কলকাতায় যান এবং সেখানে আব্বাসউদ্দিন ও কাজী নজরুল ইসলামের সাথে সংশ্লিষ্ট হয়ে গান করেছেন। দেশ বিভাগের পরে আব্দুল আলীম ঢাকায় চলে আসেন এবং রেডিওতে স্টাফ আর্টিস্ট হিসেবে গান গাইতে শুরু করেন।বাংলাদেশের প্রথম চলচ্চিত্র ‘মুখ ও মুখোশ’ সহ বিভিন্ন বাংলা চলচ্চিত্রে আব্দুল আলীম গান করেছেন।পেশাগত জীবনে আবদুল আলীম ছিলেন ঢাকা সঙ্গীত কলেজের লোকগীতি বিভাগের অধ্যাপক।
আব্দুল আলীম বেশ কয়েকটি জাতীয় পুরস্কার পেয়েছেন; এগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে একুশে পদক, পূর্বাণী চলচ্চিত্র পুরস্কার এবং বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সাংবাদিক সমিতি পুরস্কার।
তাঁর কিছু অবিস্মরণীয় গান হলো: নাইয়া রে নায়ের বাদাম তুইলা; সর্বনাশা পদ্মা নদী; হলুদিয়া পাখী; মেঘনার কূলে ঘর বাঁধিলাম; এই যে দুনিয়া; দোল দোল দুলনি; দুয়ারে আইসাছে পালকি; কেন বা তারে সঁপে দিলাম দেহ মন প্রাণ; মনে বড় আশা ছিল যাবো মদীনায় ইত্যাদি।মরমী শিল্পী আব্দুল আলীমের মৃত্যু দিবসে আমার শ্রদ্ধাঞ্জলি।
২। চটপটে বাকপটু নারীদের পুরুষরা বেশি পছন্দ করে। নরম স্বভাবের নারীদের পুরুষরা কম পছন্দ করে। তবে অবাক করা বিষয় হচ্ছে জীবন সঙ্গী হিসেবে বেশিরভাগ পুরুষ আসলে লাজুক মেয়েদেরই বেশি পছন্দ করে।
৩। একটা মজার ব্যপার কি খেয়াল করেছেন? মানুষ ব্রেইনের নাম দিয়েছে ‘ব্রেইন‘। একটু টেকনিক্যালি খেয়াল করেন, ব্রেইন কিন্তু নিজেই নিজের নামকরণ করেছে।
৪। তিনি জেনিকে বিয়ে করেন। লেখার কারনে জার্মানি থেকে বিতাড়িত হবার পর প্যারিসে যান। সেখান থেকে লেখার কারনে বিতাড়িত হবার পর লন্ডন আসেন। এই লন্ডনে তিনি ছিলেন ৩০ বছর। তখন তাঁর সন্তান ছিল ৬ সন্তান। কাজের মেয়ের গর্ভেও জন্ম নিয়েছিল তাঁর এক সন্তান। খুব মানবেতর জীবন কাটিয়েছেন তিনি। অতি দারিদ্রতায়, অপুষ্টিতে তাঁর ৪ সন্তান এবং স্ত্রী মারা যায়। এরপর তিনি আক্ষেপ করে বলেন, আপনারা জানেন যে, আমি আমার জীবন বিপ্লবী কাজে উৎসর্গ করেছি। আমাকে যদি আমার জীবনটা আবার ফিরিয়ে দেয়া হয়, তবে আমি যা করেছি তাই করতাম, তবে বিয়ে করতাম না!
বলুন, আমি কার কথা বলছি? আমি একটু সহজ করে দিচ্ছি- ১৮৮৩ সালের ১৪ই মার্চ তাঁর মৃত্যু হয়।
৫। কীর্তনখোলা নদী।
আমি আর সুরভি নৌকায় করে যাচ্ছি। নদী শান্ত। ঠান্ডা বাতাস। বাতাসে সুরভি'র শাড়ির আঁচল উড়ছে। মাঝি আপন মনে নৌকা এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। সুন্দর বিকেল।
আমাদের নৌকাটা যাচ্ছে নাম না জানা একটা গ্রামের পাশ দিয়ে। ছোট ছেলে-মেয়েরা নদীতে লাফা-লাফি করছে। একলোক তার মহিষকে গোছল করাচ্ছে।
হঠাত মুহূর্তের মধ্যে আকাশ ভরা মেঘ দেখা দিল। চারপাশ গাঢ় অন্ধকার হয়ে গেল। মাঝির মুখে আতঙ্ক। বলল, তুফান আইতাছে। প্রচন্ড ঝড় শুরু হলো।
আমরা দু'জন জানি না সাঁতার। আমি সুরভি'র হাত ধরলাম। আর কি আশ্চর্য, বিশাল এক ঢেউ এসে আমাদের নৌকাটা উলটে দিল। আমরা পানিতে তলিয়ে যাচ্ছি। আমার নিঃশ্বাস বন্ধ হয়ে আসছে।
ঠিক তখন আমার ঘুম ভাঙল। দেখি, ঘুমের মধ্যে সুরভি আমার হাত ধরে রেখেছে। ঘড়ির দিকে তাকিয়ে দেখি ভোর সাড়ে চারটা। সুরভি'কে ঘরে রেখে আমি ছাদে গেলাম। অনেকদিন ভোরের আকাশ দেখি না।
সর্বশেষ এডিট : ০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৫:১১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



