
অভিবাসীদের বিষয়ে কঠোর নয়, বরং আরও আন্তরিক হওয়া উচিৎ। একটি কথা সবারই মনে রাখা উচিৎ, মানবতা বাঁচলে বাঁচবে মানুষ, বাঁচবে সভ্যতা। ১৯৭১ সালে একা ভারত যদি পুরো ১ কোটি শরনার্থীকে আশ্রয় দিতে পারে তাহলে পুরো ইউরোপ মিলে ৫০ লাখ শরনার্থীকে আশ্রয় দিতে পারে না কেন? নাকি সময়ের সাথে মানবতা ভূমধ্যসাগরে ডুবে গেছে।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপীয় ইউনিয়নের জন্য সবচেয়ে মারাত্মক মানবিক সংকট হয়ে এসেছে এই অভিবাসন সমস্যা। প্রতিদিনই ভূমধ্যসাগরে নেমে ‘অজানার উদ্দেশে’ পাড়ি জমাচ্ছেন হাজারো মানুষ। মুসলিম মুসলিম ভাই ভাই। অথচ মুসলিমরা মুসলিমের হাত থেকে বাচার জন্য বিধর্মী কাফের দেশে যেতে চায়। তাদের তারা মন থেকেই ঘৃনা করে। তারপরেও তারা যেতে চায় কিন্তু কেন? কারন সে দেশে জীবনের নিরাপত্তা আছে।
যুদ্ধবাজ যে লোভী রাষ্ট্ররা যুদ্ধ লাগিয়ে অস্ত্র ব্যবসা করে নিজেদের জিডিপি ঠিক রাখে তাদেরও আন্তর্জাতিক আদালতে দাড় করানো উচিত! সিরিয়ায় আইএস ধর্মীয় যুদ্ধের উন্মাদনায় মধ্যপ্রাচ্য সংকট তৈরী করেছে। নির্বিচারে নিরীহ মানুষ হত্যা করছে। মানুষ ভয়ে, আতংকে জীবন বাঁচাতেই ইউরোপের পথে সাগর পাড়ি দিচ্ছে।
কবি নির্মলেন্দু গুণের একটি কবিতার লাইন মনে পড়ে গেল, 'যুদ্ধ মানে শত্রু শত্রু খেলা আমার প্রতি তোমার অবহেলা ৷'
নজরুলের কবিতার সুরে বলি,
মানুষের চেয়ে বড় কিছু নাই, নহে কিছু মহিয়ান্ ।
নাই দেশ-কাল-পাত্রের ভেদ, অভেদ ধর্মজাতি,
সব দেশে সব কালে ঘরে-ঘরে তিনি মানুষের জ্ঞাতি।
শিশু অধিকার নিয়ে লিখে যওয়া কবি সুকান্তের কবিতা বড় কানে বাজে...
"এসেছে নতুন শিশু, তাকে ছেড়ে দিতে হবে স্থান;
জীর্ণ পৃথিবীতে ব্যর্থ, মৃত আর ধ্বংসস্তূপ-পিঠে
চলে যেতে হবে আমাদের।
চলে যাব- তবু আজ যতক্ষণ দেহে আছে প্রাণ
প্রাণপণে পৃথিবীর সরাব জঞ্জাল,
এ বিশ্বকে এ শিশুর বাসযোগ্য ক’রে যাব আমি
নবজাতকের কাছে এ আমার দৃঢ় অঙ্গীকার।"
সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ সকাল ১০:১৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



