somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

রাজীব নুর
আমার নাম- রাজীব নূর খান। ভালো লাগে পড়তে- লিখতে আর বুদ্ধিমান লোকদের সাথে আড্ডা দিতে। কোনো কুসংস্কারে আমার বিশ্বাস নেই। নিজের দেশটাকে অত্যাধিক ভালোবাসি। সৎ ও পরিশ্রমী মানুষদের শ্রদ্ধা করি।

এখন তো ঘাবড়ে গেলেই বলি, মরে যাব, মরেও যদি শান্তি না পাই তবে কোথায় যাব?

০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ সকাল ৯:৫৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



১। প্রত্যেকটা মানুষই আলাদা আলাদা গল্প। যত পড়বেন তত মজা । রুপসী বাংলা হোটের সামনে দেখবেন- যখন ট্র্যাফিকে গাড়ি থামে তখন, ভিক্ষুক ভিক্ষা চায়, কেউ নকল বই বিক্রি করে আবার কেউ ফুল বিক্রি করে। আমাদের দেশে যার যা আছে বা নেই সবাই সেই আছে বা নেইকে একটা ব্যাপারেই পুঁজি করতে চায়। সেটা হলো- ভিক্ষা। যার একটা হাত নেই- সে সেই নেইটাকে ভিক্ষের কাজে লাগায়। ভিক্ষে করতে শেখায়- আমাদের সরকার। সরকার নিজেই পৃথিবীতে সবচেয়ে নির্লজ্জ ভিখিরি। এ দেশে কত সম্পদ আছে, কোথায় কী পাওয়া যায়, আমাদের সত্যিকারের অভাব কতখানি তা কেউ খুঁজে দেখেনি আজ পর্যন্ত । খুঁজলে দেখা যবে, আমাদের দেশে রিসোর্সের অভাব নেই। শুধু খুঁজে দেখা হয়নি এই যা। সমাজে নানান রকম দুষণ বাড়ছে তো বাড়ছেই ।
দেশ নিয়ে ভাবলে আমার জীবনে একটুও শান্তি থাকে না । মাথা এত গরম হয়ে যায় যে, রাতে ঘুম আসতে চায় না ।

২। আমি অনেকদিন আগে বেশ কিছু দিন পুরান ঢাকায় ছিলাম ( কলতা বাজার )। তখন দেখতাম-গলির মাথায় ল্যাম্প পোষ্টের সামনে দাঁড়িয়ে- মধ্যেরাত্রে একলোক মদ খেয়ে অকথ্য ভাষায় আকাশের দিকে তাকিয়ে গালা-গালি করত।তারপর বউটা এসে কাঁদতে কাঁদতে তার স্বামীকে নিয়ে যেত।আমি সারারাত জেগে বই পড়তাম । ওই লোকের গালা-গালি শুনে ব্যলকনিতে এসে দাঁড়াতাম। একদিন ওই মাতালটার সাথে খুব সাহস করে আলাপ করে ফেললাম । প্রথমে লোকটা ভাব করতে চায়নি । পরে একটু একটু করে ভাব হয়েই গেল । আমি লোকটার কাছে অনেকবার জানতে চেয়েছি- সে মদ খেয়ে মধ্যরাত্রে কেন গালাগালি করে । লোকটা জবাব দিতে পারেনি । তখন বুঝতে পারলাম, ওর রাগটা বিশেষ কারো ওপর নয়। ওর মনটাই বিগড়ে গেছে । মদ খেলেই ভিতরের নানা রকম জমে- থাকা বিষ গালাগাল হয়ে বেরিয়ে আসে। তখন আরাম লাগে । এখন সে আমার বন্ধু ।

৩। কচ্ছপ একশো বছর বাঁচলেও হাতি বাঁচে মাত্র ৬০/৭০ বছর। হাতির চোখের দিকে তাকিয়ে অনুভব করি গভীর মমত্ব। হাতির কাছ থেকেই আমি ভালোবাসতে শিখেছি। ন্যাশনাল জিওগ্রাফী আর ডিসকোভারীতে হাতির অনুষ্ঠান দেখতে আমার খুব ভালো লাগে।
আফ্রিকায় প্রতি ১৫ মিনিটে একটি হাতিকে হত্যা করা হয়। অর্থাৎ প্রতিদিন প্রায় একশ’ হাতি হত্যা করা হয়। সেই হিসেব অনুযায়ী, গত বছর কমপক্ষে ৩৫ হাজার হাতিকে হত্যা করা হয়েছে।

টিভিতে দেখি, হাতির আশ্চর্য আনন্দমুখর ও শান্তিপূর্ণ জীবন। তারা খেলছে, তারা রঙ্গতামাশা করছে পরস্পরের সঙ্গে, কুস্তি করছে একে অন্যের সাথে। শিশুরা কাদা ছুড়ছে একে অন্যের দিকে, লুকোচুরি খেলছে, মারামারি করছে, সময়ে অসময়ে বিরক্ত করছে তাদের মায়েদের। মায়েরা তাদের শাসন করছে দুষ্টুমির মাত্রা ছাড়িয়ে গেলে। এক বাচ্চা হাতিকে দেখলাম মায়ের ‘বকুনি’ খেয়ে লুকোবার চেষ্টা করছে গাছের আড়ালে। কিন্তু হাতীর শরীর কি তুচ্ছ গাছের আড়াল মানে? দারুণ হাসি পাচ্ছিল আমার শিশু হাতীটার কাণ্ড দেখে।

৪। মন্টুঃ ঐ যে সামনের টেবিলে বসে আছে তার সাথে আমার শত্রুতা আছে।
বল্টুঃ কিন্তু টেবিলে তো চারজন লোক বসে আছে।
মন্টুঃ যার মুখে গোঁফ আছে সে।
বল্টুঃ গোঁফ তো সবার মুখেই আছে।
মন্টুঃ আরে যে সাদা শার্ট পড়ে আছে।
বল্টুঃ কিন্তু সাদা শার্ট তো সবাই পড়া।
মন্টুঃ (রেগে গিয়ে পিস্তল বের করে তিনজনকে গুলি মেরে দিয়ে বলল)
"যেইটা বাকি আছে সেইটা। ওই বেটারে আমি ছাড়মু না।"
সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ সকাল ৯:৫৪
৫টি মন্তব্য ৫টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ধার্মিক কে অনুসরণ করুন ভন্ডকে নয় ।

লিখেছেন কিরকুট, ২২ শে জুলাই, ২০২৬ দুপুর ১২:৩৮

আমরা প্রায়ই নিজেদের ধর্মপ্রাণ জাতি বলে পরিচয় দিতে ভালোবাসি। কিন্তু প্রশ্ন হলো ধর্ম কি সত্যিই আমাদের নৈতিকতা, মানবিকতা ও সত্যের পথে পরিচালিত করতে পারছে, নাকি কিছু অসভ্য মানুষ ধর্মকে নিজেদের... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্য সাইলেন্ট ইকো

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ২২ শে জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৫:১০


এটি একটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ও ফিকশনাল ইনভেস্টিগেটিভ ক্রাইম থ্রিলার। গল্পের সমস্ত চরিত্র, প্রতিষ্ঠান, স্থান, সাল ও অপরাধের মোটিভ লেখকের কল্পনানির্ভর। বাস্তব কোনো ব্যক্তি, পেশাজীবী বা অমীমাংসিত... ...বাকিটুকু পড়ুন

ক্যাপাসিটি চার্জের পর এবার নজর খাম্বায়

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২২ শে জুলাই, ২০২৬ রাত ৯:০৩


বিদ্যুৎ বিল নিয়ে সাধারণ মানুষের অভিযোগের শেষ নেই । বিশেষ করে যারা নির্দিষ্ট বেতনে সংসার চালান কিংবা যেসব পরিবারে কেবল একজন মাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি আছেন, তাদের মাসে প্রিপেইড মিটারে... ...বাকিটুকু পড়ুন

কে হবেন বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি?

লিখেছেন জুল ভার্ন, ২২ শে জুলাই, ২০২৬ রাত ৯:৫৯



কে হবেন বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি?

বাংলাদেশে রাষ্ট্রপতি পদটি সংবিধানের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদ। কিন্তু দুঃখজনক বাস্তবতা হলো, আমাদের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের মূল্যায়ন যোগ্যতার চেয়ে দলীয় পরিচয়ের ভিত্তিতেই বেশি হয়।... ...বাকিটুকু পড়ুন

চাকরির জন্য সুপারিশ

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ২৩ শে জুলাই, ২০২৬ রাত ১২:৫৮



গত কয়েকদিন যাবত ফেসবুক, ইউটিউব সহ অনলাইন সকল পত্র-পত্রিকা, টিভি নিউজ সহ এমন কোনো স্থান বাদ নেই যেইখানে এক ব্যক্তির রাজনীতি, সাংসদ, সংসদ, চরিত্র, বিবাহ, কাবিন নামা, প্রথম স্ত্রী,... ...বাকিটুকু পড়ুন

×